স্যন্দন ডিজিটাল
ডেস্ক, আগরতলা, ২০ সেপ্টেম্বর :ভারতের
তরুণ
ব্যাটিং
প্রতিভা
বৈভব
সূর্যবংশীর
প্রশংসা
করলেন
শ্রীলঙ্কার
কিংবদন্তি
ক্রিকেটার
সনৎ
জয়সুরিয়া।
তবে
একইসঙ্গে
তিনি
জানিয়েছেন,
আন্তর্জাতিক
ক্রিকেটে
নিজেকে
প্রতিষ্ঠিত
করতে
বৈভবের
সামনে
এখনও
দীর্ঘ
পথ
রয়েছে।
ভারতের
অভিজ্ঞ
ও
প্রতিভাবান
ক্রিকেটার
অভিষেক
শর্মা
এবং
সঞ্জু
স্যামসনেরও
প্রশংসা
করেন
তিনি।
মাত্র ১৫ বছর বয়সে বৈভব জুলাই মাসে ইংল্যান্ড সফরে ভারতের হয়ে টি-২০ আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষেক করেন। সম্প্রতি আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে অরুণ জেটলি স্টেডিয়ামে ভারতের ৩-০ সিরিজ জয়ের সময় তিনি দলে থাকলেও মাঠে নামার সুযোগ পাননি। ওই সিরিজে অভিষেক ও সঞ্জু মিলিতভাবে ৩৪৬ রান করেন। তৃতীয় টি-২০ ম্যাচে দু’জনে মিলে ১৪২ রানের উদ্বোধনী জুটিও গড়েন।
ভারতীয় দল মঙ্গলবার জাপানের সানো শহরে ঐতিহাসিক একমাত্র টি-২০ ম্যাচ খেলবে। এরপর এশিয়ান গেমসে অংশ নিতে নাগোয়ায় যাবে দলটি।
জয়সুরিয়া বলেন, “ওরা প্রতিভাবান এবং নিজেদের প্রমাণ করেছে। সূর্যবংশী এবং অন্য দু’জনই খুব ভালো খেলোয়াড়। তবে সূর্যবংশীর সামনে এখনও অনেকটা পথ বাকি। সুযোগ পেলে সে ভালো করবে।”
রবিবার কর্পোরেট ক্রিকেট বিশ্বকাপের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের ফাঁকে IANS-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এ কথা বলেন।
এশিয়ান গেমসে শ্রীলঙ্কার সম্ভাবনা প্রসঙ্গে জয়সুরিয়া বলেন, পুরুষ ও মহিলা—দুই দলই ভালো পারফরম্যান্স করতে সক্ষম। তাঁর কথায়, “আমাদের পুরুষ ও মহিলা—দুই দলেই প্রতিভাবান ও ভালো খেলোয়াড় রয়েছে। তারা ভালো করছে। আশা করি এই ধারাবাহিকতা বজায় থাকবে।”
উদীয়মান শ্রীলঙ্কান ব্যাটিং অলরাউন্ডার সোনাল দিনুশারও বিশেষ প্রশংসা করেন জয়সুরিয়া। ভারতের বিরুদ্ধে গল টেস্টে দিনুশা ১০০ ও ৮৪ রান করেন। যদিও ম্যাচটি শ্রীলঙ্কা হারে। এরপর কলম্বোর সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব মাঠে দ্বিতীয় টেস্টে তাঁর ১০৩ এবং অপরাজিত ১৩৩ রানের ইনিংস শ্রীলঙ্কাকে ম্যাচ ড্র করতে সাহায্য করে।
জয়সুরিয়া বলেন, “খুব ভালো খেলোয়াড় এবং শ্রীলঙ্কার ভবিষ্যৎ। চাপের মধ্যে একজন খেলোয়াড়কে ভালো পারফর্ম করতে দেখা সবসময়ই আনন্দের। এটা সহজ নয়। প্রতিটি ইনিংসেই সে খুব ভালো খেলেছে।”
কর্পোরেট ক্রিকেট বিশ্বকাপের গ্লোবাল অ্যাম্বাসাডর হিসেবে কর্মক্ষেত্রভিত্তিক ক্রিকেট প্রতিযোগিতার গুরুত্বও তুলে ধরেন প্রাক্তন শ্রীলঙ্কান ওপেনার। তাঁর মতে, এই ধরনের প্রতিযোগিতা মূলধারার ক্রিকেটে সুযোগ না পাওয়া প্রতিভাবান খেলোয়াড়দের নিজেদের প্রমাণ করার দ্বিতীয় সুযোগ দেয়।
সারা ভারতজুড়ে এই প্রতিযোগিতায় ২৪টি শহরের ১৯২টি কর্পোরেট দল অংশ নেবে। প্রতিটি শহর থেকে আটটি করে দল খেলবে। শহরভিত্তিক বাছাই পর্বের পর প্রতিটি শহরের সেরা দুটি দল ২০২৭ সালের জুলাইয়ে অনুষ্ঠিত মূল প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়ার সুযোগ পাবে।
প্রতিযোগিতায় ১১ ওভারের ম্যাচ, টি-২০ এবং ৪০ ওভারের ম্যাচ—বিভিন্ন ফরম্যাট রাখা হয়েছে। এর মাধ্যমে কর্মজীবী ক্রিকেটাররা বিভিন্ন পরিস্থিতিতে নিজেদের দক্ষতা ও মানিয়ে নেওয়ার ক্ষমতা প্রদর্শনের সুযোগ পাবেন।
জয়সুরিয়া বলেন, কর্পোরেট ক্ষেত্রে থাকা প্রতিভাবান ক্রিকেটারদের সামনে এই প্রতিযোগিতা নিজেদের দক্ষতা দেখানোর সুযোগ তৈরি করবে। তাঁর মতে, এভাবেই ভবিষ্যতের প্রতিভাবান ক্রিকেটারদের খুঁজে বের করা সম্ভব।
মন্তব্য সমূহ (0)
আপনার মতামত জানান