স্যন্দন ডিজিটাল ডেস্ক ২২ অক্টোবর : জেল থেকে বেরনোর কয়েকঘণ্টা পরেই ফের বিপাকে সৌরভ দাস এবং আশুতোষ রাঙ্কা । এবার ককরোচ জনতা পার্টির দুই নেতাকে সমন পাঠাল দিল্লি পুলিশের ক্রাইম ব্রাঞ্চ। জানা গিয়েছে, বৃহস্পতিবারই তাঁদের হাজিরা দিতে হবে। ইতিমধ্যেই আশুতোষ এবং সৌরভের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া একাধিক মামলা অপরাধদমন শাখায় হস্তান্তর করেছে দিল্লি পুলিশ। তাহলে কি কয়েকঘণ্টার মধ্যে ফের গ্রেপ্তার হবেন দুই নেতা?
যন্তর মন্তরে অনুপ্রবেশের অপরাধে সাতদিন জেলে কাটিয়েছেন দুই সিজেপি নেতা। এবার দিল্লি পুলিশের ক্রাইম ব্রাঞ্চের মুখোমুখি হতে হবে তাঁদের। ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ১৮৮ ধারা লঙ্ঘনের অভিযোগে সমন পাঠানো হয়েছে সিজেপির আরেক নেতা অজিঙ্কা শিণ্ডেকেও। জানা গিয়েছে, কনট প্লেস এবং পার্লামেন্ট স্ট্রিট-দুই থানায় অভিযোগ দায়ের হয়েছিল। দুটি অভিযোগই ক্রাইম ব্রাঞ্চের কাছে পাঠিয়ে দিয়েছে দিল্লি পুলিশ। বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টায় রাজোরি গার্ডেনের দপ্তরে হাজিরা দিতে হবে দুই সিজেপি নেতাকে।
আশুতোষদের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ দায়ের হয়েছে। সরকারি নির্দেশ অমান্য, অনুপ্রবেশ, অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র, সরকারি কর্মীদের কাজে বাধা দেওয়া, আঘাত করা-বিভিন্ন অভিযোগ আনা হয়েছে ককরোচ নেতাদের বিরুদ্ধে। গত ১৩ অক্টোবর ব্যারিকেড টপকে যন্তরমন্তরে ঢুকে তেরঙ্গা উড়িয়েছিলেন সিজেপির এই নেতা কর্মীরা। বেশ খানিকক্ষণ দৌড়াদৌড়ির পর পুলিশ তাঁদের পাকড়াও করে। সেই অপরাধের ভিত্তিতেই একগুচ্ছ অভিযোগ দায়ের করেছে দিল্লি পুলিশ। সেই অভিযোগের তদন্ত দেওয়া হয়েছে ক্রাইম ব্রাঞ্চের মতো গুরুত্বপূর্ণ দপ্তরের হাতে।
উল্লেখ্য, বুধবার বিকেলে আশুতোষ এবং সৌরভের জামিন মঞ্জুর হয়েছে। জানা গিয়েছে, একগুচ্ছ শর্ত বেঁধে দেওয়া হয়েছে দুই ককরোচ নেতাকে। তার মধ্যে অন্যতম, যন্তর মন্তরে কোনওরকম প্রতিবাদ করবেন না তাঁরা। স্পেশাল এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেটের এজলাসে জামিন চেয়ে একই বয়ান দিয়েছেন সৌরভ এবং আশুতোষ। বলেছেন, ‘শান্তি বজায় রাখা এবং আইনশৃঙ্খলা নিশ্চিত করতে আমরা বদ্ধপরিকর। তাই যন্তর মন্তরে বিনা অনুমতিতে কোনও প্রতিবাদ কর্মসূচির ডাক দেব না।’ সংবিধান মেনেই যাবতীয় প্রতিবাদ করবেন বলেও জানিয়েছেন দুই ককরোচ নেতা। কিন্তু এবার কি ক্রাইম ব্রাঞ্চ আলাদা করে গ্রেপ্তার করবে তাঁদের?
মন্তব্য সমূহ (0)
আপনার মতামত জানান