স্যন্দন ডিজিটাল
ডেস্ক,
আগরতলা।
২২
আগস্ট
: শুক্রবার সাংবাদিক
সম্মেলন
করে
মন্ত্রী
বর্ধিত
বিদ্যুৎ
মাশুল
১০০
শতাংশ
ভর্তুকি
হিসেবে
বহন
করার
যে
সিদ্ধান্ত
নিয়েছে,
সেই
ঘাটতি
কিভাবে
পূরণ
করবে
সরকার
তার
কোন
উল্লেখ
নেই।
শনিবার
সিপিআইএম
রাজ্য
কার্যালয়ে
সাংবাদিক
সম্মেলন
করে
এমনটাই
প্রশ্ন
তোলেন
রাজ্যের
প্রাক্তন
বিদ্যুৎ
মন্ত্রী
মানিক
দে।
তিনি
বলেন,
১৭০০
কোটি
টাকার
অধিক
রাজস্ব
ঘাটতি
রয়েছে
বিদ্যুৎ
নিগমের।
সেই
ঘাটতি
মেটাতে
রেগুলেটারি
কমিশনের
কাছে
আবেদন
জানায়
বিদ্যুতের
মাশুল
বৃদ্ধি
করতে।
সে
অনুযায়ী
বিদ্যুৎ
মাশুল
বৃদ্ধি
করে
৪৭৯
কোটি
টাকা
ঘাটতি
মেটাতে
সুযোগ
করে
দেওয়া
হয়।
প্রথম ধাপে
১১৭
কোটি
টাকা
ঘাটতি
মেটানোর
সুযোগ
দেয়।
তাই
বিদ্যুৎ
মাশুল
বিদ্যুৎ
করা
হয়েছিল।
আর
এখন
বলছে
সরকার
নাকি
ভর্তুকি
দেবে
সরকার।
তিনি
আরো
বলেন
২০১৮
সালের
আগে
বিদ্যুৎ
নিগমের
ফিক্স
চার্জ
ছিল
২৫
টাকা
থেকে
৩৫
টাকা।
যা
বর্তমানে
বৃদ্ধি
করে
২১০
টাকা
থেকে
৩০০
টাকা
করা
হয়েছে।
কমার্শিয়ালের
ক্ষেত্রে
বৃদ্ধি
হয়ে
সাড়ে
৪৫০
টাকা
থেকে
৬০০
টাকা
পর্যন্ত
হয়েছে।
যা
বর্তমানে
পার্শ্ববর্তী
রাজ্যগুলির
মধ্যে
৪০
টাকা
থেকে
৫০
টাকার
মধ্যে
নির্যাতিত
রয়েছে।
ফুয়েল চার্জও
বৃদ্ধি
করা
হয়েছে।
অথচ
গ্যাস
রাজ্যের
সম্পদ।
তিনি
আরো
বলেন
বিগত
সরকারের
আমলে
ছিল
প্রতি
ইউনিট
৩
টাকা
৫৪
পয়সা।
গত
৮
বছরে
বৃদ্ধি
হয়ে
দাঁড়িয়েছে
৭
টাকা
৬১
পয়সা।
যা
৭০
শতাংশ
বৃদ্ধি
পেয়েছে।
এর
মুখ্য
কারণ
সরকার
বিদ্যুৎ
নিগমকে
বেসরকারি
করনের
হাতে
ঠেলে
দিচ্ছে।
রাজ্যের
লাভ
জনক
বিদ্যুৎ
নিগম
সরকারের
কারণে
মুখ
থুবড়ে
পড়ছে।
কেন্দ্র
নতুন
করে
নির্দেশিকা
জারি
করেছে
যদি
বেসরকারি
কোন
বিদ্যুৎ
সংস্থা
কোন
রাজ্যে
প্রবেশ
করতে
চায়
তাহলে
রেগুলেটরি
কমিশন
এবং
বিদ্যুৎ
নিগম
যেন
বাধা
হয়ে
না
দাঁড়ায়।
এমনটাই
জানান
প্রাক্তন
বিদ্যুৎ
মন্ত্রী।
আয়োজিত
সাংবাদিক
সম্মেলনে
এছাড়াও
উপস্থিত
ছিলেন
প্রাক্তন
মন্ত্রী
ভানু
লাল
সাহা,
সি
আই
টি
ইউ-র
রাজ্য
কমিটিরসাধারণ
সম্পাদক
শংকর
প্রসাদ
দত্ত
সহ
অন্যান্যরা।
মন্তব্য সমূহ (0)
আপনার মতামত জানান