Wednesday, October 14, 2026
বাড়ি জাতীয় নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও ব্যারিকেড টপকে যন্তর মন্তরে! ৫ দিনের জেল হেফাজতে আশুতোষ, সৌরভ

নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও ব্যারিকেড টপকে যন্তর মন্তরে! ৫ দিনের জেল হেফাজতে আশুতোষ, সৌরভ

নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও ব্যারিকেড টপকে যন্তর মন্তরে! ৫ দিনের জেল হেফাজতে আশুতোষ, সৌরভ

স্যন্দন ডিজিটেল ডেস্ক,  ১৪ অক্টোবর  :  পুলিশি নিষেধাজ্ঞা উড়িয়ে ব্যারিকেড টপকে যন্তর মন্তরে ঢুকে পতাকা ওড়ানোর শাস্তি। দিল্লি পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হওয়ার পর এবার তিহাড়ে ঠাঁই হল ককরোচ পার্টির দুই শীর্ষ নেতৃত্ব আশুতোষ রাঙ্কা ও সৌরভ দাসের। এই দু’জনকে ৫ দিনের জেল হেফাজত দিয়েছে আদালত। এই ঘটনায় আরও এক অভিযুক্ত অভিজিৎ দীপকের রাজনৈতিক গুরু অজিঙ্ক শীন্ডেকে পিস বন্ডে সই করিয়ে রেহাই দেওয়া হয়েছে।


গত ১১ অক্টোবর দিল্লি পুলিশ কমিশনারের তরফে নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল এখন থেকে আর যন্তর মন্তরে কোনও প্রতিবাদ  সভা করা যাবে না। আন্দোলন করতে গেলে যেতে হবে রামলীলা ময়দান, বুরারি ময়দান বা সিবিডি ময়দানে। তবে সেই নিষেধাজ্ঞা উড়িয়ে মঙ্গরবার ভোরে সিজেপির তিন নেতা ব্যারিকেড টপকে যন্তর মন্তরে ঢুকে জাতীয় পতাকা ওড়ান ও মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে স্লোগান দেন। স্বাভাবিকভাবেই তাঁদের আটক করে দিল্লি পুলিশ। বুধবার সকালে তাঁদের গ্রেপ্তার দেখানো হয়। গ্রেপ্তারির পর এদিন তাঁদের ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে পেশ করা হলে শিন্ডে ছাড়া বাকিদের ৫ দিনের জেল হেফাজত দেওয়া হয়েছে।


পুলিশের তরফে অভিযোগ তোলা হয়েছে, বিনা অনুমতিতে ওই তিন নেতা যন্তর মন্তরে প্রবেশ করেছিলেন। ১৪৪ ধারা লঙ্ঘনের পাশাপাশি, শনিবার শান্তি বজায় রাখার যে ৫০ হাজার টাকার বন্ডে সই করেছিলেন তা লঙ্ঘন করেছেন, এছাড়া সরকারি কাজে বাধা দিয়েছেন। এদিকে সিজেপির দাবি, দিল্লি পুলিশ আদালতে মিথ্যে বলেছে। ওরা দাবি করছে, যন্তর মন্তরে জমায়েতের ডাক দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু মোটেই তা হয়নি। এক্স হ্যান্ডেলে দীপকে লিখেছেন, ‘দোষ শুধু তেরঙ্গা ওড়ানো। হিম্মত থাকলে মোদিজি, এমার্জেন্সি ঘোষণা করুন।’


উল্লেখ্য, সোমবারই কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের তরফে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, যন্তর মন্তরকে আর প্রতিবাদস্থল হিসাবে ব্যবহার করা যাবে না। তিনটি বিকল্পের ব্যবস্থা করেছে পুলিশ। তারমধ্যে সবচেয়ে পরিচিত স্থান রামলীলা ময়দান। উত্তর দিল্লির বুরারি ময়দান এবং পূর্ব দিল্লির সিবিডি ময়দানকেও বিক্ষোভস্থল হিসাবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এই রামলীলা ময়দান বুক করতে গেলে আবার খরচ পড়বে ১.২১ লক্ষ টাকা। রামলীলা ময়দানের ১২ একর জায়গায় সর্বোচ্চ ৫০ হাজার মানুষের জমায়েত হতে পারে। এই মাঠের প্রতি দিনের ভাড়া ৫০ হাজার টাকা। সেই সঙ্গে সিকিউরিটি ডিপোজিট ও কর মিলিয়ে টাকার অঙ্কটা দাঁড়ায় ১ লক্ষ ২১ হাজার টাকা। এর মধ্যে ৫৫ হাজার টাকাটা অবশ্য ফেরতযোগ্য। বাকি প্রায় ৬৬ হাজার টাকা ফেরত পাওয়া যাবে না।


Subrata Debnath
Subrata Debnath https://syandanpatrika.in
সাংবাদিক (Journalist)

মন্তব্য সমূহ (0)

  • এখনো কোনো মন্তব্য করা হয়নি। প্রথম মন্তব্যকারী হোন!

আপনার মতামত জানান

Captcha