Tuesday, September 29, 2026
বাড়ি জাতীয় আল কায়দার ছায়ায় বাংলায় ‘কাফিলা’র কামড়! অসম-কেরলেও ছড়িয়ে জাল, জোর অভিযানে এনআইএ

আল কায়দার ছায়ায় বাংলায় ‘কাফিলা’র কামড়! অসম-কেরলেও ছড়িয়ে জাল, জোর অভিযানে এনআইএ

আল কায়দার ছায়ায় বাংলায় ‘কাফিলা’র কামড়! অসম-কেরলেও ছড়িয়ে জাল, জোর অভিযানে এনআইএ

স্যন্দন ডিজিটেল ডেস্ক, সেপ্টেম্বর ২৯  : বাংলার মাটিতে বাংলাদেশের জঙ্গি সংগঠন জামাত-উল-মুজাহিদিন অর্থাৎ জেএমবির শাখা সংগঠন ‘ইমাম মাহমুদের কাফেলা’-র ঘাঁটি! আল কায়দার মতাদর্শে বেড়ে ওঠা এই জঙ্গি সংগঠনের জাল ছড়িয়ে অসম এবং কেরলেও! এই সংক্রান্ত চাঞ্চল্যকর তথ্য হাতে আসতেই নড়েচড়ে বসল এনআইএ। রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে অভিযান চালিয়ে সন্দেহভাজন তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা। জানা গিয়েছে, ধৃত তিনজনের সঙ্গেই জঙ্গি সংগঠন ‘কাফেলা’র যোগ রয়েছে। যদিও এই বিষয়ে আরও তথ্য জানতে গভীরে গিয়ে তল্লাশি চালাচ্ছে এনআইএ। দফায় দফায় ধৃত তিনজনকে জেরা করা হচ্ছে। শুধু তাই নয়, এই জঙ্গি সংগঠনের সক্রিয় সদস্য সন্দেহে অসমেও দুজনকে এনআইএ আটক করেছে বলে জানা গিয়েছে।


অসমে প্রথম এই সংক্রান্ত একটি মামলা রুজু হয়। সেই মামলার সূত্রেই মঙ্গলবার ভোর থেকে বাংলা, অসম এবং কেরলে একযোগে তল্লাশি শুরু করে এনআইএ। ডায়মন্ড হারবার, বর্ধমান এবং দক্ষিণ দিনাজপুরের বংশীহারিতে শুরু হয় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার অভিযান। জানা যায়, বংশীহারিতে মুজিবর রহমান নামে এক যুবকের বাড়িতে পৌঁছান আধিকারিকরা। যদিও ওই যুবকের খোঁজ পাননি আধিকারিকরা। ইতিমধ্যে তাঁর খোঁজে শুরু হয়েছে তল্লাশি। পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, মুজিবুর সরকারি চাকরির প্রস্তুতি নিচ্ছেন। অনলাইনে কোচিং নিতেন। সেই আড়ালেই কি চলত মগজধোলাই? খতিয়ে দেখছে এনআইএ।


শুধু উত্তরে নয়, বর্ধমানের মঙ্গলকোটের পালিশগ্রামের একটি মসজিদেও এদিন সাতসকালে পৌঁছে যান এনআইএ আধিকারিকরা। সেখানকার ইমামকে ইতিমধ্যে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। জানা গিয়েছে, ‘ইমাম মাহমুদের কাফেলা’র সঙ্গে সরাসরি যোগ রয়েছে ধৃতের। এই সংক্রান্ত প্রাথমিক প্রমাণ হাতে পাওয়ার পরেই ওই ইমামকে এনআইএ গ্রেপ্তার করে বলে খবর। বজবজ থেকে গ্রেপ্তার করা জুম্মান শেখ বলে আরও এক যুবককে। ধৃত এই যুবক পেশায় দর্জি। এনআইএ সূত্রে খবর, জুম্মানকে জেরা করেই নাকি শাহরুল বলে পেশায় এক অ্যাপ চালকের খোঁজ পান আধিকারিকরা। জুম্মানের পাশের গ্রাম বলরামপুরে দীর্ঘ ১৫ বছর ধরে পরিবার নিয়ে বসবাস করছিলেন শাহরুল। তবে এদিন কুলপি এলাকা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এক আত্মীয়ের বাড়িতে ঘাঁটি তৈরি করে থাকছিলেন ধৃত শাহরুল। ইতিমধ্যে ধৃতদের কাছ থেকে মোবাইল-সহ বেশ কিছু নথি বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে।


বলে রাখা প্রয়োজন, গতবছর ত্রিপুরা থেকে ১১ জনকে গ্রেপ্তার করে অসম পুলিশ। ধৃতদের জেরা করে ‘ইমাম মাহমুদের কাফেলা’র বিস্তারিত তথ্য পান তদন্তকারীরা। এরপরেই ঘটনার তদন্তে নামে এনআইএ। তদন্তকারীরা জানতে পারেন, অসম, ত্রিপুরা এবং বাংলার যেখানে জেএমবির স্লিপার সেল সক্রিয় রয়েছে, সেখানে এই সংগঠনের জাল বিস্তার হতে শুরু করে। শুধু তাই নয়, আল কায়েদা উপমহাদেশের নেতৃত্বেই পুরো প্রক্রিয়া চলে বলে দাবি কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার। এরপরেই এদিন সকাল থেকে বাংলা-সহ রাজ্যের একাধিক জায়গায় তল্লাশি এনআইএ’র


Subrata Debnath
Subrata Debnath https://syandanpatrika.in
সাংবাদিক (Journalist)

মন্তব্য সমূহ (0)

  • এখনো কোনো মন্তব্য করা হয়নি। প্রথম মন্তব্যকারী হোন!

আপনার মতামত জানান

Captcha