স্যন্দন ডিজিটাল ডেস্ক, আগরতলা। ২৭ মে : সামাজিক মাধ্যমে জন্য আবারো সমাজ কলঙ্কিত। মোহনপুরের কলকলিয়া এলাকার বাসিন্দা উজ্জ্বল সরকার। বয়স ১৯ বছর। তার সাথে সিধাই থানা এলাকার এক বধূর সাথে সামাজিক মাধ্যমে পরিচয় হয়। সামাজিক মাধ্যমের পরিচয় থেকে এক সন্তানের জননীর সাথে উজ্জ্বলের সম্পর্ক ধীরে ধীরে গভীর হতে থাকে। দুই জনের মধ্যে নিয়মিত কথাবার্তা চলত। এরই এই বধূর কিছু অশ্লীল ছবি চলে যায় উজ্জলের কাছে। সেই ছবিকে হাতিয়ার করে উজ্জল এই বধূকে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দেয়।
যথারীতি এই বধূ উজ্জ্বলের প্রস্তাবে সম্মত হয়। এবং দুই জনের মধ্যে শারীরিক সম্পর্ক গড়ে উঠে। তাদের মধ্যে একাধিকবার শারীরিক সম্পর্ক হয়। এরই মধ্যে মঙ্গলবার রাতে উজ্জল ঐ বধূকে ফের শারীরিক সম্পর্ক স্থাপনের প্রস্তাব দেয়। কিন্তু ঐ বধূ মঙ্গলবার রাতে উজ্জলের সাথে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপনে অস্বীকার করে। তখন উজ্জল ঐ বধূর বাড়িতে চড়াও হয়। এবং জোর পূর্বক ঐ বধূর ঘরে প্রবেশ করে বধূর সাথে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করে। এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে ঐ বধূ বুধবার সিধাই থানায় অভিযুক্ত উজ্জল সরকারের বিরুদ্ধে লিখিত মামলা দায়ের করে। ধর্ষণের শিকার হওয়া বধূ সংবাদ মাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে জানান উজ্জল ওনাকে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে তার সাথে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করেছে। কয়েকমাস পর পর উজ্জল ওনার সাথে শারীরিক সম্পর্ক করত। ৫ থেকে ৬ বার উজ্জল ওনার সাথে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করেছে। বর্তমানে উজ্জল ওনাকে বিয়ে করতে অসম্মতি প্রকাশ করেছে।
তাই তিনি থানায় মামলা দায়ের করেছেন। সিধাই থানায় লিখিত মামলা দায়ের হওয়ার পর পুলিশ অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করতে ময়দানে নামে। থানায় মামলা দায়ের হওয়ার খুব কম সময়ের মধ্যে পুলিশ অভিযুক্ত উজ্জল সরকারকে গ্রেপ্তার করে থানায় নিয়ে আসে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে সিধাই থানা এলাকায় চাঞ্চল্য বিরাজ করছে। পুলিশ গোটা ঘটনার তদন্তে নেমেছে।

