সংক্রমণ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করল বাম যুব সংগঠন

স্যন্দন প্রতিনিধি। আগরতলা। ২৫ এপ্রিল : করোনা মুকাবিলা করতে রাজ্যে প্রত্যেকটি জেলা এবং মহকুমা স্তরের হাসপাতালগুলিতে সুপরিকল্পিত ব্যবস্থা করা এবং রাজ্যে ভ্যাকসিন ও অক্সিজেন সিলিন্ডার এনে মজুত করার জন্য শনিবার ছাত্র-যুব ভবনে বাম যুব সংগঠনের পক্ষ থেকে দাবি জানানো হয়। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার গবেষকরা করোনা সংক্রমণ নিয়ে গভীরভাবে উদ্বিগ্ন প্রকাশ করছে। ভারত সরকারের পক্ষ থেকে কোন ধরনের উদ্যোগ গ্রহণ করা হচ্ছে না। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী এবং রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব কুমার দেব বলছেন বিগত বছর করোনার বিরুদ্ধে ভারতবর্ষের মানুষ লড়াই করে জয় পেয়েছে।

 সরকারের এ ধরনের বক্তব্য থেকেই সংক্রমণের দ্বিতীয় ঢেউ -এর সূত্রপাত। বিগত বছর প্রত্যক্ষ করা যায় অক্সিজেনের অভাবে ও বিভিন্ন ত্রুটির কারণে জিবি কোভিড সেন্টারে রোগীর মৃত্যু হয়েছে। কিন্তু করোনার দ্বিতীয় ঢেউ আরো বেশি মারাত্মক। দেশে বিভিন্ন রাজ্যে অক্সিজেনের অভাবে রোগীর মৃত্যু হচ্ছে। রাজ্যের সমস্ত হাসপাতালে করোনা রোগীর চিকিৎসার জন্য পর্যাপ্ত পরিমাণে চিকিৎসক এবং স্বাস্থ্য কর্মী নিয়োগ করার জন্য দাবি জানান ডি ওয়াই এফ আই রাজ্য সম্পাদক নবারুণ দেব। তবে কোন বিজেপি নেতার স্বাক্ষর দ্বারা যাতে চিকিৎসক এবং স্বাস্থ্য কর্মী নিয়োগ না হয় সে বিষয় তুলে ধরেন তিনি। তিনি দাবি জানান, সংক্রমণের ব্যাপকতার কারণে জেলা এবং মহকুমা হাসপাতালগুলি কোভিড পরিষেবার পর্যাপ্ত ব্যবস্থা করা হোক।

কারণ রাজ্যেও ভয়ঙ্কর রূপ নিচ্ছে করোনা। এর জন্য এস ডি এম ও এবং ডি এম ও কাছে ডিওয়াইএফআই ও টি ওয়াই এফ মহকুমা নেতৃবৃন্দরা ডেপুটেশন প্রদান করবে। এছাড়াও বিনা পয়সায় যাতে টিকাকরণের ব্যবস্থা করা হয় এবং রাজ্যে ভ্যাকসিন পর্যাপ্ত পরিমাণে এনে মজুত করা হয়, তার জন্য দাবি জানানো হবে বলে জানান নবারুণ দেব। রাজ্য প্রশাসনকে করোনা মোকাবিলা করার জন্য কঠোর ভূমিকা গ্রহণ করতে হবে। বাজার ক্রেতা বিক্রেতা ও গণপরিবহনে যাত্রীদের মধ্যে দূরত্ব বজায় রাখার জন্য ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। নয়তো সংক্রমণ ভয়াবহ আরো তেজী রূপ ধারণ করবে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেন ডিওয়াইএফআই রাজ্য সভাপতি পলাশ ভৌমিক। তিনি আরো দাবি জানান পুষ্টিকর খাবার রেশনিং ব্যবস্থা মাধ্যমে যাতে প্রদান করা হয়। গত ফেব্রুয়ারি মাস থেকে বন্ধ থাকা ডাল যাতে অবিলম্বে রেশনের মাধ্যমে প্রদানের ব্যবস্থা করা হয় বলে সরকারের কাছে দাবি করেন তিনি।