স্যন্দন ডিজিটাল ডেস্ক ৯ অক্টোবর : টানা তিনদিন পথে নেমে প্রতিবাদ করেছে ইন্ডিয়া জোট। এবার মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ দাবি নিয়ে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন বিরোধী সাংসদরা। শুক্রবার রাত আটটায় প্রতিনিধি দলকে সময় দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি। রাজনীতিতে প্রাসঙ্গিক হয়ে উঠতে মরিয়া লড়াই করছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি থাকবেন ইন্ডিয়া প্রতিনিধি দলে। এছাড়াও অন্যান্য দলের নেতারা থাকবেন এই বৈঠকে।
নিত্যদিন নতুন নতুন কর্মসূচি পালন করছেন ইন্ডিয়া জোটের সাংসদরা। মঙ্গলবার সংসদের মকর দ্বার থেকে নির্বাচন কমিশনের দপ্তর পর্যন্ত মিছিল দিয়ে শুরু হয় তাঁদের কর্মসূচি। বুধবার তাঁর আচমকা চলে যান যন্তরমন্তরে। বৃহস্পতিবার রাজঘাটে গিয়েছিলেন সাংসদরা। শনিবার ইতিমধ্যেই যন্তরমন্তরে প্রতিবাদ কর্মসূচির ডাক দিয়েছে ককরোচ জনতা পার্টি। অরাজনৈতিক কর্মসূচি হলেও সেখানে ইন্ডিয়া জোটের প্রতিনিধিদের দেখা যেতে পারে বলে সূত্রের খবর।
ইন্ডিয়া জোটের প্রতিনিধি দলে থাকবেন মমতা। এছাড়াও কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে, লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী থাকবেন প্রতিনিধি দলে। সিপিএমের সাধারণ সম্পাদক এমএ বেবিও থাকবেন। আরজেডি থেকে বৈঠকে উপস্থিত থাকবেন তেজস্বী যাদব। সমাজবাদী পার্টির তরফ থেকে একজন থাকতে পারেন। এনসিপি (শরদ) থেকে সুপ্রিয়া সুলেকেও প্রতিনিধি দলে দেখা যেতে পারে। রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাতের আগে বিকেল পাঁচটায় সংসদের সেন্ট্রাল হলে একজোট হবেন প্রতিনিধিরা। দশজনের বেশি সংখ্যক প্রতিনিধি যেতেন পারেন রাষ্ট্রপতি সাক্ষাতে। যদিও তৃণমূল বিধায়ক কুণাল ঘোষ প্রশ্ন তুলেছেন, সারাদিন কাটিয়ে রাষ্ট্রপতি রাত আটটায় সময় দিলেন কেন? সেটা কি প্রচার আটকানোর জন্য?
বিরোধীদের কর্মসূচির জেরে গোটা দিল্লি যেন দুর্গে পরিণত হয়েছে। অন্তত ২৬ হাজার পুলিশ এবং আধাসেনা মোতায়েন করা হয়েছে শহরজুড়ে। বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে নয়াদিল্লি রেল স্টেশনে ট্রেন ঢোকা। একই দৃশ্য হজরত নিজামুদ্দিন স্টেশনেও। দিল্লির ৫৭টি মেট্রো স্টেশনও বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। ইতিমধ্যেই সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন কপিল সিবল। শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদের আগে এইভাবে কেন পরিবহন ব্যবস্থা বন্ধ করা হচ্ছে, কেন হোটেল পাওয়া যাচ্ছে না, কেনই বা আমজনতাকে বেরতে বারণ করা হচ্ছে-প্রশ্ন তুলেছেন বিরোধী সাংসদ সিবল।
মন্তব্য সমূহ (0)
আপনার মতামত জানান