স্যন্দন ডিজিটাল
ডেস্ক, আগরতলা।
২১ সেপ্টেম্বর : কালোবাজারি ছেয়ে গেছে
বাজার গুলি,
বাজারে গিয়ে
নাভিশ্বাস উঠছে
ক্রেতাদের। বলা
যায় প্রশাসনের
নিয়ন্ত্রণের বাইরে
রাজ্যের প্রধান
মহারাজগঞ্জ বাজার,
বটতলা বাজার
সহ একাধিক
বাজার। দুর্গাপূজাকে
সামনে রেখে
লাফিয়ে বৃদ্ধি
পেয়েছে দ্রব্যমূল্য।
অবশেষে কাশি
ঘন্টা বাজার
পর লোক
দেখানো কর্তব্য
পালন করতে
এগিয়ে আসছে
প্রশাসন। শনিবার
আগরতলা স্থিত
সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত
হয় গুরুত্বপূর্ণ
বৈঠক। এই
বৈঠকে নিত্যপ্রয়োজনীয়
সামগ্রীর সরবরাহ,
মূল্য নিয়ন্ত্রণ
এবং বাজারে
নজরদারি নিয়ে
বিস্তারিত আলোচনা
হয়। দুর্গাপূজার
সময় সাধারণত
বাজারে ক্রেতাদের
ভিড় এবং
নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রীর
চাহিদা বেড়ে
যায়।
এই সুযোগে
যাতে কোনও
ধরনের কালোবাজারি,
মজুতদারি কিংবা
অতিরিক্ত দামে
সামগ্রী বিক্রির
ঘটনা না
ঘটে, সে
বিষয়ে ব্যবসায়ীদের
সতর্ক করা
হয়। পাশাপাশি
উৎসবের সময়
বাজারে পণ্যের
পর্যাপ্ত সরবরাহ
বজায় রাখা
এবং সাধারণ
মানুষ যাতে
ন্যায্য দামে
প্রয়োজনীয় সামগ্রী
ক্রয় করতে
পারেন, তা
নিশ্চিত করার
বিষয়েও গুরুত্ব
দেওয়া হয়।
বৈঠকে উপস্থিত
ছিলেন খাদ্য
দপ্তরের প্রিন্সিপাল
সচিব শান্তনু
সিং, দপ্তরের
অধিকর্তা সুমিত
লোধ, পশ্চিম
ত্রিপুরা জেলার
জেলা শাসক,
পশ্চিম জেলার
পুলিশ সুপার
সহ খাদ্য
দপ্তর ও
প্রশাসনের অন্যান্য
আধিকারিকরা। খাদ্য
দপ্তরের অধিকর্তা
সুমিত লোধ
সংবাদ মাধ্যমের
মুখোমুখি হয়ে
এইদিনের বৈঠকের
বিষয়ে বিস্তারিত
জানান।দুর্গোৎসবের সময়
বাজারে কৃত্রিম
সংকট ও
অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি
রুখতে প্রশাসনের
পক্ষ থেকে
নজরদারি আরও
জোরদার করার
বার্তাই উঠে
এসেছে এই
দিনের বৈঠক
থেকে।
উল্লেখ্য, গত
কয়েক মাস
ধরে রাজ্যের
ন্যায্য মূল্যের
দোকানে বন্ধ
হয়ে গেছে
চিনি। বাজার
থেকে ৬০-৬৫ টাকা কিলোতে
চিনি কল
করতে হচ্ছে
সাধারণ মানুষের।
একই সঙ্গে
চাল প্রতি
কিলোতে ১০
টাকার অধিক
বৃদ্ধি পেয়েছে।
গত কয়েকদিনে
বাজারে পেঁয়াজের
মূল্য অন্যান্য
সামগ্রী সঙ্গে
পাল্লা দিয়ে
বাড়ছে। প্রতি
কিলো পেঁয়াজ
বর্তমানে ৭০
টাকা দরে
বিক্রি হচ্ছে।
কিন্তু পরিতাপের
বিষয় সদর
মহকুমা প্রশাসন
কুম্ভ নিদ্রায়
আচ্ছন্ন। পেঁয়াজের
মূল্য সহ
অন্যান্য দ্রব্যমূল্য
নিয়ন্ত্রণ করতে
কোনরকম উদ্যোগ
নিচ্ছে না।
বাজারে গিয়ে
হতভম্ব হয়ে
যাচ্ছে মধ্যবিত্ত
ও নিম্ন
মধ্যবিত্ত অংশের
মানুষ। দিশেহারা
হয়ে বাজার
থেকে বাড়ি
ফিরছে তারা।
অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে
চলেছে পেঁয়াজের
মূল্য। রাজ্যে
পেঁয়াজের মূল্য
বাড়ার পেছনে
মূলত কি
কারণ সে
বিষয়ে ব্যবসায়ী
ও প্রশাসনের
কাছে ষ্পষ্ট
কোনো কারণ
নেই। শুধুমাত্র
লাফিয়ে বেড়ছে
পেঁয়াজের মূল্য।
তবে ক্রেতারা
মনে করছে
বাজারে এক
প্রকার ভাবে
কৃত্রিম সংকট
দেখানোর চেষ্টা
করছে ব্যবসায়ী
মহল। বিশেষ
করে মহারাজগঞ্জ
বাজার এবং
বটতলা বাজারের
পাইকারি ব্যবসায়ীরা
মনগড়া পেঁয়াজের
মূল্য বৃদ্ধি
করছেন। মহকুমা
প্রশাসনের পক্ষ
থেকে তাদের
কাছ থেকে
যাচাই করা
হচ্ছে না
রশিদ।
মন্তব্য সমূহ (0)
আপনার মতামত জানান