শিমলা, ২ অক্টোবর (হি.স.): শিমলা জেলার জুব্বাল এলাকার ধার গ্রামে বৃহস্পতিবার গভীর রাতে আগুন লাগে| ভয়াবহ এই আগুনে পাঁচটি বাড়ি ভস্মীভূত হয়ে গেছে। আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ায় পরপর পাঁচটি বাড়ি পুড়ে ছাই হয়ে যায়। তবে এই ঘটনায় কোনও হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। হিমাচল প্রদেশের শিক্ষামন্ত্রী রোহিত ঠাকুর এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন এবং তাঁদের সব ধরনের সহায়তার আশ্বাস দিয়েছেন।
জানা গেছে, আগুন লাগার খবর পেয়েই দমকল বাহিনীর কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। আগুনের ভয়াবহতা দেখে রোহড়ু, কোটখাই এবং টিক্কর থেকেও দমকলের ইঞ্জিন ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়। স্থানীয় পুলিশ ও গ্রামবাসীরাও আগুন নেভাতে দমকলকর্মীদের সহায়তা করেন। দমকলকর্মীদের সারারাতের চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। আগুন যাতে আশেপাশের বাড়িঘর এবং অন্যান্য অংশে ছড়িয়ে না পড়ে, সেজন্য দমকল বাহিনীর কর্মীরা শুক্রবার সকালেও মোতায়েন রয়েছে।
দমকলের প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, প্রচুর সম্পত্তির ক্ষতির আশঙ্কা করা হচ্ছে। এই অগ্নিকাণ্ডে নানক চাঁদ চৌহান, হরনাম সিং ধাল্টা, নরেন্দ্র সিং ধাল্টা, গিন্দা দেবী এবং অনিল ধান্তার পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তাঁদের পাঁচটি বসতবাড়িই আগুনে ভস্মীভূত হয়ে গেছে। তবে এই ঘটনায় কোনও হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। জুব্বাল থানার ভারপ্রাপ্ত আধিকারিক জানান, আগুনে পাঁচটি বাড়ি পুড়ে গেছে, তবে কোনও জীবনহানি হয়নি। আগুন লাগার কারণ এখনও জানা যায়নি। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে| আগুন লাগার কারণ খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
শিক্ষামন্ত্রী রোহিত ঠাকুর ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর প্রতি সমবেদনা জানিয়ে বলেন, সারা জীবনের কঠোর পরিশ্রমে তৈরি ঘরবাড়ি আগুনে পুড়ে যাওয়া অত্যন্ত বেদনাদায়ক। তিনি বলেন, বিপদের এই মুহূর্তে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো নিজেদের যেন একা না ভাবে। রাজ্য সরকার ও প্রশাসন তাদের পাশে রয়েছে। রোহিত ঠাকুর জানান, অগ্নিকাণ্ডে হওয়া ক্ষয়ক্ষতি বিবেচনা করে সরকারের পক্ষ থেকে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে সব ধরনের সহায়তা দেওয়ার চেষ্টা করা হবে। মন্ত্রী প্রশাসনিক আধিকারিকদের নির্দেশ দিয়েছেন, ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে তাৎক্ষণিক ত্রাণ প্রদানের|
মন্তব্য সমূহ (0)
আপনার মতামত জানান