স্যন্দন ডিজিটেল ডেস্ক, অক্টোবর ১ : ভারত: ১৬৯/৭ (ঈশান ৮০, বৈভব ৩৮, আরাচ্চিগে ২৮/২, রত্নায়েকে ৩২/২)
শ্রীলঙ্কা: ৪৫/১০ (নুওয়ানিদু ১৫, আরাচ্চিগে ৯, অভিষেক ২/২, বুমরাহ ৭/২, অক্ষর ৮/২)
১২৪ রানে জয়ী ভারত।
গত বারের সোনার পদক ধরে রাখার লক্ষ্যেই এশিয়ান গেমসে নেমেছে টিম ইন্ডিয়া। তবে কোয়ার্টার ফাইনালেই বৃষ্টি বড় বাধা হয়ে দাঁড়ায়। নিশিনে চারটি কোয়ার্টার ফাইনালের একটিতেও একটি বল খেলা সম্ভব হয়নি। ফলে চার সিডেড দল সরাসরি সেমিফাইনালে জায়গা করে নেয়। সেই সুবিধা পেয়েছে ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন ভারত। একই ভাবে সেমিফাইনালে উঠেছে শ্রীলঙ্কাও। যারা মুখোমুখি হয়েছে এশিয়াডের শেষ চারের দ্বৈরথে। সেই ম্যাচে শ্রীলঙ্কাকে গো-হারান হারাল শ্রেয়স আইয়াররা। ভারতের দেওয়া ১৭০ রানের জবাবে দ্বীপরাষ্ট্রের ইনিংস শেষ হল ৪৫ রানে। শনিবার ফাইনালে সোনার লড়াইয়ে ভারতের প্রতিপক্ষ পাকিস্তান।
নিশিনের পিচ যে স্পিনারদের জন্য যথেষ্ট সহায়ক, ভারতের প্রথম একাদশেই তার ইঙ্গিত ছিল। একমাত্র বিশেষজ্ঞ পেসার হিসাবে জশপ্রীত বুমরাহকে রেখে তিন স্পিনারে নেমেছিল ভারত। টস জিতে ভারতকে প্রথমে ব্যাট করতে পাঠান শ্রীলঙ্কার অধিনায়ক সাহান আরাচ্চিগে। শুরুটা মসৃণ হয়নি ভারতের। অভিষেক শর্মা তিন বলে ৭ এবং সঞ্জু স্যামসন ন’বলে ৭ রান করে ফেরেন।
অভিষেকের সঙ্গে ওপেন করতে নামা বৈভব সূর্যবংশী পাওয়ার প্লে-তে আগ্রাসী ব্যাটিং করে শ্রেয়স আইয়ারের সঙ্গে জুটি গড়ে তোলে। ২১ বলে ৩৮ রান বৈভবের। তার ইনিংসে ছিল ছ’টি চার ও দু’টি ছক্কা। শ্রেয়স করেন ১৩। অক্ষর প্যাটেল (৮), তিলক বর্মা (২) এবং শিবম দুবেও বড় রান পাননি। তবে স্পিন-সহায়ক পিচে ব্যাট হাতে ফের নজর কাড়েন ঈশান কিষান। বল বুঝে খেলে ৪৬ বলে ৮০ রানে অপরাজিত থাকেন তিনি। তাঁর ইনিংসে চারটি চার ও পাঁচটি ছক্কা। ঈশানের ব্যাটে ভর করে ২০ ওভারে ৭ উইকেটে ১৬৯ রান তোলে ভারত।
১৭০ রান তাড়া করতে নেমে প্রথম ওভারেই শ্রীলঙ্কার ব্যাটিংয়ে ধস নামান বুমরাহ। দু’টি উইকেট-সহ মেডেন নেন তিনি। দ্বিতীয় ওভারের প্রথম বলেও উইকেট। মাত্র ৭ বলের মধ্যে ৩ উইকেট হারিয়ে বসে শ্রীলঙ্কা। টপ অর্ডারের তিন ব্যাটারই শূন্য রানে ফেরেন। সেই ধাক্কা আর সামলাতে পারেনি তারা। নুয়ানিদু ফের্নান্দো ছাড়া কোনও ব্যাটার দু’অঙ্কে পৌঁছতে পারেননি। পিচের ফাটলে বল পড়ে ঘুরছিল বেশ ভালোই। সেই সুযোগ কাজে লাগিয়ে অক্ষর ও অভিষেক দু’টি করে এবং ওয়াশিংটন সুন্দর একটি উইকেট নেন। তিনটি রান আউটও করে ভারতীয় ফিল্ডাররা। শেষ পর্যন্ত মাত্র ৯.৫ ওভারে ৪৫ রানে অল আউট শ্রীলঙ্কা। অতিরিক্ত ১১ রান না হলে ব্যবধান আরও বড় হতে পারত।
এর আগে প্রথম সেমিফাইনালে বৃষ্টিভেজা আউটফিল্ডের কারণে খেলা নেমে এসেছিল ১৩ ওভারে। বাংলাদেশ প্রথমে ব্যাট করে ৭ উইকেটে ১১১ রান তোলে। তৌহিদ হৃদয় করেন ২৫ বলে ৪২। জবাবে ৯ বল বাকি থাকতে ৬ উইকেটে ম্যাচ জিতে ফাইনালে পৌঁছে যায় পাকিস্তান। হাসান নওয়াজের ২৭ এবং আবদুল সামাদের ৩০ রানের ইনিংস পাকিস্তানের জয় নিশ্চিত করে। ফাইনালে পাকিস্তানের প্রতিপক্ষ ভারত।
মন্তব্য সমূহ (0)
আপনার মতামত জানান