স্যন্দন ডিজিটাল ডেস্ক ২৮ মে বিচার প্রক্রিয়া চুলোয়। আদালতেই মহিলা পুলিশ আধিকারিকের সঙ্গে সঙ্গমে মত্ত বিচারক। বাইরে তাঁদের শীৎকারের শব্দে অস্বস্তিতে আদালতের বাকি কর্মীরা। দিনের পর দিন এই ঘটনা চলার পর অবশেষে নিজের চেম্বারে সঙ্গমরত অবস্থায় হাতেনাতে ধরা পড়লেন এক বিচারক ও মহিলা পুলিশ আধিকারিক। ঘটনা সামনে আসতেই শোরগোল পড়ে গিয়েছে। কর্তব্যরত অবস্থায় এহেন কুকীর্তির অভিযোগে অভিযুক্ত বিচারক সরানো হয়েছে দায়িত্ব থেকে।
জানা গিয়েছে, এই ঘটনা আমেরিকার এক ফেডারেল ডিস্ট্রিক্ট কোর্টের। অভিযোগ, ওই বিচারক গত ২ বছর ধরে এক পুলিশ আধিকারিকের সঙ্গে বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কে লিপ্ত ছিলেন। শুধু তাই নয় অভিযোগ, দিনের পর দিন আদালতে নিজের চেম্বারে যৌন সম্পর্কে লিপ্ত হতেন ওই তাঁরা। দিনের পর দিন এই ঘটনা চলার পর, সম্প্রতি ওই বিচারক ও পুলিশ আধিকারিককে আপত্তিকর অবস্থায় হাতেনাতে ধরেন আদালতেরই এক কর্মী। এরপর তিনিই প্রধান বিচারপতির কাছে এই বিষয়ে অভিযোগ দায়ের করেন।
অভিযোগপত্রে জানানো হয়, ওই বিচারক ও পুলিশ আধিকারিক আদালতেই অশালীন কার্যকলাপে লিপ্ত ছিলেন। আদালত কর্মীর অভিযোগের ভিত্তিতে পদক্ষেপ করেন প্রধান বিচারপতি। ঘটনার তদন্তে ৭জন বিচারপতির এক উচ্চপর্যায়ের কমিটি গড়ে দেওয়া হয়। তাঁদের রিপোর্টেও স্পষ্টভাবে জানানো হয়, দিনের পর দিন আদালতে সঙ্গমে লিপ্ত হয়েছেন তাঁরা। এমনকি তাঁদের শীৎকারের শব্দও শোনা গিয়েছে ঘরের বাইরেও। পরিস্থিতি এতটাই গুরুতর হয়ে উঠেছিল যে সেখানে কাজ করাও অস্বস্তিকর হয়ে উঠেছিল বলে অভিযোগ করেন কর্মীরা।
শুরুতে অভিযোগ অস্বীকার করলেও, ওই বিচারক পরে যাবতীয় অভিযোগ স্বীকার করে নেন। ঘটনায় দোষী সাব্যস্ত হওয়ার পর বিচারককে আজীবনের জন্য দায়িত্ব থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। বিচারবিভাগীয় কমিটির কাজ থেকেও তাঁকে সারাজীবনের জন্য নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। সরকারি দপ্তরে এহেন ঘৃণ্য কাজের জন্য আদালতের অন্যান্য কর্মীদের কাছে লিখিতভাবে ক্ষমা চাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে ওই বিচারককে।

