স্যন্দন ডিজিটাল ডেস্ক, আগরতলা। ২৯
অক্টোবর : ধর্মনগর
নয়াপাড়া
প্রগতি
রোড
থেকে
দীঘলবাক
চৌমুহুনী
পর্যন্ত
পুরোনো
সড়ক
সংস্কারের
কাজে
ব্যাপক
নিম্নমানের
সামগ্রী
ব্যবহারের
অভিযোগ
উঠেছে।
বৃহস্পতিবার
সকালে
কাজের
গুণগত
মান
নিয়ে
প্রশ্ন
তুলে
তীব্র
ক্ষোভে
ফেটে
পড়েন
স্থানীয়
এলাকাবাসীরা।
প্রতিবাদস্বরূপ
তাঁরা
অবিলম্বে
রাস্তা
সংস্কারের
কাজ
বন্ধ
করে
দেন।
স্থানীয়দের
অভিযোগ,
রাস্তার
উপর
নামমাত্র
পিচের
প্রলেপ
দেওয়া
হচ্ছে
এবং
তা
এতটাই
নিম্নমানের
যে
হাতের
টানেই
পিচ
উঠে
আসছে।
সংশ্লিষ্ট
কাজের
বরাতপ্রাপ্ত
ঠিকাদার
অনন্ত
ঘোষের
অধীনস্থ
শ্রমিকরা
ইচ্ছাকৃতভাবে
এই
নিম্নমানের
কাজ
করছেন
বলে
অভিযোগ
তুলেছেন
এলাকাবাসী।
সরকারি
অর্থ
ব্যয়
করে
রাস্তা
সংস্কার
করা
হলেও
কাজের
এই
বেহাল
দশার
কারণে
জনমনে
তীব্র
সংশয়
তৈরি
হয়েছে।
পিচ
দেওয়ার
সঙ্গেই
যদি
তা
উঠে
যায়,
তবে
সামান্য
কদিনের
মধ্যেই
রাস্তাটি
আগের
মতো
বেহাল
হয়ে
পড়বে
এবং
সাধারণ
মানুষকে
পুনরায়
চরম
দুর্ভোগের
মুখে
পড়তে
হবে
বলে
আশঙ্কা
প্রকাশ
করছেন
তাঁরা।
এই ঘটনার
পরই
পূর্ত
দফতরের
(PWD) ভূমিকা
নিয়েও
প্রশ্ন
তুলেছে
সাধারণ
মানুষ।
জনসাধারণের
প্রশ্ন,
প্রকাশ্য
দিবালোকে
এই
ধরনের
কাজ
চলার
সময়
সংশ্লিষ্ট
দফতরের
দায়িত্বপ্রাপ্ত
আধিকারিকদের
নজরদারি
কোথায়
ছিল?
কাজের
গুণগত
মান
যাচাই
না
করে
কীভাবে
এই
ধরনের
সংস্কারের
কাজ
এগিয়ে
চলছে,
তা
নিয়েও
তীব্র
ক্ষোভ
প্রকাশ
করা
হয়।
এলাকাবাসীদের
স্পষ্ট
দাবি—রাস্তা
সংস্কারের
কাজ
রাতের
অন্ধকারে
না
করে
দিনের
আলোতেই
করতে
হবে,
যাতে
সাধারণ
মানুষ
ও
স্থানীয়রা
কাজের
মান
সরাসরি
পর্যবেক্ষণ
করতে
পারেন।
পাশাপাশি,
ইতিমধ্যে
যে
সমস্ত
জায়গায়
নিম্নমানের
কাজ
ও
পিচ
উঠে
গেছে,
তা
অপসারণ
করে
নির্ধারিত
গুণমান
বজায়
রেখে
পুনরায়
নতুনভাবে
কাজ
সম্পন্ন
করতে
হবে।
একইসঙ্গে
পূর্ত
দফতরের
আধিকারিকদের
নিয়মিত
তদারকিরও
জোরালো
দাবি
জানিয়েছেন
তাঁরা।
রাজ্য
সরকার
রাস্তাঘাটের
উন্নয়ন
ও
পরিকাঠামো
মজবুত
করতে
বিপুল
অর্থ
ব্যয়
করলেও
কিছু
অসাধু
ঠিকাদারের
খামখেয়ালিপনায়
সেই
উদ্যোগ
কীভাবে
ব্যাহত
হচ্ছে,
এই
ঘটনা
তারই
এক
জলজ্যান্ত
উদাহরণ।
এলাকাবাসীর
এই
প্রতিবাদের
পর
ধর্মনগর
পূর্ত
দফতর
ও
সংশ্লিষ্ট
ঠিকাদারি
সংস্থার
বিরুদ্ধে
কী
ধরনের
প্রশাসনিক
পদক্ষেপ
গ্রহণ
করা
হয়।
মন্তব্য সমূহ (0)
আপনার মতামত জানান