স্যন্দন ডিজিটেল ডেস্ক, অক্টোবর ৪ : দেশের অধিনায়ক। ৯০টি আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলেছেন। ব্রাজিলের মতো মহাশক্তিধর প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে আরও সতর্কভাবে খেলবেন, নিজের সেরাটা দেবেন, এটাই প্রত্যাশিত। কিন্তু গুরপ্রীত সিং সান্ধু সেই প্রত্যাশা পূরণে একেবারে ব্যর্থ। ম্যাচজুড়ে একের পর এক ক্ষমার অযোগ্য ভুল করেছেন ভারতের গোলরক্ষক। ম্যাচের পর দাবি করলেন, এমন ছোট্ট ভুল তো হতেই পারে!
শনিবারের যুবভারতীতে ব্রাজিলের প্রথম এবং দ্বিতীয় গোলের নেপথ্যে ‘অবদান’ রয়েছে গুরপ্রীতের। ২৭ মিনিটে এস্তেভাওয়ের শট তেমন শক্তিশালী ছিল না। কিন্তু সেই শট আটকাতে গিয়ে গুরপ্রীত এমনভাবে হাত চালালেন, দেখে মনে হল তিনিই যেন হাত দিয়ে গোলে বল ঠেলে দিলেন। ৪১ মিনিটে পেদ্রোর গোলটাও একইরকম। ডানপ্রান্ত থেকে এস্তেভাওয়ের বাড়ানো বলে কার্যত একের বিরুদ্ধে এক পজিশনে চলে যান পেদ্রো। তবে তুলনায় দুর্বল যে গোলটি তিনি করলেন, সেটা হয়তো সেভ করতে পারতেন গুরপ্রীত। প্রথমার্ধে এমনভাবে ০-২ পিছিয়ে পড়ার পর ভারতের মনোবলই একেবারে ভেঙে গিয়েছিল।
বাধ্য হয়ে হাফটাইমে গুরপ্রীতকে তুলে নেন কোচ খালিদ জামিল। প্রভসুখন সিং গিলও মাঠে নেমে দুই গোল খেয়েছেন, কিন্তু গুরপ্রীতের মতো ভুল করতে দেখা যায়নি তাঁকে। ম্যাচ শেষে গুরপ্রীতের মত, খুব ভাল লেগেছে ব্রাজ়িলের বিরুদ্ধে খেলে। বেশ ভাল খেলেছি। দুর্ভাগ্যবশত ব্রাজ়িলের মতো এত বড় দলের বিরুদ্ধে খেললে ছোটখাটো ভুলও অনেক বড় হয়ে দেখা দেয়। আমরা সকলেই দেখেছি সকলে কী ভাবে নিজেদের নিংড়ে দিয়েছে। আমি সকলের প্রয়াসে গর্বিত।” দায়সারাভাবে গুরপ্রীত দোষ দিয়েছেন ভাগ্যকেও। বলেছেন, “ছোটখাটো বিষয় অনেক সুবিধা করে দেয় এ ধরনের ম্যাচে। কিন্তু আমাদের ভাগ্য খারাপ ছিল বলে এ রকম সুবিধা পাইনি।”
বরং দুর্দান্ত খেলা রায়ান উইলিয়ামসের কণ্ঠে আত্মসমালোচনার সুর। বলেছেন, “বুঝতে পারলাম ওরা কতটা ভাল দল এবং আমরা কোথায় কোথায় পিছিয়ে আছি। ভেবেছিলাম গোলটা করতে পারব। কিন্তু শক্তি কমে এসেছিল। ম্যাচে অনেক রক্ষণ করতে হয়েছে। যদি লিগ শুরু হয়ে যাওয়ার পর এই ম্যাচগুলো খেলতাম তা হলে অনেক ভাল হত। অনেকটা প্রস্তুতি নিয়ে নামতে পারতাম।” ফুটবলপ্রেমীরা বলছেন, উরুগুয়ের বিরুদ্ধে গুরপ্রীতকে নামানোই উচিত নয়।
মন্তব্য সমূহ (0)
আপনার মতামত জানান