স্যন্দন ডিজিটাল ডেস্ক, আগরতলা। ২৯
অক্টোবর :বিদ্যুৎ
হল
উন্নয়নের
অন্যতম
প্রধান
ভিত্তি।
কোনও
অঞ্চলের
সার্বিক
উন্নয়ন
নিশ্চিত
করতে
আধুনিক
পরিকাঠামো
এবং
নিরবচ্ছিন্ন
বিদ্যুৎ
পরিষেবা
অত্যন্ত
গুরুত্বপূর্ণ
বলে
মন্তব্য
করলেন
রাজ্যের
বিদ্যুৎমন্ত্রী
রতনলাল
নাথ।
বৃহস্পতিবার
আগরতলার
বড়দোয়ালি
উচ্চমাধ্যমিক
বিদ্যালয়
প্রাঙ্গণে
আগরতলা
স্মার্ট
গ্রিড
প্রকল্পের
অধীনে
ভূগর্ভস্থ
বিদ্যুৎ
কেবল
স্থাপনের
কাজের
ভূমিপূজন
এবং
পিএম
সূর্য
ঘর
মুফত
বিজলি
যোজনার
ইউটিলিটি-লেড অ্যাগ্রিগেশন
(ইউএলএ)
মডেলের
সূচনা
অনুষ্ঠানে
বক্তব্য
রাখতে
গিয়ে
তিনি
এই
মন্তব্য
করেন।
অনুষ্ঠানে
উপস্থিত
ছিলেন
মুখ্যমন্ত্রী
প্রফেসর
ডা.
মানিক
সাহা।বিদ্যুৎমন্ত্রী
বলেন,
রাজ্য
সরকার
এখন
শুধু
উন্নয়নের
ঘোষণা
দেওয়ার
মধ্যেই
সীমাবদ্ধ
নেই,
বরং
আগরতলার
বিদ্যুৎ
পরিকাঠামোকে
আধুনিক
করে
তোলা
এবং
আর্থিকভাবে
দুর্বল
পরিবারগুলিকে
বিদ্যুৎ
খরচের
বোঝা
থেকে
স্বস্তি
দিতে
বিভিন্ন
প্রকল্প
বাস্তবায়নের
পথে
এগিয়ে
চলেছে।
তিনি
জানান,
প্রায়
১,১৫১ কোটি
টাকা
ব্যয়ে
আগরতলা
পুর
নিগম
এলাকার
বিদ্যুৎ
সরবরাহ
ব্যবস্থাকে
আধুনিক
করার
লক্ষ্যে
ভূগর্ভস্থ
কেবল
স্থাপনের
প্রকল্প
হাতে
নেওয়া
হয়েছে।
এই
প্রকল্পের
আওতায়
বড়জলা
, বিমানবন্দর
এলাকা
থেকে
খয়েরপুর
পর্যন্ত
বিস্তৃত
অংশের
পাশাপাশি
প্রতাপগড়
ও
সূর্যমণিনগরের
কিছু
এলাকাও
অন্তর্ভুক্ত
হবে।
মন্ত্রী
জানান,
প্রকল্পটির
জন্য
রাজ্য
সরকারের
পক্ষ
থেকে
১৩১
কোটি
টাকা,
কেন্দ্রীয়
সরকারের
পক্ষ
থেকে
৪৯৫
কোটি
টাকা
এবং
এশিয়ান
ডেভেলোপমেন্ট
ব্যাঙ্ক
(এডিবি)
কাছ
থেকে
৫২৫
কোটি
টাকা
ঋণ
নেওয়ার
পরিকল্পনা
রয়েছে।
এই
প্রকল্প
সম্পন্ন
হলে
শহরের
উপর
দিয়ে
যাওয়া
বিদ্যুতের
তারের
পরিবর্তে
মাটির
নিচ
দিয়ে
কেবল
বসানো
হবে।
এর
ফলে
একদিকে
যেমন
বিদ্যুৎ
সরবরাহ
ব্যবস্থার
আধুনিকীকরণ
হবে,
অন্যদিকে
আগরতলার
সৌন্দর্যও
বৃদ্ধি
পাবে।
প্রকল্পের
কাজের
জন্য
শহরের
বিভিন্ন
রাস্তায়
খোঁড়াখুঁড়ি
এবং
জনসাধারণের
অসুবিধা
হওয়ার
আশঙ্কা
প্রসঙ্গে
বিদ্যুৎমন্ত্রী
বলেন,
আধুনিক
প্রযুক্তি
ব্যবহার
করে
এই
কাজ
করা
হবে।
হরাইজন্টাল
ইনস্টলেশন
পদ্ধতির
মাধ্যমে
নির্দিষ্ট
কিছু
জায়গায়
সীমিত
খননকার্য
করেই
কেবল
বসানো
সম্ভব
হবে।
ফলে
শহরের
সর্বত্র
ব্যাপকভাবে
রাস্তা
খোঁড়ার
প্রয়োজন
হবে
না
বলে
তিনি
জানান।
তিনি
আরও
বলেন,
আগরতলার
বিদ্যুৎ
পরিকাঠামোকে
উন্নত
করতে
জার্মানি,
সুইজারল্যান্ড,
অস্ট্রিয়া,
ইতালি
ও
মালয়েশিয়ার
মতো
দেশের
পাশাপাশি
ভারতের
বিভিন্ন
শহরে
ব্যবহৃত
আধুনিক
প্রযুক্তি
ও
পরিকাঠামোগত
ব্যবস্থাপনা
পর্যালোচনা
করা
হয়েছে।
সেই
অভিজ্ঞতার
ভিত্তিতেই
আগরতলায়
উন্নত
বিদ্যুৎ
বণ্টন
ব্যবস্থা
গড়ে
তোলার
উদ্যোগ
নেওয়া
হয়েছে।
এদিন
পিএম
সূর্য
ঘর
মুফত
বিজলি
যোজনার
ইউএলএ
মডেল
বাস্তবায়নের
উপরও
বিশেষ
গুরুত্ব
দেন
বিদ্যুৎমন্ত্রী।
তিনি
জানান,
এই
প্রকল্পের
মাধ্যমে
বিশেষ
করে
আর্থিকভাবে
দুর্বল
এবং
কম
বিদ্যুৎ
ব্যবহারকারী
পরিবারগুলিকে
সৌরবিদ্যুতের
সুবিধার
আওতায়
আনার
পরিকল্পনা
নেওয়া
হয়েছে।
প্রথম
পর্যায়ে
রাজ্যের
১
লক্ষ
৫০
হাজার
পরিবারকে
এই
প্রকল্পের
আওতায়
আনার
লক্ষ্যমাত্রা
নেওয়া
হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট
পুর
ও
স্থানীয়
প্রশাসনিক
সংস্থাগুলির
মাধ্যমে
উপভোক্তা
নির্বাচনের
প্রক্রিয়া
সম্পন্ন
করা
হবে।
আগামী
ছয়
মাসের
মধ্যে
নির্ধারিত
পরিবারগুলিকে
প্রকল্পের
আওতায়
আনার
লক্ষ্য
রয়েছে
বলেও
জানান
তিনি।
মন্ত্রী
বলেন,
প্রস্তাবিত
ব্যবস্থায়
যোগ্য
উপভোক্তাদের
মাত্র
১,০০০ টাকা
দিতে
হতে
পারে।
সরকারের
উদ্যোগে
বাড়িতে
সৌরবিদ্যুৎ
ব্যবস্থা
স্থাপন
করা
হবে
এবং
ওই
অর্থ
নিরাপত্তা
আমানত
হিসেবে
রাখা
হবে
বলে
তিনি
জানান।
তিনি
আরও
বলেন,
বাড়িতে
সৌরবিদ্যুৎ
ব্যবস্থা
চালু
হলে
বিদ্যুতের
ব্যবহার,
সৌরবিদ্যুৎ
উৎপাদনের
পরিমাণ
এবং
ব্যবস্থার
কার্যকারিতার
উপর
নির্ভর
করে
উপভোক্তাদের
বিদ্যুতের
বিল
উল্লেখযোগ্যভাবে
কমে
যেতে
পারে,
এমনকি
কিছু
ক্ষেত্রে
তা
প্রায়
শূন্যেও
নেমে
আসতে
পারে।
বিশেষ
করে
যেসব
পরিবার
মাসে
প্রায়
৫০
ইউনিট
বিদ্যুৎ
ব্যবহার
করে
এবং
সামান্য
বিদ্যুতের
বিল
মেটাতেও
সমস্যায়
পড়ে,
তাদের
জন্য
এই
প্রকল্প
বিশেষভাবে
উপকারী
হবে
বলে
আশা
প্রকাশ
করেন
তিনি।
বিদ্যুৎমন্ত্রী
বলেন,
রাজ্যের
বিদ্যুৎ
ক্ষেত্রের
পরিকাঠামো
উন্নয়ন
এবং
প্রকল্প
বাস্তবায়নের
সক্ষমতা
বাড়ানোর
উপর
সরকার
বিশেষ
গুরুত্ব
দিচ্ছে।
কেন্দ্র,
রাজ্য
এবং
এডিবির
আর্থিক
সহায়তায়
ভূগর্ভস্থ
কেবল
স্থাপনের
মতো
বৃহৎ
প্রকল্প
বাস্তবায়নের
উদ্যোগ
নেওয়া
হয়েছে।
নির্ধারিত
সময়সীমার
মধ্যে
কাজ
সম্পন্ন
করাই
সরকারের
অন্যতম
লক্ষ্য।
সবশেষে
আগরতলাকে
আরও
পরিচ্ছন্ন,
সুন্দর
ও
আধুনিক
শহর
হিসেবে
গড়ে
তোলার
প্রতিশ্রুতি
পুনর্ব্যক্ত
করে
রতনলাল
নাথ
বলেন,
উন্নত
পরিকাঠামো
এবং
আরও
নির্ভরযোগ্য
বিদ্যুৎ
সরবরাহ
ব্যবস্থা
গড়ে
তোলার
মধ্য
দিয়ে
রাজধানী
আগরতলাকে
উন্নয়নের
নতুন
উচ্চতায়
নিয়ে
যেতে
রাজ্য
সরকার
বদ্ধপরিকর।
অনুষ্ঠানে
উপস্থিত
ছিলেন
সাংসদ
রাজীব
ভট্টাচার্য,
পুর
নিগমের
মেয়র
দীপক
মজুমদার,
ত্রিপুরা
বিধানসভার
উপাধ্যক্ষ
রামপ্রসাদ
পাল,
বিধায়ক
মীনা
রানি
সরকার,
বিদ্যুৎ
দপ্তরের
সচিব
অভিষেক
সিং,
বিদ্যুৎ
নিগমের
ম্যানেজিং
ডিরেক্টর
বিশ্বজিৎ
বসু-সহ অন্যান্য
বিশিষ্ট
ব্যক্তিরা।
মন্তব্য সমূহ (0)
আপনার মতামত জানান