স্যন্দন ডিজিটাল ডেস্ক, আগরতলা। ২৮ ফেব্রুয়ারি : সম্প্রতি রাজ্যের একটি বেসরকারি হোটেলে জনজাতি সাংবাদিকদের সাথে এক সাক্ষাৎকারে মিলিত হন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর ডাক্তার মানিক সাহা। এডিসি নির্বাচনের আগে এ ধরণের আলোচনা অস্বাভাবিক না হলেও এই আলোচনাকে কেন্দ্র করে প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে সমালোচনার ঝড় বইছে বর্তমানে। বিভিন্ন সময়ে সকল অংশের সাংবাদিকদের সাথে নানাভাবে আলোচনায় মিলিত হয় সরকার পক্ষ সহ বিপক্ষের নেতা মন্ত্রীরা, এটাই স্বাভাবিক। তবে এদিনের আলোচনা বেশ কিছু অনভিপ্রেত ঘটনা ঘটে। যার প্রেক্ষাপটে এই আলোচনা সভা দলীয়করণ ও প্রশাসনের খামখেয়ালীপনার উদাহরণ হিসেবে চিহ্নিত হয়।
অভিযোগ, জনজাতি সাংবাদিকদের সাথে আলোচনার কথা বলা হলেও হাতেগোনা কয়েকটি মিডিয়া চ্যানেল বাদ দিয়ে বাকি চ্যানেলদের উপেক্ষিত করা হয় এই আলোচনা সভায়। অভিযোগ আমন্ত্রণ করা হয়নি বেশ কিছু সাংবাদিকদের । পাশাপাশি উক্ত আলোচনায় সংবাদমাধ্যমে অন্যতম বিতর্কিত রাজেশ ত্রিপুরার উপস্থিতি। যার বিরুদ্ধে আদালতে চলছে মামলা মোকদ্দমা। তার উপস্থিতি নানাভাবে সমালোচনার কারণ হয়ে দাঁড়ায়। একই সাথে মিডিয়া আলোচনা সভায় তিপ্রা মথা দলের মজলিশপুর কেন্দ্রের এক চুনোপুটি নেতার উপস্থিতিও সকলের নজর কাড়ে। কেন এই বিভেদ এবং সাংবাদিকদের সাথে রাজনৈতিক চুনোপুটি নেতাদের কেন স্থান দেওয়া হলো তা নিয়ে তীব্র সমালোচনা চলছে সংবাদ মহলে। এভাবে আসন্ন এডিসি নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সরকারের ভাবমূর্তি রাজ্যের আপামর জনগণের সামনে বিরূপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করতে পারে বলে অভিমত তথ্যভিজ্ঞদের।

