Saturday, August 22, 2026
বাড়ি রাজ্য গ্রাহক ঠকানোর অভিযোগ বিদ্যুৎ নিগমের বিরুদ্ধে

গ্রাহক ঠকানোর অভিযোগ বিদ্যুৎ নিগমের বিরুদ্ধে

গ্রাহক ঠকানোর অভিযোগ বিদ্যুৎ নিগমের বিরুদ্ধে

 

স্যন্দন ডিজিটাল ডেস্ক, আগরতলা। ২২ আগস্ট : সুশাসনের জলাঞ্জলি! বিদ্যুৎ মন্ত্রীকে ঘুমে রেখে দপ্তরে বসেছে দুর্নীতির আসর। সাধারণ গ্রাহকদের লুটেপুটে নিঃস্ব করে দিচ্ছে নিগমের কতিপয় কর্মী। অভিযোগ,

তেলিয়ামুড়া বিদ্যুৎ নিগমের জুনিয়র ইঞ্জিনিয়ার বিশ্বজিৎ বিশ্বাসের বিরুদ্ধে। তিনি ব্রহ্মছড়া এলাকায় মোটা অংকের বিনিময়ে বিনা অফিসিয়াল ভাবে বিদ্যুৎ সংযোগ দিয়েছিলেন বলে অভিযোগ। সেই বিদ্যুৎ গ্রাহকের পরিবারের অভিযোগ, নতুন বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়ার নামে প্রায় এক বছর আগে তাঁদের কাছ থেকে ,৬০০ টাকা নেওয়া হলেও সেই সংযোগ সরকারি নথিতে অন্তর্ভুক্ত ছিল না। ফলে দীর্ঘ প্রায় এক বছর ধরে বিদ্যুৎ ব্যবহার করলেও বিল আসে নি। তখন তাদের সন্দেহ হয়।

তখন বিদ্যুৎ গ্রাহক খোকন দাস বিদ্যুৎ নিগমের কার্যালয়ে গেলে তাদের বলা হয় মিটার রিডিং ভিডিও করে নেওয়ার জন্য, সে অনুযায়ী মিটার রিডিং বিদ্যুৎ নিগমের কার্যালয়ে নিয়ে গেলে তাদের জানিয়ে দেওয়া হয় অফিসিয়াল কোন রেকর্ড নেই তাদের বাড়িতে বিদ্যুৎ লাইন দেওয়া হয়েছে বলে। তখন বিষয়টি জানতে জুনিয়র ইঞ্জিনিয়ারের সঙ্গে একাধিকবার ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও অভিযোগ অনুযায়ী, তিনি ফোন ধরেন না। শেষ পর্যন্ত বাধ্য হয়ে তেলিয়ামুড়া বিদ্যুৎ নিগমের ডিভিশন- অফিসে যোগাযোগ করেন গ্রাহক। এরপর দপ্তরের পক্ষ থেকে ওই বাড়িতে গিয়ে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ।

নতুন করে সরকারি নিয়মে সংযোগ নিতে গেলে এক বছরের বিল বাবদ প্রায় ১০ হাজার টাকা দিতে হবে বলে জানানো হয়। দিনমজুর পরিবারের পক্ষে সেই অর্থ জোগাড় করা কার্যত অসম্ভব হয়ে পড়ে। পরবর্তীতে কথাবার্তার মাধ্যমে হাজার টাকা দিয়ে সংযোগটি অফিসিয়ালভাবে নথিভুক্ত করা হয় বলে দাবি বিদ্যুৎ গ্রাহক খোকন বাবুর স্ত্রী সবিতা মোদকের।

এখন জুনিয়র ইঞ্জিনিয়ার বিশ্বজিৎ বিশ্বাসের কাছে জানতে চাইলে তিনি নাকি প্রশ্ন করেন—“অফিসে অভিযোগ করেছেন কেন?” পাশাপাশি বর্তমানে তাঁর কাছে টাকা নেই বলেও তা ফেরত দিতে পারবেন না বলে জানান। তাহলে প্রশ্ন উঠছেসরকারি বিদ্যুৎ সংযোগের জন্য নেওয়া ,৬০০ টাকা গেল কোথায়? সংযোগ যদি সরকারি নথিতে নথিভুক্তই না হয়ে থাকে, তাহলে ওই অর্থের হিসাব কোথায়? গ্রাহককে কি কোনো রসিদ দেওয়া হয়েছিল? সরকারি পরিষেবার নামে নেওয়া অর্থের হিসাব কি দপ্তরের খাতায় রয়েছে? নাকি পুরো বিষয়টিই থেকে যাচ্ছে অন্ধকারে? সবিতা মোদকের সরাসরি অভিযোগ, তাঁদের কাছ থেকে নেওয়া ,৬০০ টাকা জুনিয়র ইঞ্জিনিয়ার বিশ্বজিৎ বিশ্বাসের কাছেই রয়েছে এবং তাঁদের সঙ্গে প্রতারণা করে সেই অর্থ আত্মসাৎ করা হয়েছে। যদিও এই অভিযোগের সত্যতা তদন্তসাপেক্ষ। এমনকি গত এক বছর যে বিদ্যুৎ ব্যয় করেছেন খোকন বাবুর পরিবার সেই বিদ্যুতের মাশুল কে দেবে?

Abhishek Dey
সাংবাদিক (Journalist)

মন্তব্য সমূহ (0)

  • এখনো কোনো মন্তব্য করা হয়নি। প্রথম মন্তব্যকারী হোন!

আপনার মতামত জানান

Captcha