শপথ নিলেন মুখ্য কার্যনির্বাহী সদস্য সহ চেয়ারম্যান

স্যন্দন প্রতিনিধি। আগরতলা। ২০ এপ্রিল : ত্রিপুরা উপজাতি এলাকা স্ব-শাসিত জেলা পরিষদের মুখ্য কার্যনির্বাহী সদস্য হিসাবে মঙ্গলবার শপথ গ্রহণ করেন পূর্ণ চন্দ্র জমাতিয়া। অপর দিকে চেয়ারম্যান হিসাবে শপথ গ্রহণ করেন জগদীশ দেববর্মা। এদিন এডিসি-র সদর দপ্তর খুমুলুঙ এর নুয়াই অডিটোরিয়ামে শপথ বাক্যপাঠ করান ত্রিপুরা উপজাতি এলাকা স্ব-শাসিত জেলা পরিষদের প্রশাসক জি কে রাও।

 শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন মুখ্য কার্যনির্বাহী আধিকারিক বলীন দেববর্মা। এদিন একই সঙ্গে ৭ জন কার্যনির্বাহী সদস্য শপথ গ্রহণ করেন। কার্যনির্বাহী সদস্যরা হলেন সুহেল দেববর্মা, ডলি দেববর্মা, রাজেশ ত্রিপুরা, ভবরঞ্জন রিয়াং, অনিমেশ দেববর্মা, চিত্তরঞ্জন দেববর্মা ও কমল কলই। তবে একমাত্র মহিলা কার্যনির্বাহী সদস্য হিসাবে শপথ নেন ডলি দেববর্মা। এদিনের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মন্ত্রী মেবার কুমার জমাতিয়া, তিপরা মথার চেয়ারম্যান তথা এম ডি সি প্রদ্যোৎ কিশোর দেববর্মণ, পিসিসি-র সভাপতি পীযূষ বিশ্বাস সহ অন্যান্যরা। মন্ত্রী মেবার কুমার জমাতিয়া বলেন নতুন সরকারে নতুন প্রজন্মের অনেকেই আছেন। তাঁরা স্বচ্ছ প্রশাসন উপহার দেবে । এডিসি- অধীনে রয়েছে ৭০ শতাংশ এলাকা। দীর্ঘ বাম শাসনে এই এডিসি এলাকায় কোন উন্নয়ন হয়নি। যে কারনে এডিসি এলাকার উন্নয়ন আবশ্যক। জল সহ একাধিক সমস্যা নিরসনে এই সরকার কাজ করবে তাদের নির্বাচনে দেওয়া প্রতিশ্রুতি মোতাবেক বলে আশা ব্যক্ত করেন তিনি। সরকার চলবে স্বচ্ছ ও দুর্নীতি মুক্ত হয়ে। নির্বাচন শেষ। তাই এই নতুন প্রজন্মের প্রতিনিধিদের এখন কাজ করে দেখাতে হবে। তাই কাজের সময় বলে জানান তিপরা মথার চেয়ারম্যান তথা এম ডি সি প্রদ্যোৎ কিশোর দেববর্মণ। শিক্ষা, স্বাস্থ্য, জল, নিকাসি ব্যবস্থা, ভূমি বন্দোবস্ত, রাজস্ব এই ক্ষেত্র গুলিতে প্রধান্য দেবে সরকার। নির্বাচন উত্তর সন্ত্রাস এই রাজ্য , পশ্চিম ও কেরালার সংস্কৃতি। এর থেকে বেড়িয়ে আসতে হবে। এটা ডান ও বামের মধ্যে সংঘাত নয়। এটা এডিসি এলাকার উন্নয়ন ঘটানোর প্রশ্ন। যা দীর্ঘ দিন বন্ধ ছিল। সেই দিশাতে বর্তমান সরকার কাজ করবে বলে জানান তিনি। মুখ্য কার্যনির্বাহী সদস্য পূর্ণ চন্দ্র জমাতিয়া বলেন কৃষি ক্ষেত্রে সব চাইতে জোর দেওয়া হবে।  বহু জমি পড়ে রয়েছে , জলের অভাবে সেখানে চাষ করা যাচ্ছে না। এগুলি আলোচনা করে সমাধান করে দেওয়া হবে। এরপর শিক্ষা ক্ষেত্রেও জোর দেবে সরকার। সরাসরি অর্থ প্রদান অত্যন্ত আবশ্যক। এডিসি-র টাকা ঘুরে এলে তাতে কাজ করতে অসুবিধা হয়। তাই সরাসরি অর্থ এডিসি প্রশাসনের হাতে দেওয়ার বিষয়েও ব্যবস্থা করা হবে বলে জানান মুখ্য কার্যনির্বাহী সদস্য পূর্ণ চন্দ্র জমাতিয়া।