স্যন্দন
ডিজিটাল ডেস্ক, আগরতলা। ২৪ সেপ্টেম্বর :গত কয়েকদিন
ধরেই খবরের শিরোনামে ধর্মনগর। গোষ্ঠী কোন্দল চরম আকার ধারণ করেছে ধর্মনগরে। বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই বিধায়ক জহর চক্রবর্তীর সহধর্মিনী বর্ণালী গোস্বামীর বিরুদ্ধে প্রতিবাদে সরব হল অখিল ভারতীয়
বিদ্যার্থী পরিষদ। দিনভর উত্তপ্ত ছিল জেলা শাসক কার্যালয় চত্বর। অভিযোগ, ধর্মনগরে বুধবার বিজেপি কার্যালয়ে আক্রান্ত হয় দলীয় কর্মী মুন্না পাল। পরে তার বাড়িতে ফের হামলা হয়। খবর পেয়ে স্থানীয় জনগণ ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন। পরে খবর দেওয়া হয় ধর্মনগর থানায়। তারপরই বৃহস্পতিবার সকাল থেকে জেলা শাসক কার্যালয়ে চত্বরে জড়ো হয় অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদের ছাত্ররা। তাদের বক্তব্য ঘটনার সূত্রপাত গত ২২ সেপ্টেম্বর।
বিধায়ক জহর চক্রবর্তীর সহধর্মিনী বর্ণালী গোস্বামীর আচরণে অতিষ্ঠ ধর্মনগর বাসী। তিনি সাঙ্গোপাঙ্গদের দ্বারা অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদের নেতা মুন্না পালের উপর আক্রমণ সংগঠিত করেছেন।
পুলিশের কাছে অভিযোগ জানানোর পরেও পুলিশ কাউকে গ্রেপ্তার করছে না। তাই জেলা শাসক কার্যালয় চত্বরে আন্দোলনে বসেন তারা। বর্ণালী গোস্বামী কুশ পুত্তলিকা পুড়ানো হয়। দিনভর বিক্ষোভ চলার পর ধর্মনগর থানার
ওসি ঘটনাস্থলে এসে আন্দোলনকারীদের আশ্বস্ত করেন আগামী ১২ ঘণ্টার মধ্যে
দুর্বৃত্তদের গ্রেপ্তার করা হবে। ছাত্র সংগঠনের বক্তব্য যদি ১২ ঘণ্টার মধ্যে
দুর্বৃত্তদের গ্রেপ্তার করা না হয় তাহলে
ধর্মনগরের বুক থেকে বৃহত্তর আন্দোলন গড়ে উঠবে। এই আন্দোলন প্রশাসন
থামাতে পারবেনা। পাশাপাশি আরো বলেন ধর্মনগর বাসী এবং ছাত্র সমাজ বর্ণালী গোস্বামীর পাশে নেই। তাই তিনি এবং তার সাঙ্গোপাঙ্গরা যাতে শুধরে যান। না শোধরালে ধর্মনগরের
প্রত্যেকটি ঘর থেকে ছাত্ররা
বের হয়ে আসবে। প্রশাসন এই আন্দোলন রুখতে
পারবে না। এমনটাই হুঁশিয়ারি দিলেন সংগঠনের নেতৃত্ব রূপক সেন। এদিকে ধর্মনগরে বুধবার বিজেপি কার্যালয়ে আক্রান্ত হয় দলীয় কর্মী মুন্না পাল। পরে তার বাড়িতে ফের হামলা হয়। খবর পেয়ে স্থানীয় জনগণ ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন। পরে খবর দেওয়া হয় ধর্মনগর থানায়।
মন্তব্য সমূহ (0)
আপনার মতামত জানান