স্যন্দন
ডিজিটাল
ডেস্ক, আগরতলা।
২৬
সেপ্টেম্বর
:রাজধানীর মুক্তধারা
অডিটোরিয়ামে
পণ্ডিত
ঈশ্বর
চন্দ্র
বিদ্যাসাগরের
জন্মদিন
উপলক্ষ্যে
রাজ্যের
মূল
অনুষ্ঠানটি
অনুষ্ঠিত
হয়।
অনুষ্ঠানে
প্রধান
অতিথি
হিসাবে
উপস্থিত
ছিলেন
রাজ্যের
মুখ্যমন্ত্রী
ডাক্তার
মানিক
সাহা।
অনুষ্ঠানের
শুরুতে
পণ্ডিত
ঈশ্বর
চন্দ্র
বিদ্যাসাগরের
প্রতিকৃতিতে
ফুল
দিয়ে
তাঁর
প্রতি
শ্রদ্ধা
নিবেদন
করেন
মুখ্যমন্ত্রী
ডাক্তার
মানিক
সাহা।
পড়ে অনুষ্ঠানে
আলোচনা
করতে
গিয়ে
মুখ্যমন্ত্রী
বলেন
দেশের
একের
পর
এক
মনিষী
জন্ম
গ্রহণ
করেছেন।
তারা
মানুষের
জন্য
অনেক
কিছু
দিয়ে
গেছেন।
তারা
সমাজের
জন্য
কি
কি
করেছেন,
সেই
বিষয়ে
নতুন
প্রজন্মক
অবগত
করার
জন্য
তাদের
জন্মদিন
পালন
করা
হয়।
বাংলার
পূর্বে
যে
লিপি
ছিল
সেই
গুলি
বিশৃঙ্খল
অবস্থায়
ছিল।
পণ্ডিত
ঈশ্বর
চন্দ্র
বিদ্যাসাগর
সেই
গুলিকে
শৃঙ্খলার
মধ্যে
নিয়ে
এসেছেন।
ঈশ্বর
চন্দ্র
বিদ্যাসাগরের
সময়
সহজে
পড়ালেখা
করার
সুযোগ
ছিল
না।
তাঁর
কারণে
বর্তমানে
সকলে
সহজে
পড়ালেখা
করতে
পারছে।
তিনি
নিজে
জ্ঞান
আহরণের
পর
অন্যদের
মধ্যে
জ্ঞান
বিতরণের
চেষ্টা
করেছেন
সর্বদা।
মানুষকে
যেন
জ্ঞানের
আলোয়
আলোকিত
করা
যায়
তার
চেষ্টা
তিনি
করেছেন।
সংস্কৃত
ভাষা
এবং
পাণ্ডিত্যের
জন্য
তৎকালীন
সময়
সংস্কৃত
কলেজ
থেকে
বিশেষ
উপাধি
দেওয়া
হয়
ঈশ্বর
চন্দ্র
বিদ্যাসাগরকে।
গরীব
মানুষের
জন্য
ওনার
দরজা
সর্বদা
খোলা
থাকত।
তাই
ওনাকে
দয়ার
সাগর
বলা
হতো।
ঈশ্বর
চন্দ্র
বিদ্যাসাগর
বর্তমান
সময়েও
প্রাসঙ্গিক।
তিনি
সমাজ
পরিবর্তনের
জন্য,
নারী
শিক্ষার
প্রসার,
বিধবা
বিবাহ
চালুর
জন্য
কাজ
করে
যাচ্ছে।
ওনার
চিন্তা
ভাবনা
অনুযায়ী
রাজ্য
সরকারও
বলছে
মেয়েরা
শিক্ষায়
উন্নত
না
হলে
রাজ্যের
বা
দেশের
কোন
সময়
উন্নয়ন
সম্ভব
নয়।
কু-সংস্কার
থেকে
বেরিয়ে
আসতে
হবে।
বর্তমানে
আধুনিক
শিক্ষা
ব্যবস্থা
চলে
এসেছে
বলেও
জানান
মুখ্যমন্ত্রী।
তিনি
আরও
বলেন
বর্তমান
সরকারের
সময়
স্কুল
গুলির
পরিকাঠামো
উন্নত
করা
হচ্ছে।
স্কুল
গুলিকে
পরিষ্কার
পরিচ্ছন্ন
রাখার
দায়িত্ব
ছাত্র-ছাত্রী
ও
শিক্ষক
শিক্ষিকাদের
নিতে
হবে।
সরকারের
লক্ষ্য
স্কুল
গুলি
যেন
ছেলে
মেয়েদের
প্রতিভা
বিকাশের
কেন্দ্র
বিন্দুতে
পরিণত
হয়।
এইদিনের
অনুষ্ঠানে
মুখ্যমন্ত্রী
ডাক্তার
মানিক
সাহা
ছাড়াও
উপস্থিত
ছিলেন
বিদ্যালয়
শিক্ষা
দপ্তরের
অধিকর্তা,
তথ্য
ও
সংস্কৃতি
দপ্তরের
অধিকর্তা
বিম্বিসার
ভট্টাচার্য
সহ
অন্যান্যরা।
মন্তব্য সমূহ (0)
আপনার মতামত জানান