স্যন্দন ডিজিটাল ডেস্ক, ২২ সেপ্টেম্বর ।। রাশিয়ার যুদ্ধবিমান শুক্রবার সকালে এস্তোনিয়ার আকাশসীমা লঙ্ঘনের পর অন্যান্য নেটো সদস্যদেশগুলোর পরামর্শ চেয়েছে দেশটি। এস্তোনিয়া সরকার বলেছে, তিনটি রাশিয়ান মিগ-৩১ যুদ্ধবিমান অনুমতি ছাড়াই ফিনল্যান্ড উপসাগরের উপর দিয়ে ২১ মিনিট এস্তোনিয়ার আকাশে অবস্থান করেছে। ইতালি, ফিনল্যান্ড ও সুইডেন পূর্বাঞ্চলীয় সীমান্তকে শক্তিশালী করতে নেটো মিশনের আওতায় যুদ্ধবিমান মোতায়েন করেছে।
নেটোর মুখপাত্র একে রাশিয়ার ‘বেপরোয়া’ আচরণ এবং নেটোর প্রতিক্রিয়া জানানোর ক্ষমতার আরেকটি উদাহরণ বলে মন্তব্য করেছেন। রাশিয়া এস্তোনিয়ার আকাশসীমা লঙ্ঘনের অভিযোগ অস্বীকার করেছে। তবে সাম্প্রতিক সময়ে উত্তেজনা বেড়েছে। বিশেষ করে নেটো সদস্য পোল্যান্ড ও রোমানিয়া রাশিয়ার ড্রোনের আকাশ সীমা লঙ্ঘনের অভিযোগ করার পর।
আর্টিকেল ৪ অনুযায়ী, ৩২ সদস্যের নেটো জোটে যে কোনও সদস্য রাষ্ট্র জরুরি পরিস্থিতিতে অন্য সদস্যদেশের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে পরামর্শ চাইতে পারে। বিবিসি জানায়, এস্তোনিয়া নেটোর এমন পরামর্শ চাওয়া দ্বিতীয় দেশ। এর আগে গত ১০ সেপ্টেম্বরে পোল্যান্ডও রুশ ড্রোন তাদের আকাশসীমা লঙ্ঘনের পর এ ধরনের পরামর্শ চেয়েছিল।
এস্তোনিয়ার প্রধানমন্ত্রী ক্রিস্টেন মিখাল বলেন, “যে কোনও উস্কানির ক্ষেত্রে নেটোর প্রতিক্রিয়া হতে হবে ঐক্যবদ্ধ ও দৃঢ়। আমাদের মিত্রদের সঙ্গে পরামর্শ করা জরুরি, যাতে সবাই এমন পরিস্থিতি সম্পর্কে সচেতন থাকে এবং পরবর্তী করণীয়র ক্ষেত্রে যৌথ পদক্ষেপ নিতে একমত হতে পারে।” যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, “বিষয়টি আমার ভাল লাগছে না। এমন কিছু যখন ঘটে সেটি আমি পছন্দ করি না। এটি বড় ধরনের সমস্যা তৈরি করতে পারে।”
ওদিকে, চেক প্রেসিডেন্ট পিটার পাভেল শনিবার বলেছেন, এরকম উস্কানির ক্ষেত্রে নেটোর উচিত যুদ্ধবিমান গুলি করে ভূপাতিত করে জবাব দেওয়া।” এস্তোনিয়ার সঙ্গে রাশিয়ার পূর্বদিকে সীমান্ত আছে। এস্তোনিয়া বলেছে, রাশিয়া এবার নিয়ে এবছর পাঁচ বার তাদের আকাশসীমা লঙ্ঘন করেছে।

