স্যন্দন ডিজিটাল ডেস্ক, আগরতলা। ১৩ জুন : কোর্ট ম্যারেজের পর স্ত্রীর মর্যাদা দিতে নারাজ যুবক। শেষ পর্যন্ত অপমানিত এবং লাঞ্চিত হয়ে আত্মহত্যার পথ বেছে নিয়েছে এক তরুণী। এই অভিযোগ তুলেছেন তরুণীর মা। জানা যায় রাজধানীর বাধারঘাট শ্রীপল্লী এলাকার সুমন দেবের মেয়ে প্রীয়া দেব বিগত বছর নভেম্বর মাসের ২১ তারিখ রানীবাজারের পরোব দে -র সঙ্গে কোর্ট ম্যারেজে বন্ধনে যুক্ত হয়। দীর্ঘ তিন বছর প্রেমের পর কোর্ট ম্যারেজের সিদ্ধান্ত নিয়েছিল দুজন এবং তাদের পরিবার। দুই পরিবারের মধ্যে দেখাশোনা কথাবার্তা সবকিছুই ঠিক ছিল। পরোব পশ্চিমবঙ্গের শিলিগুড়িতে এক কোম্পানিতে কর্মরত।
ধীরে ধীরে দুজনের মধ্যে সম্পর্ক এগিয়ে গেলে তারা কোর্ট ম্যারেজ করে। কিন্তু, কোর্ট ম্যারেজের পর থেকে তাদের ঝামেলা বাড়তে থাকে। প্রিয়াকে পছন্দ করতো না পরোব। তারপর দুজনের মধ্যে ঝামেলা লেগে থাকত। অভিযুক্ত যুবক প্রিয়াকে পুলিশ এবং অর্থের কথা বলে ভয় ভীতি প্রদর্শন করত। শুক্রবারও দুজনের মধ্যে ঝামেলা হয়েছে বলে ধারণা প্রীয়ার পরিবারের। শনিবার সকাল ১১ টা পর্যন্ত ঘুম থেকে না উঠায় পরিবারের লোকজনদের সন্দেহ হয়। পরিবারের লোকজন ডাকাডাকি করলে প্রীয়ার কোন সারা শব্দ পায়নি। শেষ পর্যন্ত জানালা ভেঙে ঘরে প্রবেশ করে দেখে প্রীয়ার ঝুলন্ত দেহ। পরিবারের লোকজনদের চিৎকার শুনে আশেপাশে লোকজন এসে অরুন্ধতী নগর থানার পুলিশকে খবর দেয়। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছে মৃতদেহ ময়না তদন্তের জন্য মর্গে পাঠায়। প্রীয়া এন.আই.টি -র এম.বি.এ -এর ছাত্রী ছিল। বয়স ২২। কান্নায় ভেঙে পড়ে পরিবারের লোকজন। সন্তানকে হারিয়ে থানায় মামলা দায়ের করবেন বলে জানিয়েছেন প্রীয়ার বাবা। সংবাদ মাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে মেয়ের বিচার চাইলেন মা। দায়ী করেছে একমাত্র যুবককে।

