স্যন্দন ডিজিটাল ডেস্ক, আগরতলা। ৩১ জুলাই : বাইক দুর্ঘটনার নাম করে মোটা অঙ্কের টাকা আত্মসাৎ করার চাঞ্চল্যকর অভিযোগ উঠল ধনপুর বিধানসভার বানিয়াছড়া গ্রাম পঞ্চায়েতের ১২ নং ওয়ার্ডের বিজেপির বুথ সভাপতি সুনীল সরকার ওরফে তুফানের বিরুদ্ধে। ঘটনার বিবরণে জানা যায়, প্রায় এক মাস আগে বানিয়াছড়ায় একটি বাইক দুর্ঘটনা ঘটে। চুন্দল কুকিয়াছড়ার বাসিন্দা আবুল মিয়ার ছেলে মন্নান মিয়ার বাইকের সাথে সংঘর্ষ হয় বানিয়াছড়ার স্থানীয় বাসিন্দা ভজন দাসের। দুর্ঘটনায় ভজন দাস গুরুতর আহত হন এবং বেশ কিছুদিন জিবি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। পরবর্তীতে এই দুর্ঘটনাকে কেন্দ্র করে একটি সালিশি সভা বসে।
অভিযোগ, বানিয়াছড়ার ১২ নম্বর বুথ সভাপতি সুনীল সরকার ওরফে তুফান আইনি জটিলতা ও মামলার ভয় দেখিয়ে বাইক চালক মন্নান মিয়ার পরিবারের কাছ থেকে এক লক্ষ্য ৩০ হাজার টাকা আদায় করেন। মন্নান মিয়ার পরিবার তুফানের হাতে ১ লাখ ৩০ হাজার টাকা তুলে দিলেও, পরবর্তী সময় জানিয়ে দেওয়া হয় আহত ভজন দাসকে দেওয়া হয়েছে মাত্র ২৫ হাজার টাকা। বাকি ১ লাখ ৫ হাজার টাকা সুনীল সরকার ওরফে তুফান আত্মসাৎ করেছেন বলে অভিযোগ। বিষয়টি সামনে আসতেই মাথায় আকাশ ভেঙে পড়ে বাইক মালিকের। টাকা আত্মসাতের বিষয়টি স্পষ্ট হতেই বাইক মালিক মন্নানের পরিবার সোচ্চার হয়েছেন তুফানের বিরুদ্ধে। প্রতারিত ১ লাখ ৫ হাজার টাকা ফেরত পাওয়ার দাবিতে তারা মেলাঘর থানায় সুনীল সরকারের বিরুদ্ধে লিখিত মামলা দায়ের করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
এখন
দেখার, এই জালিয়াতি ও
প্রতারণার ঘটনার প্রেক্ষিতে পুলিশ ও প্রশাসন অভিযুক্ত
তুফানের বিরুদ্ধে কী পদক্ষেপ গ্রহণ
করে বলে অভিযোগ। তবে এই ঘটনায় প্রশ্ন
উঠেছে সুশাসন জামানায় কি রাষ্ট্রবাদীদের হাতে
চলে গেছে বিচার ব্যবস্থাপনা? এই ঘটনা নিয়ে
থানায় অভিযোগ জানানো যেত। বিষয়টি আদালত দ্বারা নিরপেক্ষভাবে তদন্ত হওয়ার সম্ভাবনা ছিল। সে জায়গায় চুনোপুঁটি
নেতার হাতে চলে যাচ্ছে সমাজ ব্যবস্থা রক্ষার দায়িত্ব। যা এক প্রকার
ভাবে অরাজকতা ছাড়া আর কিছু নয়।
এলাকাবাসীর মতে এই ঘটনা প্রমাণ
করে, সুশাসন জামানায় পুলিশ প্রশাসনকে পাত্তা না দিয়ে প্রত্যেক
এলাকায় শাসক দলের নেতারা নিজেদের সর্বেশ্বরবা ভাবতে শুরু করেছেন। পেছনে মোটা অংক কামানোর ধান্দা জাকিয়ে বসেছে।
মন্তব্য সমূহ (0)
আপনার মতামত জানান