স্যন্দন ডিজিটাল ডেস্ক, আগরতলা। ২৬ জুন : রাজ্য সরকারের উদ্যোগে ৫ জুন থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত ‘খেত বাঁচাও অভিযান’চলছে। তারই অঙ্গ হিসাবে শুক্রবার বামুটিয়া স্থিত বেড়িমুড়া স্কুলে এক সচেতনতামূলক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ডাক্তার মানিক সাহা। অনুষ্ঠানে কৃষকদের উদ্দেশ্যে মুখ্যমন্ত্রী বক্তব্য রেখে বলেন, কৃষকদের জন্য সরকার আন্তরিক। মাটি পরীক্ষা, প্রাকৃতিক কৃষি এবং শস্য বৈচিত্রকরনের উপর সবচেয়ে বেশি জোর দেওয়া হয়েছে।
রাজ্যের বর্তমান সরকার কৃষি ও কৃষক কল্যাণে সবচেয়ে বেশি জোর দিয়েছে। বিজ্ঞান ভিত্তিক চাষ ও প্রযুক্তি বর্তমানে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। সরকারের মূল উদ্দেশ্য কৃষকদের আয় দ্বিগুণ করা। এখনো পর্যন্ত রাজ্যের ৬৪ হাজার ৭৪ জন কৃষক তাদের নাম রেজিস্ট্রি করেছে। বিভিন্ন সুযোগ সুবিধা নেওয়ার জন্য এই নাম রেজিস্ট্রি অত্যন্ত প্রয়োজন। মুখ্যমন্ত্রী সকল কৃষকদের তাদের নাম রেজিস্ট্রি করার আহ্বান জানান। ভোজ্য তেল ব্যবহার হ্রাস করার উপর গুরুত্ব দেন মুখ্যমন্ত্রী।
কৃষকরা হচ্ছে অন্ন দাতা। তাই এই অন্ন দাতাদের সার্বিক উন্নয়নের জন্য যা যা করার দরকার সরকার করে যাচ্ছে।খেত বাচাও অভিযান যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ। কারন কৃষি শুধুমাত্র পেশা নয়। কৃষির উপর দেশ ও রাজ্যের অরথনিতি অনেকটা নির্ভর করে। গ্রামিন এলাকার অর্থনীতির মূল ভিত্তি হল কৃষি। কৃষির উন্নয়ন ছাড়া দেশ ও রাজ্যের উন্নয়ন সম্ভব নয়। তাই প্রধানমন্ত্রী কৃষকদের আয় দ্বিগুণ করার উপর গুরুত্ব দিয়েছেন। দেশের শ্রমশক্তির ৬০ শতাংশ হল কৃষকরা। ভারতবর্ষকে বিশ্বের মধ্যে শস্য ভান্ডার হিসাবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী বিভিন্ন প্রকল্প লাগু করেছেন বলে জানান মুখ্যমন্ত্রী। কেন্দ্রীয় সরকার ও রাজ্য সরকার চাইছে স্থিতিশীল কৃষির মাধ্যমে খাদ্য নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতে। কৃষি বিজ্ঞানীদের পরামর্শ নিয়ে চাষের উপর গুরুত্ব দেন মুখ্যমন্ত্রী। এইদিনের অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বিধায়ক নয়ন সরকার, পশ্চিম ত্রিপুরা জেলা পরিষদের ভারপ্রাপ্ত সভাধিপতি বিশ্বজিৎ শীল সহ অন্যান্যরা। অনুষ্ঠানে এইদিন এলাকার কৃষকদের মধ্যে কৃষি সরঞ্জাম বিতরণ করা হয়।

