Friday, September 25, 2026
বাড়ি রাজ্য মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে রাজ্য নির্বাচন দপ্তরের সামনে কংগ্রেসের বিক্ষোভ

মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে রাজ্য নির্বাচন দপ্তরের সামনে কংগ্রেসের বিক্ষোভ

মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে রাজ্য নির্বাচন দপ্তরের সামনে কংগ্রেসের বিক্ষোভ

 

স্যন্দন ডিজিটাল ডেস্ক, আগরতলা। ২৫ সেপ্টেম্বর ; দুই নির্বাচন কমিশনার সঁধু এবং জোশী অভিযোগ করেছেন, তাঁদের অন্ধকারে রেখে যাবতীয় গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন দেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার। মূলত ভোটার তালিকার স্বচ্ছতা রক্ষা, এসআইআর-এর পর ভোটারদের নাম বাদ দেওয়া এবং যুক্ত করা সংক্রান্ত একাধিক বিষয় নিয়ে আপত্তি জানিয়েছেন সঁধু এবং জোশী। গত ১০ মাসে ১৪ বার কমিশনের সিদ্ধান্তে আপত্তি জানিয়েছেন তাঁরা। এই বিষয়টি সামনে আসতেই ময়দানে সরব হয়েছে কংগ্রেস। গোটা দেশের সঙ্গে প্রদেশ কংগ্রেসও আন্দোলনের শামিল হয়েছে। দেশের নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে রাজ্য নির্বাচন দপ্তরের সামনে বিক্ষোভ দেখায় প্রদেশ কংগ্রেস। তারপর রাজ্য নির্বাচন দপ্তরের সামনে দেশের নির্বাচন কমিশনারের কুশপুত্তলিকা দাহ করে কংগ্রেস।

এদিনের কর্মসূচিতে নেতৃত্ব দিয়েছেন সিডাব্লিউসি-র মেম্বার এবং বিধায়ক সুদীপ রায় বর্মন। তিনি বলেন দেশের প্রত্যেকটি রাজ্যের নির্বাচন দপ্তরের সামনে কংগ্রেসের পক্ষ থেকে দেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ এবং গ্রেপ্তারের দাবি করা হচ্ছে। দেশের কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী গত তিন থেকে চার বছর ধরে আছেন ভোট চুরি হচ্ছে। এস আই আর -এর নাম করে বৈধ ভোটারদের নাম তালিকা থেকে বাদ দিচ্ছে। এটাই সামনে এসেছে দুই নির্বাচন কমিশনার সঁধু এবং জোশীর আপত্তিতে। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার ১৪১ জন সাংসদকে পার্লামেন্ট থেকে বহিষ্কার করে আইন পরিবর্তন করেছে। এই আইনের বলা হয়েছে তিনি পদে থাকাকালীন এবং পরবর্তী সময় উনার বিরুদ্ধে কোন আইনত ব্যবস্থা নেওয়া হবে না। এভাবেই পশ্চিমবঙ্গ, বিহার সহ বিভিন্ন রাজ্যের ভোটে জয় হয়েছে বিজেপি।

নির্বাচন কমিশনার সঁধু এবং জোশী বুঝতে পেরেছেন তারা যা করছেন দেশকে দুর্বল করছেন এবং গণতন্ত্রকে হত্যা করছেন। তাই এখন এই মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে শুধুমাত্র অপসারণ নয়, দেশদ্রোহিতার মামলা নিতে হবে পুলিশের। আর যদি মামলা না আনে তাহলে আগামী দিনের জন্য কংগ্রেস এবং দেশের জনতা প্রস্তুত হচ্ছে। মোদি, অমিত শাহ এবং জ্ঞানেশ কুমারকে টেনে হিঁচড়ে নামানোর জন্য কংগ্রেস আন্দোলন শুরু করেছে। দেশের মানুষ এই আন্দোলনের স্বামীর হবে বলে অভিমত ব্যক্ত করেন তিনি। এদিনের বিক্ষোভ কর্মসূচিতে কংগ্রেস কর্মী সমর্থকদের উপস্থিতি ছিল বেশ লক্ষণীয়। কর্মসূচি থেকে মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বিরুদ্ধেও আওয়াজ তুলেন কংগ্রেস কর্মী সমর্থকরা।

Abhishek Dey
সাংবাদিক (Journalist)

মন্তব্য সমূহ (0)

  • এখনো কোনো মন্তব্য করা হয়নি। প্রথম মন্তব্যকারী হোন!

আপনার মতামত জানান

Captcha