স্যন্দন ডিজিটেল ডেস্ক, অক্টোবর ৪ : বিশ্বকাপ, চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি, এশিয়া কাপ কিংবা এশিয়ান গেমস। যেখানেই দেখা হোক, ফলাফল একটাই। পাকিস্তানকে হারানো অভ্যাসে পরিণত করেছে ভারত। জাপানেও তার ব্যতিক্রম নয়। হরমনপ্রীত কৌরদের পর শ্রেয়স আইয়ারের ভারত আবারও সোনার মুকুট পরেছে। এ হেন জয়ে উচ্ছ্বসিত ভারতীয় বোর্ড। পাশাপাশি পাকিস্তানের ‘কাটা ঘায়ে নুনের ছিটা’ দিলেন বিসিসিআই সভাপতি মিঠুন মানহাস।
ফাইনালে পাকিস্তানকে ১৯ রানে হারিয়ে সোনা জিতেছে টিম ইন্ডিয়া। অভিষেক শর্মা, তিলক বর্মার ব্যাটিং বিক্রমের সামনে পাত্তাই পেল না সাহিবজাদা ফারহানার দল। গত এশিয়াডের মতো এবারও সোনা জিতল ভারতের পুরুষ ও মহিলা দল। এমন দুর্দান্ত জয়ের পর বিসিসিআই সভাপতির সাফ কথা, পাকিস্তানকে কোনও প্রতিদ্বন্দ্বীই মনে করে না ভারত। মিঠুন বলেন, “ওরা আমাদের চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী পাকিস্তানকে হারিয়েছে। যাদেরকে আমি এখন আর তেমন কোনও প্রতিদ্বন্দ্বী মনে করি না। আমাদের দল যেভাবে চাপের পরিস্থিতি সামলেছে, সেটা বিশ্বের আর কোনও দল পারে না।”
তিনি আরও বলেন, “ওরা আমাদের চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী পাকিস্তানকে হারিয়েছে। আমার মনে হয়, পাকিস্তান এখন আর বিশেষ প্রতিদ্বন্দ্বিতা দিতে পারে না। চাপের পরিস্থিতি যেভাবে আমাদের দল সামলেছে, সেটা বিশ্বের আর কোনও দল পারে না।” ভারতীয় দলের পারফরম্যান্সের প্রশংসা করে তিনি আরও বলেন, “এই প্রতিযোগিতায় ভারত নিঃসন্দেহে সেরা দল। আমরা গতবারের চ্যাম্পিয়ন। এবারও ছেলেরা যে পারফরম্যান্স দেখিয়েছে, তা সত্যিই প্রশংসনীয়।” ফাইনালে শুরুটা অবশ্য খুব একটা ভালো হয়নি ভারতের। বৈভব সূর্যবংশী বড় রান করতে পারেনি। পরে ইনিংস সামলান অভিষেক শর্মা ও তিলক বর্মা। দু’জনেই হাফসেঞ্চুরি করে ভারতের বড় রানের ভিত গড়ে দেন।
মিঠুনের কথায়, “ক্রিকেট দলগত খেলা। তিলক দুর্দান্ত ব্যাট করেছে। অভিষেক শুরুতেই ম্যাচের সুর তৈরি করে দিয়েছিল। ওপেনারদের কাজ হল ইনিংসের ভিত তৈরি করা। আর মিডল অর্ডারের কাজ সেটাকে শেষ পর্যন্ত নিয়ে যাওয়া। সেই কাজটাই ওরা করেছে।” ব্যাটিংয়ের পাশাপাশি বোলারদেরও প্রশংসা করেছেন বিসিসিআই সভাপতি। তাঁর কথায়, “ভারতের ব্যাটিং অসাধারণ হয়েছে। আর বোলিংয়ের ক্ষেত্রে বলব, সবাই মিলে অবদান রেখেছে। ভালো রান করার পর সেই রানই একসঙ্গে লড়ে রক্ষা করেছে বোলাররা।” উল্লেখ্য, প্রথমে ব্যাট করে ২১১ রান তোলে ভারত। জবাবে পাকিস্তান ৬ উইকেটে ১৯২ রানের বেশি করতে পারেনি।
মন্তব্য সমূহ (0)
আপনার মতামত জানান