স্যন্দন ডিজিটাল
ডেস্ক, আগরতলা।
২১ সেপ্টেম্বর :ট্রিপল ইঞ্জিনের বিকাশ
ত্রিপুরায় শিক্ষার
বিপ্লব যেন
মুখ থুবড়ে
পড়েছে পরিকাঠামোর
অভাবে এবং
শিক্ষক-শিক্ষিকাদের
চূড়ান্ত গাফিলতিতে।
জম্পুইজলার প্রভাপুর
উচ্চ বুনিয়াদি
বিদ্যালয়ের পড়ুয়াদের
বক্তব্য অনুযায়ী
এটাই সামনে
আসছে। বিদ্যালয়ে
বর্তমানে প্রথম
শ্রেণি থেকে
অষ্টম শ্রেণি
পর্যন্ত প্রায়
৪০ জন
ছাত্রছাত্রী রয়েছে।
শিক্ষক-শিক্ষিকার
সংখ্যা সাতজন।
ছাত্রছাত্রীর অভিযোগ,
বিদ্যালয়ে পর্যাপ্ত
টেবিল নেই।
পাশাপাশি পানীয়
জলের সঙ্কট।
বৃষ্টির সময়
কয়েকটি শ্রেণিকক্ষের
ছাদ দিয়ে
জল পড়ায়
ক্লাস নিতে
পারেন না
শিক্ষক শিক্ষিকারা।
পাশাপাশি বিদ্যালয়ের
দেওয়াল নেই।
সন্ধ্যার পর
থেকে বিদ্যালয়ে
মাঠে চলে
বেআইনি কার্যকলাপ।
অপরদিকে মিড-ডে মিলের খাবার
খাওয়ার জন্য
ছাত্রছাত্রীদের বসার
ব্যবস্থাও নেই।
ফলে নানা
সমস্যার সম্মুখীন
হতে হচ্ছে
পড়ুয়াদের। অন্যদিকে,
বিদ্যালয়ে সাতজন
শিক্ষক-শিক্ষিকা
থাকা সত্ত্বেও
কয়েকজন শিক্ষক-শিক্ষিকা নিয়মিত
বিদ্যালয়ে আসেন
না। আর
বিদ্যালয়ে আসলেও
সঠিক সময়ে
তারা আসেন
না বলে
ছাত্রছাত্রীদের অভিযোগ।
তাদের দাবি,
শিক্ষকদের দেরিতে
আসার কারণে
অনেক সময়
পড়াশোনায় ব্যাঘাত
ঘটে। বিদ্যালয়ের
এই সমস্যাগুলি
দ্রুত সমাধানের
জন্য সংশ্লিষ্ট
দপ্তর ও
প্রশাসনের কাছে
প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ
গ্রহণের দাবি
জানিয়েছে ছাত্রছাত্রী
ও অভিভাবকমহল।
এখন দেখার
বিষয়, কবে
বিদ্যালয়ের পরিকাঠামোগত
সমস্যাগুলির সমাধানে
উদ্যোগ নেওয়া
হয়। নাকি
কুম্ভ নিদ্রায়
আচ্ছন্ন থাকে
রাজ্যের দায়িত্বপ্রাপ্ত
শিক্ষা দপ্তরের
আযকারিকরা।
তাদের চূড়ান্ত
গাফিলতির কারণে
প্রতিদিন এভাবে
প্রত্যন্ত এলাকায়
জলাঞ্জলি যাচ্ছে
রাজ্যের শিক্ষা
ব্যবস্থা। এই
বিদ্যালয়গুলি থেকে
আগামী দিন
মাধ্যমিক এবং
উচ্চমাধ্যমিকে ভালো
ফলাফল করার
আশা একেবারে
ক্ষীণ। এমন
পড়াশোনার কারণেই
প্রতিবছর প্রত্যন্ত
এলাকার বহু
বিদ্যালয়ে মাধ্যমিক
ও উচ্চ
মাধ্যমিকের পাশের
হয় শূন্য
থাকে। বছরের
পর বছর
এভাবেই চলছে
তথাকথিত শিক্ষা
বিপ্লব। জনগণের
পয়সায় মোটা
অংকের বেতন
গুনছেন দপ্তরের
আধিকারিকরা এবং
শিক্ষক শিক্ষিকারা।
আর শিক্ষা
ব্যবস্থাকে এভাবেই
বারোটা বাজিয়ে
দিচ্ছেন তারা।
এর জবাব
খুঁজবে কে?
মন্তব্য সমূহ (0)
আপনার মতামত জানান