স্যন্দন
ডিজিটাল
ডেস্ক, আগরতলা।
১০ অক্টোবর :ত্রিপুরার চারবারের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মানিক সরকার গত কয়েক মাস আগে রাজ্যে এক দলীয় কর্মসূচি থেকে সরকারের বিরুদ্ধে এবং দাবি দেওয়া আদায়ের লক্ষ্যে গণ আন্দোলনের ডাক দিয়েছিলেন। তারপরেই শাসক দলের পক্ষ থেকে ব্যাখ্যা দেওয়া হয় রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মানিক সরকার জঙ্গি আন্দোলনের ডাক দিয়েছেন। এর তীব্র নিন্দা জানিয়ে ময়দানে সরব হয়েছিল শাসক দল। এরই মধ্যে দিল্লিতে গিয়ে শনিবার ককরোচ জনতা পার্টির আন্দোলনে যোগ দিতে গিয়েছিলেন। সে আন্দোলনে গিয়ে তিনি এবং তাঁর দলের রাজ্য সম্পাদক অর্থাৎ ত্রিপুরার বিরোধী দলনেতা জিতেন্দ্র চৌধুরী, কৃষ্ণা রক্ষিত, রতন ভৌমিক সহ অন্যান্য নেতৃত্ব পুলিশের হাতে আটক হন।
উল্লেখ্য, দেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলন ঘোষণা দেওয়ার পর থেকেই রীতিমতো তেঁতে রয়েছে রাজধানী দিল্লি। শুক্রবার থেকেই যোগাযোগ ব্যবস্থা দুর্বল করে নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বাধীন সরকার। শুক্রবার থেকেই নিরাপত্তার কড়াকড়িতে কার্যত দুর্গ হয়ে রয়েছে নয়া দিল্লি। শনিবার যন্তর মন্তরের সামনে পৌঁছনোর আগেই শুরু হয় ধরপাকড়। যন্তর মন্তর যাওয়ার আগেই সিপিএমের কেন্দ্রীয় নেতাদের পাকড়াও করল পুলিশ। সিপিআইএম কেন্দ্রীয় কমিটির নেতৃত্ব শান্তিপূর্ণ মিছিলে গিয়েছিলেন। এই বিষয়ে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা জিতেন্দ্র চৌধুরী আটক হওয়ার পর গাড়ি থেকে সামাজিক মাধ্যমে জানিয়েছেন, মিছিল করে যন্তর মন্তরে যাওয়ার লক্ষ্য ছিল তাঁদের।
কিন্তু পুলিশ তাঁদের মিছিল আটকে দিয়েছে। তারপর পুলিশ তাদের ধরে একটা অজানা জায়গায় নিয়ে যাচ্ছে। এখন বাসে আছেন। এই হলো মোদি, অমিত শাহের পুলিশ। দেশের যুবকরা যখন আন্দোলনে নেমেছে তখন গোটা দিল্লিকে যেন একটা জেলখানায় পরিণত করে ফেলেছে। এভাবে বাঁচবে না। একটা টানাশাহী চলছে। দেশে একটা স্বৈরাতন্ত্র কায়েম করেছে। এর বিরুদ্ধে লড়াই চলবে বলে আওয়াজ তুলেন তিনি। এদিকে দিল্লির জুড়ে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করে রেখেছে সরকার। রন সাজে মোড়ে মোড়ে উপস্থিত কেন্দ্রীয় বাহিনী। তবে পিছু হাঁটছে না ককরোচ জনতা পার্টি। সর্বশেষ খবর, যেখানেই আন্দোলনকারীদের নিয়ে যাবে সেখানেই তারা যন্তর মন্তর গড়ে তুলবে।
মন্তব্য সমূহ (0)
আপনার মতামত জানান