স্যন্দন ডিজিটাল ডেস্ক নভেম্বর ৩ : উৎসব মরশুমে মহারাষ্ট্র জুড়ে বড় অভিযান ‘ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশন’ বা এফডিএ-র। এই অভিযানে ৯ কোটি টাকারও বেশি মূল্যের খাদ্যদ্রব্য বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। যার একটা বড় অংশ হল পতঞ্জলির ঘি (Patanjali Ghee)। পাশাপাশি পতঞ্জলির ডিস্ট্রিবিউটর-সহ ১৯ জন ব্যবসায়ীর লাইসেন্স বাতিল করা হয়েছে। বাজেয়াপ্ত হওয়া খাদ্যপণ্য অত্যন্ত নিম্ন মানের ছিল বলে জানিয়েছেন এফডিএ আধিকারিকরা।
এফডিএ-র তরফে জানানো হয়েছে, রাজ্যের ৭টি জোনের ১১৪টি জায়গায় এই অভিযান চালানো হয়। অভিযানে ৩.৩৫ লক্ষ কেজি খাদ্যদ্রব্য বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। যার বাজারমূল্য ৯.০১ কোটি টাকা। এর মধ্যে ছত্রপতি সম্ভাজিনগরে পতঞ্জলি আয়ুর্বেদের সুপার ডিস্ট্রিবিউটর মেসার্স দিব্যা মহাবিতরক-এর গোডাউন থেকে ২,২৭৯ লিটার পতঞ্জলির ঘি বাজেয়াপ্ত করা হয়। যার বাজার মূল্য প্রায় ২০.২০ লক্ষ টাকা। এছাড়াও মোট ৪,০৩২ ইউনিট ঘি বাজেয়াপ্ত হয়েছে। বাজেয়াপ্ত এই ঘি খাদ্য সুরক্ষার প্রাথমিক শর্ত পালন করেনি। এছাড়াও রয়েছে বিপুল ভেজাল ঘি।
এছাড়াও বাজেয়াপ্তের তালিকায় রয়েছে ভিওয়ান্ডির অ্যাভিনিউ সুপারমার্টস লিমিটেড থেকে ১ লক্ষ ৪৪ হাজার ২১৮ কেজি ভোজ্য তেল, ২০,৫৬০ কেজি চাল, ডাল, গুড়। পাশাপাশি মুম্বই, অমরাবতী ও সম্ভাজিনগরে ১৯টি খাদ্যপণ্য তৈরির কারখানার লাইসেন্স বাতিল করা হয়েছে। অভিযোগ, অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে এইসব কারখানাগুলিতে খাবার তৈরি করা হত। তাছাড়া কীটপতঙ্গ নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থা না থাকা, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার অভাব এবং প্রয়োজনীয় নথি না থাকায় বাজেয়াপ্ত হয়েছে লাইসেন্স।
পাশাপাশি ২৮ থেকে ৩১ অক্টোবরের মধ্যে নিষিদ্ধ খাদ্যদ্রব্য বিক্রির জন্য ১৭টি সংস্থা থেকে ৭৯.৪০ লক্ষ টাকার পণ্য বাজেয়াপ্ত, ১৩টি এফআইআর, ৭টি দোকান সিল, ৬টি গাড়ি ও ১৬ জন গ্রেপ্তার করা হয়েছে। নাসিক, সম্ভাজিনগর ও নাগপুরে ৩৪টি হোটেল ও ধাবা পরিদর্শন করে ২৯টিকে নোটিস দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে, এফএসএসএআই টাটা ১এমজি মেরিন কোলাজেন পাউডারের লেবেলিং ও বিজ্ঞাপনে অনিয়মের জন্য টাটা ১এমজি, অ্যামাজন ও ফ্লিপকার্টকেও শো-কজ নোটিস পাঠিয়েছে।
মন্তব্য সমূহ (0)
আপনার মতামত জানান