স্যন্দন ডিজিটাল
ডেস্ক, আগরতলা, ২০ সেপ্টেম্বর :বাংলাদেশে
চলমান
ভয়াবহ
হাম
প্রাদুর্ভাবে
গত
২৪
ঘণ্টায়
আরও
চার
শিশুর
মৃত্যু
হয়েছে।
স্থানীয়
সময়
রবিবার
সকাল
৮টা
পর্যন্ত
পাওয়া
তথ্য
অনুযায়ী,
নিশ্চিত
ও
সন্দেহভাজন
হাম
মৃত্যুর
মোট
সংখ্যা
বেড়ে
১,০৫৭
হয়েছে।
বাংলাদেশের স্বাস্থ্য অধিদফতর (DGHS) জানিয়েছে, সর্বশেষ চারটি মৃত্যু সন্দেহভাজন হামজনিত মৃত্যু। এর ফলে সন্দেহভাজন হাম মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে ৯৫৬ হয়েছে। নিশ্চিত হাম মৃত্যুর সংখ্যা ১০১।
গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ১,১৪৮টি সন্দেহভাজন হাম আক্রান্তের ঘটনা রিপোর্ট হয়েছে। ফলে দেশে মোট সন্দেহভাজন আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে ১,৭৯,৮১৪ হয়েছে। নতুন করে ৮৮টি পরীক্ষাগারে নিশ্চিত হাম আক্রান্তের ঘটনাও রিপোর্ট হয়েছে। দেশে নিশ্চিত আক্রান্তের মোট সংখ্যা এখন ২০,৫৬২।
DGHS-এর তথ্য অনুযায়ী, ১৫ মার্চ থেকে বাংলাদেশে হাম-সদৃশ উপসর্গ নিয়ে ১,৫৮,৫৮৯ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। তাঁদের মধ্যে ১,৫২,২২৫ জন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন।
হাম আক্রান্তের সংখ্যা দ্রুত বাড়তে থাকায় আন্তর্জাতিক একটি স্বাস্থ্য অধিকার সংগঠন ২০২৬ সালের এই প্রাদুর্ভাবকে বাংলাদেশের সাম্প্রতিক ইতিহাসের অন্যতম গুরুতর জনস্বাস্থ্য সংকট হিসেবে বর্ণনা করেছে। সংগঠনটি একইসঙ্গে উল্লেখ করেছে যে টিকাকরণের মাধ্যমে হাম প্রতিরোধ করা সম্ভব।
কানাডাভিত্তিক Global Centre
for Democratic Governance (GCDG) তাদের ‘Preventable Tragedy: Bangladesh's 2026
Measles Outbreak’ শীর্ষক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, সাধারণ মানুষের কাছে এই প্রাদুর্ভাব হঠাৎ মনে হলেও মহামারীবিদ্যার দৃষ্টিকোণ থেকে এটি অপ্রত্যাশিত ছিল না।
প্রতিবেদনে ২০২৪-২৫ সালে ভ্যাকসিন সরবরাহ ও স্বাস্থ্য কর্মসূচিতে ব্যাঘাত, নিয়মিত টিকাকরণে ঘাটতি, নির্ধারিত অতিরিক্ত টিকাকরণ কর্মসূচি বাতিল, ভ্যাকসিন সংগ্রহে প্রশাসনিক বিলম্ব এবং ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীকে সময়মতো শনাক্ত করতে না পারাকে সংকটের সম্ভাব্য কারণগুলির মধ্যে উল্লেখ করা হয়েছে।
GCDG-এর দাবি অনুযায়ী, বাংলাদেশ দীর্ঘদিন ধরে ইউনিসেফের আন্তর্জাতিক সরবরাহ ব্যবস্থার মাধ্যমে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা অনুমোদিত ভ্যাকসিন সংগ্রহ করত। তবে প্রতিবেদনের দাবি, অন্তর্বর্তী সরকার পরবর্তীতে এই ব্যবস্থার পরিবর্তে ওপেন টেন্ডার পদ্ধতি চালু করে।
ইউনিসেফের বরাত দিয়ে প্রতিবেদনে আরও দাবি করা হয়েছে, ২০২৪ থেকে ২০২৬ সালের মধ্যে সংস্থাটি পাঁচ থেকে ছয়টি আনুষ্ঠানিক চিঠি এবং প্রায় ১০টি বৈঠকের মাধ্যমে সম্ভাব্য ভ্যাকসিন ঘাটতির বিষয়ে সতর্ক করেছিল।
মন্তব্য সমূহ (0)
আপনার মতামত জানান