স্যন্দন
ডিজিটাল
ডেস্ক, আগরতলা।
২৮
সেপ্টেম্বর : এস.আই.আর নিয়ে বারবার আপত্তি জানিয়েছেন নির্বাচন দপ্তরের মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের অধীনে থাকা দুজন কমিশনার। এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের ভেতর ভিন্ন মত থাকতেই পারে। এটা গণতন্ত্রের জন্য সুখকর। এ ধরনের আলোচনার সুযোগ গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের জন্য খুব প্রয়োজন। গত ২৬ সেপ্টেম্বর নির্বাচন কমিশন থেকে ষ্পষ্ট বার্তা দেওয়া হয়েছে, এস আই আর মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের একক সিদ্ধান্ত নয়।
সর্বসম্মতি ক্রমে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এস.আই.আর-এর মূল উদ্দেশ্য হলো ভুয়া ভোটার এবং অনুপ্রবেশকারীদের ভোটার তালিকা থেকে বাদ দেওয়া। নির্ভুল তালিকা দেশবাসীর সামনে নিয়ে আসা। এর অর্থ এমন নয় যে যারা তালিকা থেকে বাদ পড়েছে তারা দেশে থাকতে পারবে না। ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়া মানে তাকে আগামী দিন দেশের নাগরিকের সঠিক প্রমাণ দিতে হবে।
সোমবার প্রদেশ বিজেপি কার্যালয়ে সাংবাদিক সম্মেলন করে এ কথা বললেন মুখ্যমন্ত্রী ডাক্তার মানিক সাহা। এস আই আর নিয়ে বিভ্রান্তি ছড়িয়ে ইন্ডিয়া জোট নিজেরাই রাজনৈতিক ফাঁদে পড়ে গেছে। এখন তারা এই ফাঁদ থেকে বের হয়ে আসতে পারছে না। আর তারা যখন ক্ষমতায় আসতে পারে না তখন নিশানা করে দেশের সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলি। তাদের লক্ষ্যই হলো এই প্রতিষ্ঠানগুলোকে কালিমা লিপ্ত করা। শুধুমাত্র ভোট চুরির অভিযোগ তুলে তারা এ ধরনের প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। কিন্তু এগুলি ভুল প্রমাণিত হচ্ছে। এর তীব্র নিন্দা জানান তিনি।
মন্তব্য সমূহ (0)
আপনার মতামত জানান