স্যন্দন ডিজিটাল ডেস্ক নভেম্বর ৫ : দুর্গাপুজোর ছুটিতে বাড়ি গিয়েছিলেন ছাত্ররা। ছুটি শেষে হস্টেলে ফেরার পর থেকেই বেশ বুঝতে পারছিলেন, কিছু একটা গণ্ডগোল হয়েছে। বিশেষ করে জল খাওয়ার সবার নাকে আসছিল গন্ধ! তা যে স্বাভাবিক নয়, সেটাও বুঝতে পারছিলেন সবাই। কিন্তু হঠাৎ করে একে একে হস্টেলের ছাত্ররা অসুস্থ হতে শুরু করেন। ঘটনার পরেই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অন্তত ৫০ জন পড়ুয়া। চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে অসমের (Assam) একটি ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে।
গুয়াহাটির জালুকবাড়ি এলাকার ওই হস্টেলে আবাসিক হিসেবে থেকে পড়াশোনা করেন অনেক ছাত্র। তাঁদের মধ্যে অনেকেই এই জলের সমস্যার কথা বলেছিলেন ঠিকই, কিন্তু প্রথমটায় গুরুত্ব দেয়নি হস্টেল কর্তৃপক্ষ। তারপর একে একে ছাত্রদের পেটে ব্যাথা আর বমি শুরু হয়। ঘটনাকে কেন্দ্র করে তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। সর্বভারতীয় এক সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, ঘটনার পরেই দায়িত্ব নিয়ে পড়ুয়ারাই নিজেরাই বিষয়টা দেখতে চলে যান ছাদে। জলের ট্যাংকে চোখ যেতেই চমকে ওঠেন তাঁরা। সেই জলে ভাসছে আস্ত হনুমানের দেহ। আর সেই জলই দিনের পর দিন খাচ্ছিলেন ছাত্ররা। এরপরেই বোঝা যায় অসুস্থতার আসল কারণটা কী।
ছাত্ররা জানিয়েছেন, ওই জলই খাওয়ার জন্য তো বটেই, মুখ ধোয়ার জন্য, রান্না করার জন্য, বাসন মাজার জন্য ব্যবহার করা হয়। বিষয়টি নজরে আসার পর দ্রুত ছাত্রদের অন্য হস্টেলে স্থানান্তরিত করা হয়। সঙ্গে সঙ্গে ট্যাংক পরিষ্কারের ব্যবস্থা করা হয়। জানা গিয়েছে, ওই হস্টেলের পিছনেই রয়েছে বিশাল বনাঞ্চল। সেখান থেকে হনুমান এসে থাকতে পারে বলে অনুমান হস্টেল কতৃপক্ষের। এদিকে হাসপাতাল সূত্রে খবর, বেশ কয়েকজন পড়ুয়ার অবস্থা গুরুতর হলে বাকিদের অবস্থা স্থিতিশীল রয়েছে।
মন্তব্য সমূহ (0)
আপনার মতামত জানান