স্যন্দন
ডিজিটাল ডেস্ক, আগরতলা। ৩ অক্টোবর : রাজ্যের বিভিন্ন বিদ্যালয়ের
পড়াশোনা লাটে উঠছে একটা বড় অংশের শিক্ষক-শিক্ষিকাদের চরম গাফিলতির কারণে। রাজ্য সরকার
এবং এডিসির নেতৃত্বাধীন জনপ্রতিনিধিরা যখন ভোট ব্যাংকের রাজনীতিতে ব্যস্ত তখন সংবাদ
মাধ্যমের ক্যামেরায় ধরা পড়ছে রাজ্যের বিদ্যালয় গুলি হাল হাকিকাত। ত্রিপুরা উপজাতি
এলাকা স্ব-শাসিত জেলা পরিষদের ওয়াটলোক টুইথু অভিচরণ সার্কেলের অধীন কুলিবাড়ি এলাকা
স্থিত কুলিবাড়ি ইংলিশ মিডিয়াম জে বি স্কুলের শিক্ষক শিক্ষিকাদের সঠিক সময়ে বিদ্যালয়ে
না আসার অভিযোগ উঠলো। শিক্ষক-শিক্ষিকার চরম গাফিলতির মধ্য দিয়েই বিদ্যালয়টি চলছে
দিনের পর দিন।
কেউ এসে দাঁড়িয়ে থাকছেন বিদ্যালয় খোলার অপেক্ষায়।
আবার কেউ আসছেন ই না। এ ভাবেই চলছে জনজাতি ছাত্র ছাত্রীদের পড়াশোনা। শনিবার ও দেখা
গেল একই চিত্র। একজন শিক্ষিকা এসেছেন আট টা নয় মিনিটে। কিন্তু এসো তিনি বাইরে দাঁড়িয়ে
থাকেন তার কাছে চাবি না থাকায়। অপর একজন শিক্ষক এসেছেন আটটা সতেরো মিনিটে। বলা বাহুল্য
সম্প্রতি এই বিদ্যালয়টি পরিদর্শন করেছিলেন পশ্চিম ত্রিপুরা জেলার জেলা শাসক সহ শিক্ষা
দপ্তরের কর্মকর্তারা।সেদিনও পঠনপাঠন সহ একাধিক বিষয়ে খামতি দেখতে পায় প্রশাসন।
সেগুলি সমাধান
এবং ছাত্র ছাত্রীদের পড়াশোনার প্রতি অধিক গুরুত্ব আরোপ করার নির্দেশ দেন প্রশাসনিক
আধিকারিকরা ষ। তার মাত্র কয়েক মাসের মধ্যে এই ঘটনা আবারো বিদ্যালয়টির শিক্ষা ব্যবস্থা
সহ ছাত্র ছাত্রীদের গুণগত শিক্ষা প্রদান প্রশ্নের মুখে ফেলে দিলো। উল্লেখ্য, রাজ্যের
গ্রাম পাহাড়ের বিদ্যালয়গুলির পড়াশুনা একেবারে বারোটা বাজিয়ে দিচ্ছেন একটা বড় অংশের
শিক্ষক শিক্ষিকা। পূর্বতন সরকারের আমলে এই হগব শিক্ষকদের ভূত কাদের চেপে বসছে নতুন
চাকরিপ্রাপ্তদেরও। দপ্তরের আধিকারিকরা মাসে মাসে লক্ষ লক্ষ টাকা বেতন গুনলেও কোন ধরনের
নজর নেই বিদ্যালয়ের দিকে। শুধুমাত্র অফিসে আসা যাওয়াই তাদের কাজ। বিদ্যালয় গুলিতে
পরিদর্শন না করার কারণে ভেঙে পড়ছে শিক্ষা ব্যবস্থা। এটাই রাজ্যের তথাকথিত শিক্ষা বিপ্লব!
মন্তব্য সমূহ (0)
আপনার মতামত জানান