ব্রিটেন থেকে ভারতে আসলে মানতে হবে কেন্দ্রের এই নতুন বিধি

স্যন্দন ডিজিটাল ডেস্ক, ২২ ডিসেম্বর : নয়া রূপের করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে ব্রিটেন থেকে ভারতে আসার সমস্ত বিমান বাতিল করেছে কেন্দ্র৷ ২২ ডিসেম্বর থেকে আপাতত ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত ব্রিটেন থেকে ভারতে আসার সমস্ত বিমান বাতিল করা হয়েছ৷ কিন্তু এরপর যারা লন্ডন থেকে ভারতে আসবেন তাঁদের জন্য নতুন এসওপি (স্ট্যার্ন্ডাড অপারেটিং প্রসিডিওর) লাগু করল ভারত সরকার৷

ব্রিটেন থেকে ভারতে আসার পরেই বিমানবন্দরে হবে আরটি-পিসিআর কোভিড পরীক্ষা৷ যাঁদের রিপোর্ট পজিটিভ আসবে তাঁদের বাধ্যতামূলক ভাবে আলাদা করে আইসোলেশনে যেতে হবে৷ তাঁদের সহযাত্রীদের যেতে হবে সরকারি কোয়ারেন্টাইনে৷ স্বাস্থ্য ও পরিবার মন্ত্রক জানিয়েছে যে, তারা ইসিডিসি-র (ইউরোপিয়ান সেন্টার ফর ডিসিজ কন্ট্রোল) সঙ্গে কথা বলে জানতে পেরেছে যে, নতুন করোনার স্ট্রেন (প্রজাতি) আরও অনেক বেশি সংক্রামক এবং অপেক্ষাকৃত তরুণরা বেশি সংক্রামিত হচ্ছে৷ সরকারি বিবৃতিতে বলা হয়েছে, "করোনার এই পরিবর্তন ১৭টি ধাপে হচ্ছে৷ তার মধ্যে সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ পরিবর্তন হচ্ছে সংক্রমণ, আগের থেকে অনেক বেশি সংক্রামক৷ সহজেই মানুষের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ছে৷সরকার তার নির্দেশিকায় আরও স্পষ্ট করে জানিয়ে দিয়েছে যে, নতুন এসওপি ভারতে আসা সেই সব আন্তর্জাতিক যাত্রীদেরও মানতে হবে, যারা শেষ চার সপ্তাহে (নভেম্বর ২৫ থেকে ডিসেম্বর ২৩) ব্রিটেনে গিয়েই এ দেশে আসছে৷ সকল যাত্রীকে শেষ ১৪ দিনের যাত্রার ইতিহাস লিখে স্বঘোষিত ফর্ম ভরতে হবে৷ তেমন মনে হলে তাদেরও আরটি-পিসিআর পরীক্ষা করাতে হবে৷ পরীক্ষায় রিপোর্ট পজিটিভ আসলে নতুন করোনার জন্য স্পাইক জেন-বেসড আরটি-পিসিআর পরীক্ষা হবে৷ পুরনো করোনা ধরা পড়লে সেক্ষেত্রে হোম আইসোলেশন ও অনান্য চিকিৎসা হবে৷

নতুন প্রজাতির করোনা ধরা পড়লে আক্রান্তকে আলাদা করে আইসোলেশনে রাখা ও অনান্য চিকিৎসার প্রটোকল মানতে হবে৷ ১৪দিন আইসোলেশন কাটানোর পর ফের একটা টেস্ট হবে৷ তারপরেও যদি রিপোর্ট পজিটিভ আসে তাহলে ফের নমুনা পরীক্ষা করাতে হবে৷ ২৪ ঘণ্টার মধ্যে পরপর দু'বার রিপোর্ট নেগেটিভ আসা না পর্যন্ত এই প্রক্রিয়া চলতে থাকবে৷ এয়ারলাইন সংস্থাগুলিকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে যে, যাত্রীদের যেন বিমানবন্দরে আসার আগেই নতুন এসওপি-র সম্বন্ধে জানিয়ে দেওয়া হয়৷কেন্দ্র সরকার জানিয়ে দিয়েছে গত চার সপ্তাহে (নভেম্বর ৫ থেকে ২৩ ডিসেম্বর) ব্রিটেন থেকে ভারতে আসা রাজ্য ভিত্তিক যাত্রীদের তালিকা প্রস্তুত করতে হবে৷ রাজ্যগুলিকে এই তথ্য থেকে ব্যুরো অফ ইমিগ্রেশন দেবে৷ ভবিষ্যতে ইন্টিগ্রেটেড ডিসিজ সার্ভিলেন্স প্রোগ্রামের জন্য যেন এই পরিসংখ্যান সার্ভিলেন্স দলের কাছে থাকে৷