স্যন্দন ডিজিটেল ডেস্ক, অক্টোবর ৪ : যৌনতার ফাঁদে পা! পাকিস্তানি লাস্যময়ীর কাছে স্পর্শকাতর নিরাপত্তা তথ্য পাচার! তামিলনাড়ুর কোয়েম্বত্তূর থেকে গ্রেপ্তার বাঙালি নৌসেনা কর্মী। শনিবার তাঁকে গ্রেপ্তার করেছে অন্ধ্রপ্রদেশের কাউন্টার ইন্টেলিজেন্স সেল বা সিআই।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ধৃত নৌসেনা কর্মীর নাম প্রদীপ মুখোপাধ্যায়। তিনি পশ্চিমবঙ্গের বাসিন্দা। ২০১৪ সালে প্রদীপ নৌসেনার সোলজার পদে যোগ দেন। অন্ধ্রপ্রদেশের বিশাখাপত্তনমে ইস্টার্ন নেভাল কমান্ডে কর্মরত ছিলেন। প্রায় সপ্তাহ খানেক আগে কোয়েম্বত্তূরের রেড ফিল্ডসে আইএনএস অগ্রণী-তে ম্যানেজমেন্ট ডেভেলপমেন্ট কোর্সের প্রশিক্ষণ নিতে গিয়েছিলেন তিনি। তারপরই তাঁকে তথ্য পাচারের অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়। কীভাবে তথ্য পাচার করেছেন?
জানা গিয়েছে, মাস খানেক আগে সোশাল মিডিয়ায় এক পাকিস্তানি মহিলার সঙ্গে পরিচয় হয় প্রদীপের। মহিলা ধীরে ধীরে প্রদীপের সঙ্গে সখ্যতা গড়ে তোলেন। যৌনতার ফাঁদে ফেলা হয় তাঁকে। অভিযোগ, তারপরই বিশাখাপত্তনম নৌ-ঘাঁটির বিভিন্ন কৌশলগত পরিকল্পনা, নৌবহরের গতিবিধি ও পরিচালন-কাঠামো বিষয়ক সংবেদনশীল তথ্য পাচার করেন প্রদীপ।
অন্ধ্রপ্রদেশ পুলিশের কাউন্টার ইন্টেলিজেন্স বা সিআই মূলত জঙ্গি মডিউল, আন্তঃসীমান্ত চরবৃত্তি বিষয়ে নজরদারি চালায়। নজরদারিতেই আধিকারিকদের সন্দেহ হয় নেটমাধ্যম বা বিভিন্ন উপায়ে তথ্য পাচারের ঘটনা ঘটছে। বেরিয়ে যাচ্ছে নৌসেনার সংবেদনশীল তথ্য। প্রদীপের গতিবিধির উপর নজরদারি শুরু করেন তদন্তকারীরা। সবদিক নিশ্চিত হওয়ার পর প্রদীপকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাঁকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। ঠিক কী ধরনের তথ্য পাচার করা হয়েছিল? কোন কোন গোপন তথ্য পাচার হয়েছে। তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।
মন্তব্য সমূহ (0)
আপনার মতামত জানান