স্যন্দন ডিজিটাল
ডেস্ক,
আগরতলা।
২১ আগস্ট : বিদ্যুৎ গ্রাহকদের মধ্যে ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ হতেই তড়িঘড়ি বড় ধরনের সিদ্ধান্ত রাজ্য সরকারের। ২০২৬-২৭ অর্থ বছরে টি.ই.আর.সি অনুমোদিত যে বর্ধিত মাশুল জনগণের উপর চাপানো হয়েছিল, তা ১০০ শতাংশ ভর্তুকির মধ্যমে রাজ্য সরকার বহন করবে। শুক্রবার মহাকরণে সাংবাদিক সম্মেলন করে এই ঘোষণা দেন বিদ্যুৎ মন্ত্রী রতন লাল নাথ। সাংবাদিক সম্মেলনে তিনি আরও জানান ২০২৬-২৭ অর্থ বছরে টি.ই.আর.সি অনুমোদিত বর্ধিত মাশুল মে মাস থেকে গ্রাহকদের উপর চাপানো হয়েছিল। তাই যে সকল গ্রাহকরা ইতিমধ্যে এই বিদ্যুৎ মাশুল দিয়ে দিয়েছেন তাদের সেই টাকা আগামি তিন মাসের বিদ্যুৎ বিল থেকে ধাপে ধাপে বাদ দিয়ে দেওয়া হবে।
এই ভর্তুকি রাজ্যের সকল গ্রাহকদের ক্ষেত্রে কার্যকর হবে। একমাত্র রেলওয়ে, ডিফেন্স ইন্সটলেশন, অল ইন্ডিয়া রেডিও, দূর দর্শন এই সকল ক্ষেত্রে ১৫ শতাংশ ভর্তুকি দেওয়া হবে। এইদিনের সাংবাদিক সম্মেলনে মন্ত্রী রতন লাল নাথ দাবি করেন ইতিপূর্বে কোন সরকার টি.ই.আর.সি অনুমোদিত বর্ধিত মাশুল এই ভাবে ১০০ শতাংশ ভর্তুকি প্রদান করে নি। বিজেপির সাধারণ সম্পাদক ভগবান চন্দ্র দাস প্রদেশ বিজেপি কার্যালয়ে এক সাংবাদিক সম্মেলনের মধ্যে দিয়ে বলেন, জনগণের কথা চিন্তা করে সরকার তড়িঘড়ি বিদ্যুৎ মাশুল নিয়ন্ত্রণ করতে ১০০ শতাংশ ভর্তুকি রাজ্য সরকার বহন করবে। এর জন্য রাজ্যের বিদ্যুৎ মন্ত্রী রতনলাল নাথ এবং মুখ্যমন্ত্রী ডাক্তার মানিক সাহাকে ধন্যবাদ জানান। তিনি বলেন সরকার জনগণের প্রতি অত্যন্ত আন্তরিক। এদিকে শুক্রবার এক সাংবাদিক সম্মেলনে প্রদেশ কংগ্রেসের পক্ষ থেকে মুখপাত্র প্রবীর চক্রবর্তী বলেন, সরকার ন্যূনতম বিদ্যুৎ মাসুল বৃদ্ধি করেছিল। কিন্তু অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি করেছিল অন্যান্য চার্জ। সরকার বিদ্যুতের অন্যান্য চার্জ প্রত্যাহার করেছে কিনা সেটা এখন পর্যন্ত স্পষ্ট হওয়া যাচ্ছে না। কিন্তু সরকার দ্বিচারিতা করছে।
প্রথম বিদ্যুৎ মন্ত্রী বলেছিলেন রেগুলেটরি কমিশন বৃদ্ধি করেছে বিদ্যুৎ মাশুল। তাহলে এখন কিভাবে দায়িত্ব নিল রাজ্য সরকার? এই প্রশ্ন কংগ্রেসের। তিনি আরো বলেন ডিজিটাল করাপশন করছে সরকার। জনগণ সবকিছু জানে এবং বুঝে। তবে বিদ্যুতের বিভিন্ন চার্জ নিয়ে যে আঙ্গুল উঠেছে সেটা কতটা নিয়ন্ত্রণ করেছে সরকার এখন সেটাই বড় বিষয়।
মন্তব্য সমূহ (0)
আপনার মতামত জানান