স্যন্দন
ডিজিটাল
ডেস্ক, আগরতলা।
১০ অক্টোবর : চাঁদার জুলুমবাজির কারনে রাজ্যে আসতে চাইছে না পণ্যবাহী লরি চালকরা। গাড়ি চালকদের কাছে মোটা অংকের চাঁদা দাবি করছে পূজা উদ্যোক্তারা। চাহিদা মত চাঁদা দিতে না পারলেই ঝামেলা বাড়ছে। আক্রান্ত হচ্ছেন লরি চালকরা। এই খবর সংবাদ মাধ্যমে শিরোনাম দখল করল সরকার এবং পুলিশ প্রশাসনের কুম্ভ নিদ্রা ভাঙ্গেনি। আবারো আক্রান্ত হন এক গাড়ি চালক। কুমারঘাট ইয়ুথ ক্লাবের কিছু সদস্যের বিরুদ্ধে এই হামলার অভিযোগ উঠেছে। ঘটনার বিবরণে জানা যায়, পানিসাগর থেকে কুমারঘাট ও কাঞ্চনবাড়ির দিকে যাওয়ার পথে পেচারতলের এক গাড়ি চালকে কিছু উশৃঙ্খল যুবক বেধড়ক মারধর করে। আক্রান্ত চালক বর্তমানে পেচারতল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। শুধু তাই নয়, তিনি এবং অন্যান্য গাড়ি চালকরা অভিযোগ করেন, প্রতিদিন রাতে বিভিন্ন রাস্তায় চাঁদাবাজদের দৌরাত্ম্য বাড়ছে।
এ
বিষয়ে পুলিশের নজরদারি আরো বাড়ানোর জন্য দাবি উঠছে। অপরদিকে পূজার চাঁদা সংগ্রহকে কেন্দ্র করে এক অটো চালক সহ যাত্রীদের উপর আক্রমনের অভিযোগ উঠে। ঘটনার বিবরনে জানা যায়, শনিবার বীরচন্দ্র মনু বাজার থেকে ফেরার পথে জোলাইবাড়ী ফাঁড়ি সংলগ্ন এলাকার লক্ষী মোহন ত্রিপুরার ছেলে সহ টমটমে থাকা যাত্রীদের উপর আক্রমন করে বলে অভিযোগ। অভিযোগের তীর উত্তর জোলাইবাড়ীর বাগানটিলা এলাকার দূর্গা পূজা কমিটির বিরুদ্ধে। এই নিয়ে লক্ষী মোহন ত্রিপুরা সংবাদ মাধ্যমের মুখামুখি হয়ে জানান, তিনি বীরচন্দ্র মনু সাপ্তাহিক বাজার সেরে তার টি আর ০৮ বি ৩৫৬৯ নাম্বরের ইলেকট্রিক অটো করে বাড়ী ফেরার সময় বাগান টিলা দূর্গা পূজার কমিটির সদস্যরা জোলাইবাড়ী ফাঁড়ি থানা সংলগ্ন এলাকায় গাড়ি থামিয়ে মোটা অংকের চাঁদা দাবি করে, চাহিদা মত চাঁদা দিতে রাজি না হওয়ায় মারধর করে বলে অভিযোগ। তিনি আরো জানান গাড়িতে থাকা তার ছেলে ও মহিলা যাত্রীর উপর পূজা কমিটির সদস্যরা আক্রমন করেন। এই নিয়ে তিনি জোলাইবাড়ী ফাঁড়িতে অভিযোগ জানান।
বর্তমান সময়ে তিনি ছেলেকে নিয়ে জোলাইবাড়ী সামাজিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রয়েছে। তিনি পূজা উদ্যোক্তাদের কঠোর শাস্তি দাবি করেছেন। উল্লেখ্য বিগত বছরগুলিতে রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে করা নির্দেশ দিয়ে জানিয়ে দেওয়া হতো যদি চাঁদের জন্য কোন ধরনের জুলুমবাজি করা হয় তাহলে কড়া পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।
মন্তব্য সমূহ (0)
আপনার মতামত জানান