৫ মে পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য করল আদালত

স্যন্দন ডিজিটাল ডেস্ক, ৩ মে : ২৬ এপ্রিল দিনটি ত্রিপুরার জন্য একটি কালোদিন হয়ে থাকবে। সেদিন রাত সাড়ে ১১টা নাগাদ উত্তর গেইট সংলগ্ন দুটি বিয়ে বাড়িতে ঝটিকা অভিযান চালান পশ্চিম জেলার জেলাশাসক ডা: শৈলেশ কুমার যাদব। করোনা নির্দেশিকা ভাঙার অভিযোগ এনে বিয়ের অনুষ্ঠান বন্ধ করে দেন পশ্চিম জেলার জেলাশাসক। পাশাপাশি অভিযানের সময়ে একজন পুরোহিত, বর সহ কয়েকজনকে শারীরিকভাবে নিগ্রহ করার অভিযোগ উঠে জেলাশাসকের বিরুদ্ধে। পরে এই অভিযানের ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হতেই বিভিন্ন মহল থেকে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়। সরব হয় সব মহল। ইতিমধ্যেই এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে দুই সদস্যদের তদন্ত কমিটি গঠন করে রাজ্য সরকার। সেই কমিটির সামনে উপস্থিত হন শৈলেশ কুমার যাদব।

তবে সমালোচনার ঝড় বাড়লে রবিবার দায়িত্ব থেকে অব্যহতি চেয়ে মুখ্যসচিবের কাছে চিঠি দেন শৈলেশ কুমার যাদব। তার অব্যাহতি পত্র মঞ্জুর করেন মুখ্যসচিব। এই ঘটনায় পুরোহিতের হয়ে মামলা দায়ের করা হয়। সোমবার মামলাটি উচ্চ আদালতে শুনানোর জন্য উঠে উচ্চ আদালতের প্রধান বিচারপতি ও বিচার এস জি চট্টোপাধ্যায়ের বেঞ্চে। এই বিষয়ে নিগ্রহ কাণ্ডে জেলাশাসককে কেন পশ্চিম জেলার বাইরে পাঠানো হবে না তা  রাজ্য সরকারের কাছে হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ জানতে চায়।

জেলা শাসকের বিরুদ্ধে চলা প্রশাসনিক তদন্ত বন্ধ করতে নির্দেশ দিলো উচ্চ আদালত। পুরোহিতের পক্ষে আদালত আইনজীবী নিয়োগ করে।  আবেদনকারীর কাছে ঐ দিনের ঘটনার সমস্ত ভিডিও ফুটেজ, অনুপত্রের কাগজ এবং কতজন লোক ঐ সময় উপস্থিত ছিলো তা আদালতে আগামী ৫ মে মধ্যে জমা দিতে নির্দেশ দিলো উচ্চ আদালত। আদালত এও  জানিয়েছে এই মামলা আদালত গুরুত্ব দিয়ে দেখছে। বুধবার আবার এই মামলার শুনানি দিন ধার্য করেছে  উচ্চ আদালতের ডিভিশন ব্যাঞ্চ। আদালতের এই নির্দেশ সম্পর্কে জানান আইনজীবী ভাস্কর দেববর্মা।