Sunday, September 27, 2026
বাড়ি জাতীয় SIR নিয়ে নির্বাচন কমিশনে মতবিরোধের জল্পনা, ক্যাবিনেট সচিবকে লেখা চিঠির প্রেক্ষাপট স্পষ্ট করল ECI

SIR নিয়ে নির্বাচন কমিশনে মতবিরোধের জল্পনা, ক্যাবিনেট সচিবকে লেখা চিঠির প্রেক্ষাপট স্পষ্ট করল ECI

SIR নিয়ে নির্বাচন কমিশনে মতবিরোধের জল্পনা, ক্যাবিনেট সচিবকে লেখা চিঠির প্রেক্ষাপট স্পষ্ট করল ECI

স্যন্দন ডিজিটাল ডেস্ক, আগরতলা। ২৬ সেপ্টেম্বর : নির্বাচন কমিশনের অভ্যন্তরে মতপার্থক্য নিয়ে জল্পনার মধ্যেই শনিবার ঐক্যের বার্তা দিল নির্বাচন কমিশন। দিল্লিতে স্পেশাল ইনটেনসিভ রিভিশন (SIR) সংক্রান্ত একাধিক সিদ্ধান্ত সর্বসম্মতভাবে নেওয়ার পাশাপাশি ক্যাবিনেট সচিবকে নির্বাচন কমিশনের আধিকারিকদের লেখা একটি চিঠির প্রেক্ষাপটও স্পষ্ট করেছে কমিশন।

নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, “ক্যাবিনেট সচিবকে লেখা চিঠিটি কমিশনের কোনও নীতিগত বিষয় বা আইটি বিভাগের সঙ্গে সম্পর্কিত ছিল না। এটি নির্বাচন কমিশনে ডেপুটেশনে থাকা এক আধিকারিকের কাজের সঙ্গে সম্পর্কিত ছিল।”

কমিশন আরও জানিয়েছে, সংশ্লিষ্ট আধিকারিকের জারি করা কাজ পুনর্বণ্টনের নির্দেশ বাস্তবে কার্যকর করা হয়নি। পাশাপাশি, মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের অধীনে থাকা আইটি বিভাগের তদারকিও কখনও প্রত্যাহার করা হয়নি।

এর আগে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছিল, নির্বাচন কমিশনার এস.এস. সান্ধু এবং বিবেক যোশী ক্যাবিনেট সচিবকে চিঠি লিখে অভিযোগ করেছেন যে, গত ১০ মাসে কমিশনের নেওয়া অন্তত ১৪টি সিদ্ধান্ত সম্পর্কে তাঁদের অন্ধকারে রাখা হয়েছিল।

তদন্তমূলক সংবাদ প্রতিবেদনে আরও দাবি করা হয়েছিল, ভোটার ডেটাবেসের নির্ভরযোগ্যতা এবং নির্বাচনী তালিকার নিরাপত্তাসহ বিভিন্ন বিষয়ে ওই দুই নির্বাচন কমিশনার বারবার মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের কাছে প্রশ্ন তুলেছিলেন।

তিন সদস্যের নির্বাচন কমিশনের নেতৃত্বে থাকেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার। তিনি অন্য দুই কমিশনারের তুলনায় ‘প্রথম সমান’ সদস্য, সর্বোচ্চ পদমর্যাদার সদস্য নন। কমিশনের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তগুলি যতটা সম্ভব সর্বসম্মতভাবে নেওয়া উচিত বলে দাবি করেছেন দুই নির্বাচন কমিশনারকে সমর্থনকারী রাজনৈতিক নেতারা।

শনিবার এক বিবৃতিতে নির্বাচন কমিশন তার অভ্যন্তরীণ কার্যপ্রণালীতে আরও স্বচ্ছতা আনার কথা জানিয়ে বলেছে, “কমিশনের সমস্ত বৈঠকের এজেন্ডা আগেই সদস্যদের মধ্যে বিতরণ করা হবে এবং বৈঠকের কার্যবিবরণী প্রকাশ করা হবে।”

কমিশন আরও জানিয়েছে, সমস্ত আধিকারিকের বার্ষিক কর্মদক্ষতা মূল্যায়ন প্রতিবেদন নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে, অর্থাৎ প্রতি বছর ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে সম্পূর্ণ করা হবে। আধিকারিকদের বিদেশ সফরের ক্ষেত্রেও কমিশনের অনুমোদন নেওয়া হবে।

“কমিশনাররা কমিশনের আধিকারিকদের যে সমস্ত নির্দেশ দেবেন, তা যথাযথভাবে পালন করতে হবে,” বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন।

নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত ও কার্যপ্রণালী নিয়ে মতপার্থক্যের অভিযোগ ঘিরে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক বিতর্ক তৈরি হয়েছে। কংগ্রেসসহ অন্যান্য বিরোধী দল ২৬ সেপ্টেম্বর থেকে ২ অক্টোবর পর্যন্ত দেশজুড়ে প্রতিবাদ কর্মসূচি ঘোষণা করেছে।

 

Abhishek Dey
সাংবাদিক (Journalist)

মন্তব্য সমূহ (0)

  • এখনো কোনো মন্তব্য করা হয়নি। প্রথম মন্তব্যকারী হোন!

আপনার মতামত জানান

Captcha