প্রতিহিংসা একদিনে মুছা যাবে না : বিপ্লব

স্যন্দন ডিজিটাল ডেস্ক, ২৬এপ্রিল : প্রতিহিংসা পরায়ণতা মানসিকতা নিয়ে পূর্বে সরকার পরিচালনা করা হতো। আর এ ধরনের মানসিকতা একদিনে মুছা যাবে না। মানসিকতা পরিবর্তনের জন্য পজিটিভিটি নিয়ে কাজ করতে হবে।পজিটিভিটি সাফল্য নিয়ে আসে। মানুষের মধ্যে পজিটিভিটি থাকলে সাফল্য অবশ্যই আসে। দীর্ঘ ২৫ বছর কেন্দ্র দেয় না বলতো পূর্বের সরকার। এ ধরনের মানসিকতা রাজ্যের বিনাশ করেছে। বিগত ৩০-৪০ বছর রাজ্যে কিছুই হয়নি। রাস্তাঘাট আর কমিউনিটি হেলথ সেন্টার স্বাভাবিক নিয়মে হয়ে থাকে। ১৯৭২-৮২ সালের বিল বাকি ছিল। ১৯৭২ সালের আইনি ধারা রাজ্য পুলিশকে পরিচালনা করা হতো। কোনো উন্নয়ন হয়নি। শুধু প্রতিহিংসাই লক্ষ্য করা গেছে। সৃষ্টিকর্তার কাছে প্রতিহিংসামূলক মানসিকতার আহুতি দিতে হবে। সোমবার বিধায়িকার তহবিল থেকে বেলতলিস্থিত আনন্দময়ী কালীবাড়িতে এম্বুলেন্স প্রদান অনুষ্ঠানে বক্তব্য রেখে একথা বলেন মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব কুমার দেব। গত তিন বছরে স্বনির্ভর মানসিকতা সৃষ্টি হয়েছে।

এটি রাজ্যের সবচেয়ে বড় উপহার। পজিটিভিটি দিয়ে করোনাকে প্রতিহত করতে হবে। করোনার দ্বিতীয় ঢেউ মোকাবিলা করে বাঁচতে হবে আমাদের। করোনাকে ভয় পাওয়ার প্রয়োজন নেই। পর্যাপ্ত পরিমাণে অক্সিজেন সাপোর্ট ব্যাড, অক্সিজেন সিলিন্ডার এবং কোভিড সেন্টার এর ব্যবস্থা করা হয়েছে। অর্থাৎ সব ধরনের ব্যবস্থাপনা প্রশাসনের কাছে রয়েছে। সুতরাং সকলের যাতে কোভিড প্রটোকল মেনে চলে। আহ্বান জানালেন মুখ্যমন্ত্রী। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, কৃষ্টি সংস্কৃতি সহ এক মানসিকতা নিয়ে লক্ষ বছর যাবত ভারতবর্ষকে পরিচালনা করে শক্তিশালী এবং ঐক্যবদ্ধ ভারত গড়ে তোলা হয়েছে। বিদেশি মানসিকতা দিয়ে রাজ্যের সংস্কৃতিকে কুৎসা রটানো হতো। ২০১৮ সালে এর পরিসমাপ্তি ঘটেছে। কৃষ্টি, সংস্কৃতি আমাদের সমাজ সুরক্ষিত রাখে। আর সামাজিক অনুষ্ঠান গুলো মানুষকে এক জায়গায় জুড়ে রাখে। তাই রাজ্যের সংস্কৃতি ধরে রাখতে সরকার কাজ করছে বললেন মুখ্যমন্ত্রী। বেলতলি এলাকায় একটি পি এস সি সেন্টার ছিল, এটি সি এস সি করার ব্যবস্থা করা হয়েছে। পাশাপাশি উন্নয়নমূলক সমস্ত কাজ রাজ্যে করোনা পরিস্থিতির মধ্যে সম্পন্ন করার প্রচেষ্টা রয়েছে বলে জানান মুখ্যমন্ত্রী। এদিন অনুষ্ঠানে এলাকার বিধায়িকা মিমি মজুমদার আরও একটি অ্যাম্বুলেন্স এবং শবদেহ গাড়ি দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন। বিশেষ করে করোনা আবহে কথা মাথায় রেখে এ ধরনের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে বলে জানান বিধায়িকা মিমি মজুমদার। এদিন অনুষ্ঠানে এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন মন্দির পরিচালন কমিটির সম্পাদক বিধান দেব, সহ-সভাপতি কেশব নন্দ দত্ত সহ অন্যান্যরা।