স্যন্দন ডিজিটাল ডেস্ক, আগরতলা। ২ আগস্ট :সাত বছর আগে বড় স্বপ্ন নিয়ে রাজনীতিতে পা রেখেছিলেন উচ্চ শিক্ষিত রেবতী ত্রিপুরা। ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে ভারতীয় জনতা পার্টির হয়ে প্রথম লড়াইয়ে ঐতিহাসিক জয় পেয়েছিলেন পূর্ব ত্রিপুরা আসন থেকে। পাঁচ বছর তিনি সম্মানের সঙ্গে সংসদ পদ সামলেছেন এবং জনগণের জন্য কাজ করেছেন। কিন্তু ২০২৪ সালে দ্বিতীয়বারের জন্য সংসদ হতে ভারতীয় জনতা পার্টি থেকে টিকিট পাননি রেবতী ত্রিপুরা। তাঁকে টিকিট না দিয়ে প্রদ্যোত কিশোর দেববর্মনের বোন কৃতি সিং দেববর্মণকে টিকিট দিয়েছে বিজেপি।
কিন্তু তারপরও দলের উপর কোনো রকম আশা ভরসা না হারিয়ে কাজ করে গেছেন। ২০২৬ সালে টিটিএএডিসি নির্বাচনে দলের হয়ে অন্যতম সৈনিক হিসেবে ময়দানে ছিলেন রেবতী ত্রিপুরা। নির্বাচনে ভালো ফলাফল নিয়ে আশা ছিল তাঁর। কিন্তু ফলাফল ঘোষণা হতেই জনগণের রায় মেনে নিলেন তিনি। তারপর ময়দানে আর দেখা যায়নি রেবতী ত্রিপুরাকে। এরই মধ্যে আচমকা রাজনৈতিক জীবনকে আলবিদা জানিয়ে দেন প্রাক্তন সাংসদ রেবতী ত্রিপুরা। তিনি যোগ দিয়েছেন তাঁর পূর্বের কর্মস্থল আগরতলার মহাত্মা গান্ধী মেমোরিয়াল উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে। তিনি স্নাতকোত্তর রাষ্ট্রবিজ্ঞানের শিক্ষক হিসেবে পুনরায় গান্ধী স্কুলে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন।
রেবতী ত্রিপুরার এই প্রত্যাবর্তন শিক্ষক, শিক্ষার্থী এবং শুভানুধ্যায়ীদের মধ্যে ব্যাপকভাবে প্রশংসিত হয়েছে। শিক্ষাবিদ মহল, এটি রাজনীতির গণ্ডি পেরিয়ে শিক্ষা ও সুস্থ সমাজ গঠনে অবদান রাখার এক অনুপ্রেরণা মূলক উদাহরণ হিসেবে দেখছেন। এদিকে রবিবার বিকালে প্রাক্তন সাংসদ রেবতী ত্রিপুরা বিষয় নিয়ে মুখ খুলেছে দল। রেবতী ত্রিপুরা পুরনো পেশা শিক্ষকতায় যোগ দিয়েছেন। বিজেপি পার্টিতে তার প্রোফাইল কি? এই প্রশ্নের উত্তরে বিজেপির প্রদেশ মুখপাত্র নবেন্দু ভট্টাচার্য বললেন, "টোটাল প্রোফাইল এখানে বসে আমি দিতে পারবো না, এটা সম্ভবও না।"
মন্তব্য সমূহ (0)
আপনার মতামত জানান