স্যন্দন ডিজিটাল
ডেস্ক, আগরতলা।
১০ সেপ্টেম্বর :
বিজেপি সরকারের
জনবিরোধী কার্যকলাপ,
বিতর্কিত নিয়োগ
নীতি এবং
পিআরটিসি (PRTC) শিথিল করার সিদ্ধান্তের
প্রতিবাদ সহ
৩ দফা
দাবিতে ধর্মনগর
কংগ্রেস ভবনের
সামনে ৬
ঘণ্টার গণঅবস্থান
কর্মসূচি পালন
করল ত্রিপুরা
প্রদেশ যুব
কংগ্রেস।
অবস্থান ধর্মঘটে
দাঁড়িয়ে যুব
কংগ্রেস নেতৃত্ব
অভিযোগ করেন,
রাজ্য সরকারের
নীতিহীন সিদ্ধান্তের
কারণে ত্রিপুরায়
পিআরটিসি- তুলে
দেওয়া হচ্ছে,
যার ফলে
বহিঃরাজ্যের চাকরিপ্রার্থীরা
এ রাজ্যের
কর্মসংস্থানে সুযোগ
পেয়ে যাচ্ছে।
এতে ত্রিপুরা
রাজ্যের নিজস্ব
যুবক-যুবতীরা
অধিকার ও
চাকরি থেকে
বঞ্চিত হচ্ছেন।
বহিঃরাজ্যের প্রার্থীরা
অর্থের বিনিময়ে
দালালচক্রের মাধ্যমে
১ লক্ষ
থেকে দেড়
লক্ষ টাকার
বিনিময়ে জাল
পিআরটিসি কিংবা
ভুয়া ৫
বছরের স্কুল
সার্টিফিকেট সংগ্রহ
করছে না—তার কোনো
নিশ্চয়তা নেই
বলে তীব্র
প্রশ্ন তোলেন
আন্দোলনকারীরা।
নেতৃত্বরা আরও
বলেন, টেট-১ (TET-1) ও টেট-২ (TET-2) পরীক্ষায় উত্তীর্ণ
চাকরিপ্রার্থীরা দীর্ঘ
প্রায় দুই
বছর অতিবাহিত
হওয়ার পরও
নিয়োগপত্র পাননি।
ন্যায়সঙ্গত অধিকার
ও নিয়োগের
দাবি নিয়ে
বেকার যুবকরা
যখন মুখ্যমন্ত্রীর
বাসভবন বা
শিক্ষা দপ্তরের
দ্বারে যাচ্ছেন,
তখন তাদের
চাকরি দেওয়ার
বদলে গ্রেফতার
ও নির্যাতন
করা হচ্ছে।
এ ছাড়া,
রাজ্যের প্রয়াত
ডিজিপির চাঞ্চল্যকর
সুইসাইড নোটটি
শাসকদল বিজেপি
গায়েব করার
অপচেষ্টা করেছিল
বলেও গুরুতর
অভিযোগ তোলেন
তাঁরাকটাক্ষ করেন।
যুব কংগ্রেসের পক্ষ
থেকে জানানো
হয়, প্রদেশ
যুব কংগ্রেসের
সিদ্ধান্ত অনুযায়ী
রাজ্যজুড়ে মোট
৫৪ ঘণ্টার
গণঅবস্থান কর্মসূচির
ডাক দেওয়া
হয়েছে। তারই
অঙ্গ হিসেবে
ধাপে ধাপে
বিভিন্ন জেলায়
এই প্রতিবাদ
সংগঠিত হচ্ছে
এবং আগামী
দিনে বাকি
জেলাগুলিতেও একই
কর্মসূচি অব্যাহত
থাকবে।
আজকের এই গণঅবস্থান
কর্মসূচিতে প্রধান
হিসেবে উপস্থিত
ছিলেন প্রদেশ
যুব কংগ্রেস
সভাপতি নীলকমল
সাহা, জেলা
যুব কংগ্রেস
সভাপতি জয়দীপ
নাথ, প্রদেশ
কংগ্রেস সদস্য
কেবল কান্তি
নন্দী ও
যুব নেতা
চয়ন ভট্টাচার্য
সহ যুব
কংগ্রেসের অন্যান্য
নেতৃত্ব ও
কর্মীবৃন্দ।
মন্তব্য সমূহ (0)
আপনার মতামত জানান