স্যন্দন ডিজিটাল ডেস্ক ১১ অক্টোবর : নিজেকে মহিমাহ্নিত করার চেষ্টায় কখনও কোনও খামতি রাখেন না মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সেই ছকে একাধিকবার হরমুজ প্রণালীর নাম বদলে তা নিজের নামে রেখেছেন তিনি। খাঁড়ি পেরিয়ে এবার ট্রাম্পের নজর পড়ল মহাসাগরের দিকে। মজার ছলে হলেও এবার দুই মহাসাগর প্রশান্ত ও আটলান্টিক নাম বদলে তা নিজের নামে রাখার প্রস্তাব করলেন তিনি। প্রস্তাব দিলেন, এই দুই মহাসাগরের নাম বদলে ‘ট্রাম্প ওশিয়ান’ এবং ‘ওশিয়ান অফ দ্য আমেরিকাস’ রাখা যেতে পারে। ট্রাম্প আরও বলেন, তিনি প্রেসিডেন্ট পদ ছাড়ার আগে আমেরিকার নিজস্ব মহাসাগর ও একটি বড় নদী থাকা উচিত।
আগামী ৩ নভেম্বর আমেরিকায় হতে চলেছে মধ্যবর্তী নির্বাচন। সেই উপলক্ষে শনিবার টেনেসির ক্লারসভিলেতে জনসভায় বক্তব্য রাখছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। সেখানে হাডসন নদীর নামবদলের সম্ভাবনা খারিজ করে দেন তিনি এবং বলেন, “আমাদের একটি নদী দরকার। একটি মহাসাগরও দরকার।” জনতার উদ্দেশে তিনি বলেন, “দুটি মহাসাগরের যেকোনও একটির নাম বদলে দেওয়া যেতে পারে। আমরা এর নাম দেব ‘ট্রাম্প মহাসাগর’ বা ‘আমেরিকা মহাসাগর’ এই ধরনের কিছু একটা।” ট্রাম্পের এহেন মন্তব্য শুনে হেসে ওঠেন সেখানে উপস্থিত জনতা।
এই সমাবেশে নির্বাচন উপলক্ষে বড় প্রতিশ্রুতিও দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। তিনি বলেন, রিপাবলিকান পার্টি যদি কংগ্রেসের উভয় কক্ষেই জয়লাভ করে, তবে তিনি প্রত্যেক প্রাপ্তবয়স্ক আমেরিকান নাগরিককে ৫,০০০ ডলার করে দেবেন। এই নির্বাচনে তাঁকে বিপুল ভোটে জয়ী করার আহ্বান জানান ট্রাম্প। তিনি এটাও জানান, আজ আমেরিকা ভেনেজুয়েলা থেকে শত শত কোটি ডলারের তেল পাচ্ছে। এই বিরাট সাফল্য তাঁর উদ্যোগেই সফল হয়েছে।
ইরানের কথাও উল্লেখ করেছেন ট্রাম্প। তিনি বলেন, “ইরান কিছুটা শান্ত হচ্ছে। নির্বাচনের আগে তারা সম্ভবত আরও কিছু করবে এটা ভেবে যে এতে আমাদের ক্ষতি হবে। কিন্তু আমরা যে কোনও পরিস্থিতির দ্রুত সমাধান খুঁজে নিতে পারি। আমি তাদের প্রতি কতটা ভালো ব্যবহার করেছি, তা তারা জানে না।” উল্লেখ্য, এর আগে ট্রাম্প বলেছিলেন, ৩ নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে ইরানের ওপর হামলা করবে না।
মন্তব্য সমূহ (0)
আপনার মতামত জানান