শুরু হলো করোনা কারফিউ

স্যন্দন প্রতিনিধি। আগরতলা। ১৭ মে। করোনার প্রকোপে বেলাগাম অবস্থা। দিন দিন করোনা আক্রানের সংখ্যা বাড়ছে ঝড়ের গতিতে। পরিষেবা দিতে গিয়ে হিমশিম খেতে হচ্ছে স্বাস্থ্য কর্মী ও চিকিৎসকদের। পাল্লা দিয়ে বাড়ছে মৃত্যূর সংখ্যাও। এই অবস্থায় অবশেষে আগরতলা পুর নিগম এলাকায় করোনা কারফিউ জারি করেছে রাজ্য সরকার। সোমবার ভোর ৫ টা থেকে লাগু হয়েছে করোনা কারফিউর নির্দেশ।

 চলবে আগামী ২৬ মে ভোর ৫ টা পর্যন্ত। এই করোনা কারফিউতে একাধিক নির্দেশিকা জারি করেছে পশ্চিম ত্রিপুরার জেলা শাসক। জরুরি পরিষেবা গুলি এই কারফিউর বাইরে রাখা হয়েছে। সাধারন মানুষকে বাড়িতে থাকতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। অত্যন্ত জরুরি কোন কারণ ছাড়া বাড়ি থেকে বের না হতে নির্দেশে উল্লেখ রয়েছে। কিন্তু এই নির্দেশ ও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে জনগণের স্বার্থে। অথচ এখনো একাংশ জনগণ সেই নির্দেশকে অমান্য করে চলেছে। যদিও সংখ্যাটা নেহাতই ক্ষুদ্র। তাঁর পরেও তাদের এই যথেচ্ছাচার বিপদ বাড়াবে কেবল তাই নয় শহর আগরতলাকে ভয়ঙ্কর দিকে নিয়ে যেতে বাধ্য করবে। করোনা কারফিউতে খোলা রয়েছে বাজার। আর এই বাজারে দোকান পাট অল্প পরিমাণে খুললেও অন্যান্য দিনের তুলনায় ক্রেতার সংখ্যা ছিল অনেকটাই কম। কিন্তু তারপরেও অনেকের মুখে সঠিক ভাবে ছিল না মাস্ক।

 যে কারনে রাজধানীর বেশ কিছু বাজার ও অন্যান্য স্থানে অভিযানে নেমে পুলিশ এদিন প্রায় ৫০০ জনকে জরিমানা করেন। বিক্রাতাদের মুখেও সঠিক ভাবে ছিল না মাস্ক। সদরের এস ডি পি ও রমেশ যাদব রাজধানীর দুর্গা চৌমুহনী বাজার সহ বেশ কিছু এলাকায় অভিযান চালান। যাদের মুখে সঠিক ভাবে মাস্ক ছিল না তাদের জরিমানা করা হয়। ছিলনা সামজিক দূরত্ব। যার জন্যও ব্যবস্থা করতে হয় সদর এস ডি পি ও। তিনি জানান মাস্ক ও সামাজিক দূরত্ব সঠিক না রাখায় এই জরিমানা আদায় করা হয়েছে। এদিন থেকে কারফিউ লাগু হয়েছে। তাই সকলকে সচেতন করে ফের একবার তাঁর বার্তা করোনা ভয়ঙ্কর রোগ । তাই কোন ভাবেই যেন অবহেলা না করা হয়। তবে দুপুরের পর থেকে করোনা কারফিউ তীব্র সাড়া মিলছে দেখা যায় শহরে। যানবাহন চলাচল প্রায় এক প্রকার ছিল না বলে চলে। অনুরূপভাবে কাপড়ের দোকান, শপিং মল, সিনেমা হল সবকিছু ছিল এক ঝাঁপ বন্ধ।