স্যন্দন
ডিজিটাল ডেস্ক, আগরতলা। ২৮ অক্টোবর : প্রতিদিন বেকার
আন্দোলনের চাপে
মুখে পড়ছে
সরকার। রীতিমতো
বেকার আন্দোলনে
দিশাহীন সরকারের
বিভিন্ন দপ্তর।
শূন্যপদ পূরণের
নাম করে
বছরের পর
বছর ধরে
ঝুলিয়ে রাখা
হচ্ছে নিয়োগ
প্রক্রিয়া। আন্দোলনে
নামলে মামলার
হুমকি দিয়ে
আন্দোলন প্রত্যাহার
করা হয়
পুলিশ দিয়ে।
এ নজিরবিহীন
ঘটনা ঘটছে
ত্রিপুরা রাজ্যে।
বুধবার আন্দোলনে
নামলো এসটিজিটি
২০২২ - এর চাকরি প্রত্যাশীরা।
বুধবার তারা
টিআরবিটি-র
সামনে গিয়ে
বিক্ষোভ দেখায়।
তারা দপ্তরের
চেয়ারম্যানের সঙ্গে
গিয়ে সাক্ষাৎ
করার পর
তাদের কোনরকম
সদোত্তর দিতে
না পারায়
তারা বিক্ষোভে
শামিল হয়।
তাদের বক্তব্য
২০২২ সালের
এসটিজিটিদের বঞ্চিত
করে পরবর্তী
নিয়োগ প্রক্রিয়া
সম্পূর্ণ করেছে
সরকার। অথচ
২০২২ সাল
থেকে আদালতের
অজুহাত দিয়ে
তাদের ঝুলিয়ে
রাখা হয়েছে
বলে দাবি
করলেন সংবাদ
মাধ্যমের সামনে।
তারা বলেন
যারা মামলা
করেছে তাদের
বিষয় আলাদা।
যারা পরীক্ষায়
উত্তীর্ণ হয়েছে
তাদের ফলাফল
প্রকাশ করে
অবিলম্বে নিয়োগ
করা হোক।
তারা আরো
বলেন, পাঁচ বছর
ধরে তারা
হেনস্থার শিকার।
বারবার দপ্তরে
এসে কোনরকম
সদুত্তর পাচ্ছেন
না। তারা
যে মামলাটি
নিয়ে হাইকোর্টে
গিয়েছিল সে
মামলাটি রায়
দিয়েছে হাইকোর্ট।
হাইকোর্ট জানিয়েছে
যারা পাশ
করেছে তাদের
চাকরি দেওয়ার
জন্য। অথচ
পরবর্তী সময়
সুপ্রিম কোর্টে
গিয়েছে সরকার।
এখন সুপ্রিম
কোর্টের কথা
বলে কোন
কিছু জানেন
না বলে
চাকরি প্রত্যাশীদের
বলছেন দপ্তরের
আধিকারিকরা। আরো
বলেন, সরকার হাইকোর্টকে
পাত্তাই দিচ্ছে
না।
হাইকোর্টকে পাত্তা
না দিলে
কেন আছে
হাইকোর্ট ত্রিপুরা
রাজ্যে? গুটিয়ে দেওয়া
হোক! হাইকোর্ট লাগবে
না বলে
আওয়াজ তুলেন
তারা। শেষ
পর্যন্ত তারা
জানান, আজকের মধ্যে
যদি ফলাফল
প্রকাশ করা
না হয়
তাহলে তারা
আন্দোলন মঞ্চ
ছেড়ে যাবে
না। এদিকে
সন্ধ্যার নাগাদ
আন্দোলন মঞ্চে
এসে পশ্চিম
আগরতলা থানার
পুলিশ এবং
এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট
আন্দোলন প্রত্যাহার
করতে বলেন।
কিন্তু আন্দোলনকারীরা
আন্দোলন ছেড়ে
উঠতে চায়
নি। তারপর
এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেটের
নির্দেশে পশ্চিম
আগরতলা থানার
পুলিশ ২৫
থেকে ৩০
জন আন্দোলনকারীকে
গ্রেফতার করে
অরুন্ধতীনগর পুলিশ
মাঠে নিয়ে
যায়। বিনা
অনুমতিতে আন্দোলন
করা যাবে
না বলে
তাদের জানিয়ে
দেওয়া হয়।
এদিকে আন্দোলনকারীরা
জানান সুপ্রিম
কোর্টে চাকুরী
প্রত্যাশীরা যায়নি।
সুপ্রিম কোর্টে
গিয়েছে সরকার।
তাই তাদের
এই বিষয়ে
দেখান নয়।
হাইকোর্টের রায়
সরকারের মেনে
নিতে হবে।
এবং তারা
আরো জানিয়ে
দেন তাদের
আটক করে
নিয়ে গেলেও
পুনরায় তারা
আন্দোলনে বসবেন।
বর্তমানে পরিস্থিতি
নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।
মন্তব্য সমূহ (0)
আপনার মতামত জানান