স্যন্দন ডিজিটাল ডেস্ক ১১ অক্টোবর : একবছর ‘ভালো ছেলে’ হয়ে থাকার শর্তে জামিন, এমনটাই নির্দেশ দিয়েছিল দিল্লির আদালত। কিন্তু মুক্তি পেতেই রণংদেহি মেজাজে অভিজিৎ দীপকে । রবিবার মুক্তি পাওয়ার পর ককরোচ জনতা পার্টির দুই কো কনভেনর সৌরভ দাস এবং আশুতোষ রাঙ্কা সাংবাদিক বৈঠক করেন। তাঁরা সাফ জানিয়ে দেন, আন্দোলন থামিয়ে দেওয়ার কোনও পরিকল্পনাই নেই। এবার অভিজিৎ বললেন, প্রতিবাদ না করার শর্তে তাঁরা কোনও বন্ডে সই করেননি। ফলে প্রশ্ন উঠছে, তাহলে কি জামিনের শর্ত লঙ্ঘন করবেন ককরোচ নেতারা?
শনিবার রাতভর আটক থাকার পর রবিবার দিল্লির আদালতে পেশ করা হয় অভিজিৎ, সৌরভ এবং আশুতোষকে। তিনজনকে শর্তসাপেক্ষে জামিন দেয় আদালত। পরে দিল্লি পুলিশ জানায়, ৫০ হাজার টাকার বন্ডে তিন নেতা জামিন পেয়েছেন। ওই বন্ডে বলা হয়েছে, আগামী একবছর শান্তি বজায় রেখে ভালো আচরণ করবেন তাঁরা। এই সময়টায় অশান্তি ছড়ানোর চেষ্টা করবেন না তিন নেতা, এমনটাও ওই বন্ডে লেখা আছে বলে জানিয়েছেন সিজেপির আইন শাখার প্রধান রত্না সিং।
কিন্তু দীপকে বলছেন, ‘প্রতিবাদ করা যাবে না, এমন কোনও বন্ডে সই করিনি। আমরা আবারও পথে নামব। আপাতত আমি নিজের গ্রামে ফিরে যাচ্ছি। এই কঠিন সময়ে পরিবারের পাশে থাকা উচিত। কিন্তু সিজেপি মোটেও পিছু হঠবে না। ভয়ও পাবে না। ১০ অক্টোবর তারিখটা মনে থেকে যাবে এই একনায়কতন্ত্রের পতনের সূচনা হিসাবে।’ উল্লেখ্য, গ্রেপ্তার হওয়ার পরেই অভিজিৎ জানতে পারেন তাঁর ঠাকুমা শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন। কীভাবে তাঁকে সেই খবর দেওয়া হল, তার একটি ভিডিও প্রকাশ করেছে দিল্লি পুলিশ। সেখানে দেখা যাচ্ছে, পুলিশকর্মীরা অভিজিৎকে জিজ্ঞাসা করছেন তিনি কীভাবে বাড়ি ফিরতে চান।
অনুমতি না থাকা সত্ত্বেও মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের ইস্তফার দাবিতে শনিবার যন্তর মন্তরে বিক্ষোভের ডাক দিয়েছিল ‘আরশোলা’রা। তবে সেই বিক্ষোভের আগেই কোমর বেঁধে মাঠে নেমেছিল দিল্লি পুলিশ। শনিবার দিল্লিজুড়ে ব্যাপক ধরপাকড় হয়। ১০টা ১৯ মিনিটে দিল্লি বিমানবন্দরে বিমান নামতেই উড়ানের ভিতর থেকে তিন ককরোচ নেতাকে আটক করা হয়। তিনজনকে আলাদা আলাদাভাবে নিয়ে যাওয়া হয় অজ্ঞাতস্থানে। তবে রবিবার ফের পথে নামার ডাক দিয়েছেন তাঁরা।
মন্তব্য সমূহ (0)
আপনার মতামত জানান