স্যন্দন ডিজিটাল
ডেস্ক, আগরতলা। ৩১ জুলাই : আগরতলার যোগেন্দ্রনগর অজিত পল্লী এলাকায় প্রায় ২৫ বছর ধরে
দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে একটি খালি জমিতে। এই খালি জমি
বাঁকা পথে গ্রাস করার জন্য উঠে পড়ে লেগেছে এলাকার রাষ্ট্র বাদী জমির দালাল জীবন দে। এমনটাই অভিযোগ তুলে শুক্রবার প্রতিবাদে শামিল হল এলাকাবাসী। এলাকাবাসীর
অভিযোগ, জীবন দে ও সুজিত
দত্ত নামে দুই ব্যক্তি দীর্ঘদিনের পূজাস্থলটি অবৈধভাবে দখল করে বিক্রি করার চেষ্টা করছেন। অভিযুক্তরা এর আগেও বাগানবাড়ি
সহ বিভিন্ন জায়গা অবৈধভাবে জমি গিলে খেয়েছে। এখন এই খালি জমিটি
গ্রাস করার জন্য মাঠে নেমেছে। গত ২৫ বছর
ধরে এই স্থানে দুর্গাপূজা
অনুষ্ঠিত হলেও এতদিন পর্যন্ত কোনো ব্যক্তি ওই জমির মালিকানা
দাবি করেননি।
কিন্তু বর্তমানে হঠাৎ করে মালিকানা দাবি তুলে জমি বিক্রির উদ্যোগ নেওয়ায় তারা প্রশ্ন তুলেছেন—কীভাবে এই জমি বিক্রি
করা হচ্ছে? এর আইনি ভিত্তি
কী? এই ঘটনার প্রতিবাদে
প্রায় ২০০টি পরিবারের পক্ষ থেকে স্থানীয় প্রশাসন, জনপ্রতিনিধি এবং ২৯ নম্বর ওয়ার্ড
অফিস ও ৪৫ নম্বর
বুথে লিখিত অভিযোগ জমা দেওয়া হয়েছে। অথচ তারা কোন ব্যবস্থা নেয় নি। এর পেছনে রহস্য
অবশ্যই দানা বাধতে শুরু করেছে।এলাকাবাসীর দাবি, পূজার স্থানটি আগের অবস্থায় ফিরিয়ে দিতে হবে এবং অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নিতে হবে। অন্যথায় তারা বৃহত্তর আন্দোলনের পথে নামার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। তবে দীর্ঘদিন ধরে যোগেন্দ্র নগর, আনন্দনগর সহ গোটা এলাকায়
তারা জমির দালালি করে ত্রাসের পরিবেশ সৃষ্টি করে রেখেছে জীবন দে-র গোটা
টিম।
রাজ্যে সরকার পরিবর্তনের পর তাদের মাইলেজ
বেড়েছে। রাতারাতি গেরুয়া রামাবলি পড়ে প্রশাসনকে হাতের মুঠোতে নিয়ে এবং এর কিছু স্থানীয়
জনপ্রতিনিধি দের ম্যানেজ করে চলছে এই ধরনের কার্যকলাপ।
বিভিন্ন মালিক হীন জমির কাগজপত্র বাঁকা পথে বের করে মোটা অংক কামিয়ে চলেছেন। যেহেতু উপর মহল তাদের হাতের মুঠোতে তাই স্থানীয়রা মুখ বুজে সবকিছুই এতদিন ধরে সহ্য করে আসছিল। তাদের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট দপ্তর গুলির দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মীরা জড়িত না হলে বাঁকা
পথে জমির কাগজ বের করা সম্ভব নয় বলে মনে করছে আম জনগণ।
মন্তব্য সমূহ (0)
আপনার মতামত জানান