স্যন্দন ডিজিটাল
ডেস্ক,
আগরতলা।
২৩
আগস্ট
: ধর্মনগর জেলা হাসপাতালে
কর্মরত
নিরাপত্তারক্ষীদের
বকেয়া
বেতন
না
মিটিয়ে
আগরতলায়
বদলির
ঘটনায়
ঘিরে
ব্যাপক
ক্ষোভ
সৃষ্টি
হয়।
জানা
গেছে,
‘ন্যাশনাল
একিউরেট
ব্রিলিয়ান্ট
সিকিউরিটি’
সংস্থার
অধীনে
কর্মরত
কাকলী
দেব,
দীপালী
দেবনাথ,
রাজেশ
নাথ-সহ
কয়েকজন
নিরাপত্তারক্ষীকে
ধর্মনগর
থেকে
আগরতলা
অফিসে
বদলির
নির্দেশ
দেওয়া
হয়েছে।
অভিযোগ,
নিরাপত্তারক্ষীদের
দীর্ঘদিনের
বকেয়া
বেতন
পরিশোধ
না
করেই
তাঁদের
বদলির
সিদ্ধান্ত
নেওয়া
হয়েছে।
কর্মীদের
দাবি,
প্রায়
১১
মাস
ধরে
তাঁরা
বেতন
না
পাওয়ায়
পরিবার
নিয়ে
চরম
আর্থিক
সংকটে
রয়েছেন।
এই
অবস্থায়
আগরতলায়
বদলি
করা
হলে
বকেয়া
টাকা
কবে
এবং
কীভাবে
পরিশোধ
করা
হবে,
তা
নিয়েও
তাঁরা
অনিশ্চয়তার
মধ্যে
রয়েছেন।
নিরাপত্তারক্ষীদের
আরও
অভিযোগ,
কর্মস্থলে
ডিউটি
বণ্টন
সহ
বিভিন্ন
অনিয়মের
বিষয়ে
ঊর্ধ্বতন
কর্তৃপক্ষের
কাছে
অভিযোগ
জানানোর
পরই
তাঁদের
বিরুদ্ধে
বদলির
সিদ্ধান্ত
নেওয়া
হয়েছে।
হোয়াটসঅ্যাপের
মাধ্যমে
ট্রান্সফার
লেটার
পাঠানো
এবং
ডিউটি
খাতায়
স্বাক্ষর
করতে
নিষেধ
করা
হয়েছে
বলেও
অভিযোগ
উঠেছে।
ভুক্তভোগী
নিরাপত্তারক্ষী
কাকলী
দেবের
অভিযোগ,
বদলির
কাগজ
পাওয়ার
পর
মানসিকভাবে
ভেঙে
পড়ে
তিনি
অসুস্থ
হয়ে
অজ্ঞান
হয়ে
যান।
পরে
তাঁকে
ধর্মনগর
জেলা
হাসপাতালে
ভর্তি
করা
হয়।
বর্তমানে
তাঁর
চিকিৎসা
চলছে।
তাঁর
প্রশ্ন,
অন্যায়
না
করেও
কেন
তাঁকে
এই
শাস্তির
মুখে
পড়তে
হচ্ছে?
অন্যদিকে, নিরাপত্তা
সংস্থার
পক্ষ
থেকে
জারি
করা
ট্রান্সফার
অর্ডারে
দাবি
করা
হয়েছে,
হাসপাতাল
কর্তৃপক্ষের
কাছ
থেকে
দায়িত্বে
অবহেলার
অভিযোগ
পাওয়ার
পরই
বদলির
সিদ্ধান্ত
নেওয়া
হয়েছে।
এদিকে নিরাপত্তারক্ষীদের
পক্ষ
থেকে
সমীরণ
নাথ
ও
গৌতম
নাথ-সহ
কয়েকজনের
বিরুদ্ধে
ডিউটি
বণ্টনে
অনিয়ম
এবং
চাকরিবিধি
লঙ্ঘনের
অভিযোগ
তোলা
হয়েছে।
বিশেষ
করে
নিরাপত্তারক্ষীদের
সঙ্গে
দুর্ব্যবহারের
অভিযোগও
উঠেছে।
এক
মহিলা
নিরাপত্তারক্ষীকে
ধমক
দেওয়ার
অভিযোগ
ঘিরেও
প্রশ্ন
উঠেছে।
কর্মীদের
দাবি,
পুরো
বিষয়টি
নিরপেক্ষভাবে
তদন্ত
করে
প্রকৃত
ঘটনা
সামনে
আনা
হোক
এবং
তাঁদের
বকেয়া
বেতন
দ্রুত
পরিশোধ
করা
হোক।
পাশাপাশি
কর্মস্থলে
স্বাভাবিক
পরিবেশ
ফিরিয়ে
আনারও
দাবি
জানিয়েছেন
তাঁরা।
মন্তব্য সমূহ (0)
আপনার মতামত জানান