ভোপাল, ৩ অক্টোবর (হি.স.): গ্রামীণ অর্থনীতিতে অভূতপূর্ব গতি সঞ্চার করতে গবাদি পশু
পালনকে কেন্দ্র করে এক সামগ্রিক ও স্বয়ংসম্পূর্ণ বাস্তুতন্ত্র গড়ে তুলছে নরেন্দ্র
মোদী সরকার। গোবর থেকে বায়োগ্যাস ও জৈব সার উৎপাদন, দুগ্ধজাত পণ্যের প্রক্রিয়াকরণ থেকে
শুরু করে উৎপাদিত পণ্যের বাজারজাতকরণ—সব ক্ষেত্রকেই এই কাঠামোর আওতায় আনা হচ্ছে। শনিবার
মধ্যপ্রদেশের ভোপালে আয়োজিত রাজ্যস্তরীয় ‘গোপালক সম্মেলন’-এ বক্তব্য রাখতে গিয়ে এই
কথা জানালেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তথা সমবায় মন্ত্রী অমিত শাহ।
সম্মেলনে ভাষণ দিতে গিয়ে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বলেন, কেন্দ্রীয় সরকার পৃথক ‘সমবায় মন্ত্রক’
গঠন করায় দেশের গোপালক ও পশুপালকরাই সবচেয়ে বেশি লাভবান হচ্ছেন। দুধ বিক্রির পাশাপাশি
গবাদি পশুর বর্জ্য থেকেও কৃষকরা যাতে বিকল্প আয়ের স্থায়ী দিশা পান, সেই লক্ষ্যে আধুনিক
প্রযুক্তি ও সমবায় সমিতিকে কাজে লাগিয়ে শক্তিশালী পরিকাঠামো গড়ে তোলা হচ্ছে। এর ফলে
গ্রামীণ অঞ্চলের স্বনির্ভরতা আরও মজবুত হবে।
অনুষ্ঠানে ফৌজদারি বিচার ব্যবস্থার সংস্কার প্রসঙ্গেও গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করেন অমিত
শাহ। তিনি জানান, ‘ভারতীয় ন্যায় সংহিতা’ পুরোদমে কার্যকর হলে ভারতের ফৌজদারি বিচার
ব্যবস্থা বিশ্বের সবচেয়ে আধুনিক বিচার ব্যবস্থায় পরিণত হবে।
বিচার প্রক্রিয়ায় দীর্ঘসূত্রিতা দূর করার আশ্বাস দিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দাবি করেন,
ভারতীয় ন্যায় সংহিতা পুরোপুরি বাস্তবায়িত হওয়ার পর কোনও মামলার এফআইআর দায়ের হওয়া থেকে
শুরু করে সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত চূড়ান্ত রায় ঘোষণার পুরো প্রক্রিয়া মাত্র তিন বছরের
মধ্যে নিষ্পত্তি করা সম্ভব হবে। প্রযুক্তি ও আধুনিক তদন্তপদ্ধতির মেলবন্ধনে সাধারণ
মানুষের দ্রুত ন্যায়বিচার পাওয়ার পথ সুগম হচ্ছে বলে জোর দেন তিনি।
মন্তব্য সমূহ (0)
আপনার মতামত জানান