স্যন্দন ডিজিটাল
ডেস্ক,
আগরতলা।
২০
আগস্ট
: স্মার্ট সিটিতে
চুরির
ঘটনার
প্রতিযোগিতা
চলছে।
গত
কয়েকদিনে
এনসিসি
থানা,
আমতলী
থানা,
পূর্ব
থানা
এবং
পশ্চিম
থানা
এলাকায়
একাধিক
চুরির
ঘটনা
সংঘটিত
হয়েছে।
থানাগুলিতে
পাহাড়
সমান
চুরির
অভিযোগ
জমা
পরলেও
অধিকাংশ
ঘটনায়
পুলিশ
ব্যর্থতার
পরিচয়
দিচ্ছে।
কোনভাবে
যদি
একজন
চোর
আটক
করতে
পারে
তাহলে
থানার
ওসি
বাবুদের
অবস্থা
সাংবাদিক
ডেকে
ঢাক
পেটানো
ছাড়া
আর
কিছু
নয়।
বছরের
পর
বছর
শহরের
থানা
গুলিতে
দায়িত্ব
পালন
করে
শুধুমাত্র
ব্যর্থতার
ফসল
জমা
করছে
স্বরাষ্ট্র
দপ্তরের
জন্য।
বৃহস্পতিবার সকালে
আরো
একটি
চুরির
ঘটনা
সামনে
এসেছে।
আগরতলা
শহরে
চিত্তরঞ্জন
রোড
এলাকায়
এক
টাইলসের
দোকানে
চুরির
ঘটনা
সংঘটিত
হয়।
বৃহস্পতিবার
সকালে
চিত্তরঞ্জন
রোডের
এক
টাইলসের
দোকানে
চোর
থাবা
বসানোর
অভিযোগ
উঠে।
দোকানের
কর্মচারী
চন্দন
দাস
গুপ্ত
জানান,
অন্যান্য
দিনের
মতো
বুধবার
রাতের
বেলা
দোকান
বন্ধ
করে
সাড়ে
আটটার
নাগাদ
বাড়ি
গিয়েছিলেন।
বৃহস্পতিবার
সকাল
বেলা
সাতটার
নাগাদ
জানতে
পারেন
দোকানে
থাবা
বসিয়েছে
চোর।
দোকানে
এসে
দেখেন
ক্যাশ
বাক্স
ভেঙ্গে
টাকা
নিয়ে
গেছে
চোরেরা।
এবং
দোকানের
কর্মচারীদের
ধারণা,
দোকানের
সামনে
টিন
দিয়ে
বেড়া
দিয়ে
সাটার
শাবল
দিয়ে
ভেঙ্গে
ভেতরে
প্রবেশ
করে
টাকা
নিয়ে
যায়।
সঙ্গে
সঙ্গে
বিষয়টি
পুলিশকে
জানানো
হয়।
ঘটনাস্থলে
পুলিশ
এসে
অভিযোগ
নিয়ে
তদন্ত
শুরু
করেছে।
তবে
তাদের
প্রশ্ন,
৫০
মিটারের
মধ্যে
পূর্ব
আগরতলা
থানা
এবং
মহারাজগঞ্জ
ফাঁড়ি
থাকার
পরও
এত
বড়
চুরির
ঘটনা
কিভাবে
ঘটলো?
এর
দ্বারা
বুঝা
যায়
পুলিশ
রাতের
বেলা
নিয়মিত
টহলদারি
দেয়
না।
গত
কয়েকদিনে
এলাকায়
আরো
একাধিক
চুরির
ঘটনা
সংগঠিত
হয়েছে।
এমনকি
গত
দুবছর
আগে
দোকানে
চুরি
হয়েছিল।
কিন্তু
সেই
ঘটনার
কিনারা
করতে
পারল
না
পুলিশ
গত
দু
বছরে।
সুতরাং,
পুলিশের
দুর্বলতার
কারণেই
চোরের
উপদ্রব
বেড়ে
চলেছে,
এমনটাই
নিঃসন্দেহে
দাবি
করলেন
তিনি।
অপরদিকে
অভয়নগর
ফাঁড়ির
পুলিশ
কুখ্যাত
চোরের
সহযোগিকে
জালে
তুলতে
সক্ষম
হয়েছে।
সম্প্রতি
জিবি
হাসপাতালে
এক
চিকিৎসকের
মোবাইল
ফোন
এবং
ল্যাপটপ
চুরি
হয়েছিল।
অভিযুক্ত
চোরকে
পুলিশ
বুধবার
আটক
করে।
তারপর
তাকে
জিজ্ঞাসাবাদ
চালিয়ে
তার
সহযোগীকে
আটক
করতে
সক্ষম
হয়।
তবে
প্রশ্ন
কবে
পুলিশের
নিদ্রা
ভাঙবে
এবং
দুর্বলতা
কাটিয়ে
হাত
পা
ঝাডরা
দিয়ে
মাঠে
ময়দানে
নামবে
?
মন্তব্য সমূহ (0)
আপনার মতামত জানান